বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দুষ্টপরী ,মিষ্টিপরী আর মোহনকুমার-০৩

"রূপকথা " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X আর তারপরই মিষ্টিপরীর চুলের গোছা ধরে এক ডুব ,সোজা পাতাল পুরীতে গিয়ে হাজির। জনমানবশূন্য থমথমে পাতালপুরীর একটা ঘরে মিষ্টি পরীকে আটকে দুষ্টপরী আবার চলে এলো চাঁদের দিঘির পাড়ে। কাকপক্ষীটিও জানলনা যে কি সর্বনেশে কাণ্ডটা ঘটে গেল। এদিকে চাঁদটা হেসে হেসে ক্লান্ত হয়ে রোদের কাঁথামুড়ি দিয়ে ঘুমোবার তোড়জোড় করতেই পরীদের হৈহুল্লোরও থেমে গেল। সবাই যখন মেঘের ভেলায় চড়তে যাবে ঠিক তখুনি পরী রানী বললেন , মিষ্টি পরী কোথায় ? অমনি খোঁজ পড়ল চারদিকে। দিঘির জলে হাপুস হুপুস সাতার কাটে কৈ ভোরযে হল ,ফেরার পালা মিষ্টি পরী কই ? মাঠের ওপাশ ঝাউবনটা খোঁজে এলাম ,নেই জোত্স্না রাতের আলোর মাঝে কে হারাল খেই! এদিক খোঁজ ,ওদিক খোঁজ নাম দিঘির জলে মাঠের উপর পলক বোলাও কোথায় গেল চলে ? কোথাও নেই মিষ্টি পরী। এদিক সূর্যটাও উঠি উঠি করছে। আর যে এখানে থাকা চলেনা। কাঁদতে কাঁদতে ফিরে চলল পরীর দল। কেবল কাঁদলনা দুষ্টপরী ,তার মনে আজ ভারি আনন্দ। মদনপুরের রাজকুমার মোহনকুমার শিকারের ভারি শখ। কদিন পরপরই দলবল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন জঙ্গলে। মদনপুর রাজ্যের পাশেই মস্ত জঙ্গল । হিংস্র জন্তু জানোয়ারে একেবারে ঠাসা। তাই বলে কি হবে ,গাছপালা এত ঘন যে শিকারকে তাড়া করাটা অনেক কষ্টকর। তলোয়ারের খোঁচায় লতাপাতা কেটে এগোতে হয় সামনে। রাজকুমারের ভারি শখ একটা হরিণ পোষার। পোষতে হলে তো আর তীর চালানো যাবেনা ,হরিণ ধরতে হব জ্যান্ত। দলবল নিয়ে জঙ্গলের ভেতর লতাপাতা কেটে এগোতে লাগলেন মোহনকুমার। ঘন জঙ্গল ,এই ভরদুপুরেও গাছপাতার আড়াল দিয়ে টুকরো টুকরো আলো দেখে মনে হয় সন্ধ্যা হয়ে এলো বুঝি। জঙ্গল পেরিয়ে দলবল সহ রাজকুমার চলে এলেন একটা প্রকাণ্ড মাঠে। জঙ্গলের ঠিক মাঝে মাঠটা। এপাশ থেকে ওপাশ দেখা যায়না। মাঠ দেখে তো রাজকুমার ভারি অবাক! এত বছর ধরে শিকার করছেন ,কই আগেতো কোনদিন এ মাঠ দেখেননি ? রাজকুমার মাঠ ধরে এগোতে যেতেই বাঁধা দিয়ে উঠল তার দলবল। মন্ত্রিপুত্রও ছিলেন শিকারি দলে। তিনি বললেন , রাজকুমার আমাদের উচিত এখুনি বাড়ি ফিরে যাওয়া। এ নিশ্চয় কোন মায়ার খেলা। রাজকুমার জেদ করে বললেন ,সে মায়াই হোক আর যাই হোক। একবার যখন এসে পড়েছি আমি না দেখে যাবনা। তোমরা না যেতে চাও থাক এখানে। আমি না ফিরলে মহারাজাকে খবর দিও। অগত্যা সবাই সে জঙ্গলের ধারেই তাঁবু পেতে রাজকুমারের অপেক্ষায় রইল। আর রাজকুমার মাঠের উপর দিয়ে এগিয়ে চললেন। শূন্য মাঠ। দূর্বাঘাসগুলো যেন মখমলের মত বিছিয়ে আছে পুরো মাঠে। হঠাত্ রাজকুমার চোখ পড়ল একটা ভারি সুন্দর হরিণ ছানার উপর। মাঠের মধ্যে বসে ঘাস খাচ্ছে আর আড় চোখে রাজকুমারকে দেখছে। রাজকুমার ভাবলেন ,এটাকেই ধরে নেওয়া যাক। যেইনা রাজকুমার জাল খোলে ছুড়তে যাবেন অমনি হরিণটা দিল ছুট। রাজকুমারও ছুটলেন পিছু পিছু। তেপান্তরের মাঠে যেন বিদ্যুৎ খেলছে। ঐতো ছানাটা এখনও দেখা যাচ্ছে। রাজকুমার আরও দ্রুত ঘোড়া ছুটান।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দুষ্টপরী ,মিষ্টিপরী আর মোহনকুমার-০৩

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now