বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
১বছর পর আবার GJ তে লগইন করলাম।
তাই ভাবলাম একটু পেঁচাল হয়ে যাক। আমি এইবার (২০১৮)সালে ssc দিলাম তাই সবাই দুয়া করবেন।
আজকের টপিক হাইস্কুল জীবনের মজার ঘটনা যা হয়ত অনেকদিন সৃতির পাতায় লেপ্টে থাকবে।
যখন প্রথম ৫ম শ্রেণি পাশ করে হাইস্কুলে উঠি তখন ভাবতাম কতইনা বড় হয়ে গেলাম।প্রতিদিন একঘেয়ে সাদা কালো স্কুলড্রেস আর গলায় বাধা টাই(যা অভ্যাসে পরিণত হয়ে এখনো কলারের বুতাম খুলা রাখতে পারিনা) আর সকাল ৮.৩০ এ স্কুল মাঠে উপস্থিত থাকা। বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ক্লাস করতে মন সায় না দিলেও প্রথয় ৬ মাস টানাই করছি।অরে স্কুল সম্পর্কে ধারনা আর আমার শয়তানি বুদ্ধি মিলে মিশে স্কুল পালানোর নিত্যতা কৌশল গুলি দেখে আমার দলে ভিড়ল আরো আমারি মতো ভদ্রতার আড়ালে মুখোশ ধারি বন্ধুরা।আমরা ৩ জন ছিলাম বেস্ট ফ্রেন্ড (আমাদের কারোর নামি সুন্দর না তাই উল্লেখ করলাম না)। প্রথম দিকে স্কুল পালালে টের পেত না পরে কিছু হেইটার সহপাঠী আর দপ্তরী মিলে দিয়ে দিলো বাশ।আহ কান ধরে মাঠের মাঝে..... ভাবলে এখনো চোখে পানি আসে।তবে আমরা দামিনী উলটা আইডিয়া গুলা আরো পাকাপোক্ত আর হেইটার সহপাঠী দের উত্তমমধ্যম এক সময় হাইস্কুল ক্রাশ করে দেয়। (আমাদের স্কুল পালানো কৌশল ব্যাখ্যা করলাম না কারণ gj তে অনেক ছাত্রছাত্রী আছে যারা বীপথগামি হতে পারে)।
স্কুল টাইমে আমাদের তিন বদমাশ এর প্রধান খেলা ছিলো প্রাংক। এখনকার প্রাং ভিডিও গুলা আমাদের হাইস্কুল জীবনের প্রাংক দেখলে কপিরাইট আইনে মামলা খেতে পারে। একটু প্রাংক গুলার ধারণা দেই। এসএমলি লাইনে পিটি করতে গিয়ে মাঝেমধ্যে আমাদের মধ্যে কেউ না কেউ অজ্ঞান হতই আর পানিঢালার নাম করে এসএমলি বরবাদ। টিফিন টাইমে সবাই যখন খেলাধুলা করতে ব্যস্ত তখন আমরা কাকে মুরগি করবো তা নিয়ে ব্যস্ত। মাঠের এক কুনে কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছে আমরা অইখানে গিয়ে মাথা হাত দিয়ে বসে পড়তাম, কেউ কেউ আমাদের দেখে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়তো যেন এই কিছু ভেঙে মাথায় পড়তে চলছে।আবার কেউ চিল্লান দিয়েই দৌর। তখন বাজারে ২ টাকা করে রসুন পটকা পাওয়া যেতো। এত্তগুলা করে কিনে স্কুলে আনতাম আর বিশেষ করে মেয়েদের কাছেই ফাটাতাম।অপ্রস্তুত অবস্থায় বেচারিদের কিযে নাজেহাল হতো অবস্তা।একবার ত এক মেয়ে অজ্ঞান। এই ভাবেই কেটে গেলো অনেক দিন এসে গেলো JSC পরিক্ষা। পরিক্ষা দিলাম সবাই ভালো রেজাল্ট আমি মাঝামাঝি কিছু একটা পেলাম।রেজাল্ট দেখে বাসায় বেধম মাইর(এই গল্প আরেকদিন সুনাব)। ক্লাস 9 করব লাইন এমন চিন্তা চিলো সবারি,অ বলে রাখি আমার দলে মেম্বার এখন ৩ জন ছাড়িয়ে ১৪ জন হইছে।মুটামুটি স্কুলের বেশকটা এলাকা আমাদের দখলে তবে বিরুদ্ধপক্ষ ছিলো অনেক। আমাদের প্রুপের (সাইন্স) ৪ জন তলে তলে আমাদের ক্লাসেরি ৪ জন মেয়ের সাথে তলে তলে ছুপাপ্রেম চালাতো। আমরা একে ওকে প্রেমে হেল্প করলেও বিশেষ করে আমি এটিটিউড দেখাতাম।মনে মনে ভাবতাম আমি আলাদা তাই আমাকে উলটা মেয়েদের প্রপোজ করতে হবে নাইলে নাই।ভয়ে বা দেখতে খারাপ নাইলে অন্য করানে আমার ক্লাস 9 এ প্রপোজ পাওয়া হয়নাই আর প্রম অ না। এক ফ্রেন্ড ত মেয়ে নিয়ে অই বয়সেই পালাইয়া রিতিমত এলাকা তোলপাড় করে দিলো।মেয়ের বাপের প্রভাবে আমিও এলাকা ছাড়লাম পুলিশ মামা আমারে দিছিলো ১ম আসামি অথচ আমি আগা মাথা কিছুই জানতাম না। পরে অবস্য মেনে নিছিলো (এই কাহিনী আরেকদিন)। ক্লাস 10 এ উঠলান জীবনটা কেমন যানি একঘেয়ে হয়ে গেলো।সব পিছুঘুরা আমার আসেকান জাকেরান ভক্তারাও এখন প্রেম টেম করে কেউ বা ছেকা খেয়ে মাদক সেবি হয়ে গেলো।কেউ ধরলো টাকা আর্নের রাস্থা(দারিদ্র্যের উপহাস)। আমি একলা চলতাম একলা ছিলাম একলা আছি।মাঝে একটা অসম্পূর্ণ প্রেম কাহিনী আছে।এখন ssc শেষ হয় হয়।এক্সাম ভালোই দিছি রেজাল্টের অপেক্ষায়.............................(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now