বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি এখন আমার নিজের চোখে দেখা একটা মেয়ের কাহিনী বলব। মেয়েটার নাম হালিমা। বাবা মার অনেক আদরের মেয়ে ছিল। ভালো ঘর দেখে মেয়েকে বিয়ে দিল । হালিমারা ছিল তিন বোন তিন ভাই । হালিমার স্বামী হালিমাকে টাকার জন্যে বিয়ে করে।তার স্বামী ছিল আনেক খারাপ । বিয়ের এক মাস যেতে না যেতেই সে হালিমার উপর অনেক অত্যাচার শুরু করে । ,হালিমা সব মুখ বুজে সহ্য করে। কারন বাবা মা জানতে পারলে অনেক কষ্ট পাবে। এভাবে এক বছর দেখতে দেখতে চলে যায়। সবাই বলে হালিমার স্বামী নাকি দুচরিএ । বিভিন্ন সময় হালিমাকে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করে অনেক মারে । যখন হালিমার বাবার কাছে এসব কথা যায় তখন ভাবেন মেয়েটার জীবন টা নষ্ট হয়ে গেল। তখন হালিমার বাবা তার স্বামী কে 50 হাজার টাকা দেয় ।কিছু দিন পর হালিমার পেটে বাচ্চা আসে। এতে তার স্বামী খুশি হয় না ।অন্য মেয়েকে বিয়ে করার জন্য তিন মাসের অন্তসত্তা হালিমাকে তালাক দিয়ে দেয় । হালিমা বাবার বাড়ি এসে পড়ে। ছয় মাস পর তার একটা ফুটফুটে মেয়ে সন্তান হয় । হালিমা তার মেয়েকে আকঢ়ে ধরে তার জীবন
সাজাতে চেয়েছিল। কিন্তু তার ভাই ও ভাইয়ের বউ হালিমাকে দেখতে পারত না । নানাভাবে হালিমাকে তার ভাইয়েরা মারধর করত। তার বাবা তাকে আবার বিয়ে দিতে চায় বলে নাতনীকে আমরা দেখব তুই সংসার কর এখানে থাকলে তুই শান্তি পাবি না ।হালিমার ভাইয়েরা এতই খারাপ ছিল যে বাবার কথাও শুনত না । এদিকে বিবাহিতা ও সন্তান আছে বলে কেউ হালিমাকে বিয়ে করে না । দেখতে দেভতে দশ টী বছর পার হয়ে গেছে হালিমার মেয়ে এখন ক্লাস ফোরে পড়ে ।হালিমার মেয়ে হালিমার কষ্ট সহ্য করতে পারেনা বলে মা তুমি আবার বিয়ে কর ।মামারা আমাকে দেখবে । হালিমার বড় ভাই হালিমার জন্য এক পাএ আনল যার আগেও বিয়ে হয়েছীল ।বউ চলে গেছে হালিমার ভাই হালিমার যে সন্তান আছে তা না জানিয়েই হালিমাকে বিয়ে দিয়ে দিল ।কিছু দিন ভালোই কাটল কিন্তু যখন জানল হালিমার এক সন্তান আছে তখন তারা হালিমাকে আবার বাপের বাড়ি দিয়ে গেল। এতে তার ভাইয়েরা হালিমাকে অনেঅ কথা শুনাল ।বাবার জন্য হালিমা আবার থাকার জন্য একটু জায়গা পেল । কিছু দিন পর হালিমার বাবা মারা গেল । শুরু হল হালিমার জীবনে আরো কষ্ট ।এখন মেয়েটার মুখ চেয়ে হালিমা বেচে আছে । পরের বাড়ি কাজ করে । গরু ছাগল রাখে মেয়েকে লেখা পড়া করাচ্ছে। এখন হালিমা তার মেয়ের সুখের কথা ভাবে। তার মতো যেন তার মেয়ের কপালে দুঃখ না আসে সেই কথা ভাবে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now