বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দুঃখময় জীবন

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ শওকত নুর (ইমন)(guest) (০ পয়েন্ট)

X ২০১১ যখন আমার বয়স প্রায় ১১ বছর।।,তখন আমি ৬ষ্ঠ শ্রেনীেত পড়ি।আমার বাড়িতে আমার মা,বাবা,৫বোন,আমি ১ভাই,আমার দাদু,আমার কাকা আলী হোসেন,আমার চাচি,এবং আমার ২চাচাতো বোন,মিলে জীবন যাপন করছিলাম।আমার কাকা আমাদের এলাকায় একটা দোকান প্রতিষ্ঠা করেন,যার নাম দেওয়া হয় (লিজা ডিজিটাল ষ্টুিডও) আমার বড় বোনের নামে।আমি আমার মত চলতেছি,হঠাৎ করে একদিন আমার কাকা আমাকে ডেকে তার দোকানের দিকে নিয়ে যায়,,কেন আমি যানিনা।তবে আমার মনে খুব ভয় ছিল যে,কেন আমাকে নিয়ে যাচ্ছে।তারপর উনি আমাকে দোকানের ক্যাশের সামনে বসালো এবং কম্পিউটার এর মাউসের উপর হাত দিতে বল্লো, আমার ভয় লাগলো কেননা কোনদিন কম্পিউটার চালাইনি ও ধরিনি এজন্য। যাই হোক, আমাকে উনি প্রথমে গান চালানো শিখিয়েছে তারপর ক্রমে ক্রমে ছবির কাজ সহ বিভিন্ন কাজ শিখলাম। কাকা বলেছিলো কাজে লাগবে।তারপর আমি পড়ালেখার পাশাপাশি কাকার দোকান চালাই এবং দোকান দেখাশোনা করতে থাকি।এভাবে কাটতে লাগলো বছরের পর বছর। এর মধ্যে আমি JSC & SSC পরিক্ষা দিয়ে পাস করলাম, তারপর কলেজে ভর্তি হলাম এবং ১ম বর্ষ শেষ করলাম ২য় বর্ষে উটলাম।কিন্তুু হঠাৎ করে একদিন আমার ফুফু অসুস্থ হল এবং তাকে হাসপাতালে নিতে হল! এর ২দিন পর আমার কাকা ফুফুকে দেখতে যাবে স্থির করলেন, তারপর প্রতিদিনের মত আমাকে দোকানে বসিয়ে রেখে রওনা হলো সন্ধ্যার পর,ঘটনা হল ২৪/০৪/২০১৬ তিনি ফুফুকে দেখলেন এবং যাওয়ার সময় তার জন্য যে শুজি,রুটি নিয়েছিল তা নিজ হাতে ফুফুকে খইয়ে দিলো,,,তখন বাড়ি থেকে তার ছোট মেয়ে (তাসনিম)তার কাছে মানি আমার আলী কাকার কাছে তাদের বাবা মেয়ের সাথে কিছুক্ষন কথা বল্লেন। তখন তার মেয়ে (তাসনিম) তার বাবাকে তার জন্য চকলেট আনতে বলেছিলো তখন আমার কাকা জবাব দালেন আল্লাহ বাচাঁলে আনবো।তারপর কাকা সবার থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হলেন।এর মধ্যে আমি দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে গেলাম এবং শুয়ে পড়লাম।কিন্তুু হঠাৎ করে আমার কানে শব্দ এলো আমার কাকা নাকি সড়ক দূরগটনায় আহত হয়েছে তখনি আমি আর আমার বাবা হাসপাতালের দিকে রওনা হলাম।গিয়ে কাকাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখলাম!আমি হতাস হলাম!ধীরে ধীরে রাত বাড়তে লাগলো এবং আমার কাকার অসুখ বাড়তে লাগলো।যাইহোক রাত চলে গেল সকাল যখন ৭:৩০ মিঃ তখনই যেন আমাদের জীবনে যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ল!আমার কাকা শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়! অনেক কষ্টের মাঝে কাকার দেহ আমরা বাড়িতে নিয়ে আসি এসে দেখি সবার কান্না হাহাকার,চোখের পানি।তারপর মৃত ব্যক্তির আনুশাঙ্গিক কাজ শেষ করে যখন যানাযার নামায পড়ার জন্য মসজিদে নেওয়া হচ্ছিলো তখন যেন বাড়িতে কান্নার ঢল বয়ে যায়।তারপর জানাজার নামায পড়ার সময় দেখলাম মানুষ আর মানুষ তারা কান্না করছে যেটা এর আগে কোন মৃত ব্যক্তির সাথে হয়নি আমাদে এলাকায় বা পাশের এলাকায়। তারপর কাকা দাপন কাজ শেষ করার পর বাড়িতে আসলাম। তারপর তি বলব! ভাষা নাই।কাটতে লাগলো কষ্টের মাঝে জীবন। নিজজেকে খুব একা একা লাগে কষ্ট সহ্য করতে পারতেছিননা। ক্রমে ক্রমে দিন পার হতে লাগলো। যেতে যেতে পার হয়ে গেল ৯টি বছর এখনও যেন কাকা আমার সাথে আছে। শুধু আমার না এলাকার সবারই এটটা মনে হয়।।।।আমার খুব কষ্ট হয়,যখন আমার কাকার কথা মনেহয়। মনে হলে সহ্য করতে পারিনা।মনে পড়ে তার ফেলে যাওয়া সৃতি গুলো।যাক আমি বেশি কিছু লিখতে পারবোনা হয়তো আমি মরেই যবো।।।।।।০১৭১০৬৪০৮৩৯


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দুঃখময় জীবন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now