বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ৫
নীল-হতে পারে।আচ্চা ওইসব বাদ দেন ডাইরিটা পড়ি আগে।
ডাইরির প্রতিটা পাতা পড়তে পড়তে বুঝতে পারলাম ভ্যাম্পায়ার ইতিহাস।এতো ইতিহাস বাবারে।(ভ্যাম্পায়ার ডাইরিতে সেই ইতিহাস বলবো)। শেষে পেলাম আমার কাজের কথা।তলওয়ারের ব্যবহার।ভ্যাম্পায়াররা নিজেদের শক্তি বাড়াতে এটা ব্যবহার করে থাকে।মোট দুটো অস্ত্র একটা খারাপ একটা ভালো।খারাপ অস্ত্রটা জুলিয়াসের(ভ্যাস্পায়ার ডাইরি গল্পের শত্রু) শক্তি দেয়।আর ভালোটা দেহকে আলাদা করে। মানে হলো কেউ ভালো অস্ত্রটা ব্যবহার করলে সে তার খারাপ দিকটা হারাবে।খারাপ দিকটা তখন জীবিত হবে। যদি খারাপ দিকটা তার সাথে না থাকে তবে যে অস্ত্রটা ব্যবহার করেছে সে পুরো বিশুদ্ধ হবে।ফলাফল অনেক শক্তি।কারণ তার ভালো অংশ তার খারাপ অংশের কারণে আগে লুকনো ছিলো।খারাপটা কখনই তার নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।আলাদা হয়ে যাবে দেহ থেকে।নতুন আরেকটা ভ্যাম্পায়ার তথা ড্রাকুলা হবে।যার রক্তের পিপাসা সাধারণ ভ্যাম্পায়ার থেকে অনেক বেশি।সে যত রক্ত খাবে তত শক্তিশালি হবে।তার মৃত্যু থাকবে না।তাকে যে মারবে সব ব্যাথা যে অস্ত্রটা ব্যবহার করে বিশুদ্ধ করেছে নিজেকে সে পাবে।কারণ খারাপটা তার অংশ।এর প্রথম উপায় হলো খারাপটা বন্ধি করে রাখা।আর দ্বিতীয় উপায় হলো যদি খারাপটা ফিরে আসে নিজ ইচ্ছায়।নিজ ইচ্ছায় যদি সে সব নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র ব্যবহার কারিকে দিয়ে দেয় তবেই দুইজন এক হবে।পূর্বের চেয়ে আরো শক্তিশালী হবে।কারণ আগে ছিলো শুধু ভালো শক্তি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা এক হবার পর পাবে দুইটা শক্তি।যেগুলো আগে সুপ্ত অবস্থায় ছিলো।তবে এটা করা খুব কঠিন।নিজ ইচ্ছায় যতক্ষণ পর্যন্ত না খারাপ ড্রাকুলা নিজেকে নিজেকে অস্ত্র দিয়ে মারছে।
অরিক-আমার মতে প্রথম পদ্ধতিটা ঠিক আছে ড্রাকাকে বন্ধি করতে হবে যেকোনো ভাবে।যেহেতু ড্রাকা অস্ত্রটা দেখলে ভয় পায়।
নীল-বন্ধি কোথায় করবি ওর শক্তি সম্পর্কে জানিস আশা করি।জেলে বন্ধ করলে বাদুর হয়ে বের হবে।তাছাড়া ভাঙ্গতেও পারবে।
রাব্বি-তাহলে কি কররতে হবে?
নীল-চেষ্টা করবো ড্রাকা জেনো নিজ থেকে ফিরে আসে।
অরিক-দেখলি আমি সন্দেহ করলাম তাই হলো ড্রাকা তোর অংশ।
নীল-হুম আমার বুঝা উচিত ছিলো।তাছাড়া আমারও কেমন জানি অসম্পূর্ণ মনে হতো। কেমন কেমন জানি লাগতো এখন বুঝতে পারছি কেনো লাগতো।
অনিশা-এখন কি করবে?
নীল-আর কি পৃথিবীতে ফিরে ড্রাকাকে আটকানোর চেষ্টা করবো।
অরিক-তো দেরি কিসের চল
চলে আসলাম পৃথিবীতে। দিন হয়ে গেছে। ভোর চারটে বাজে। পৃথিবীতে আসতেই থম থমে পরিবেশ অনুভব করলাম। বাতাস ভারি হয়ে গেলো।শহরে আসলেই বুঝলাম।কেনো ভারি বাতাস।লাশের বন্যা।কাল রাতে সাতাশ জনকে রক্ত শূন্য করেছে ড্রাকা।দিন দিন তো দেখছি ড্রাকার চাহিদা বাড়ছে।কান্না শব্দ আসছে চারদিক থেকে।প্রিয়জনদের হারিয়ে সবাই সবাই ভেঙ্গে পড়েছে।সামলাতে না পেরে বাড়িতে চলে আসলাম।মোটেও এসব দেখতে ভালো লাগছে না।ঘৃণা হচ্ছে নিজের উপরেই।কারণ ড্রাকা তো আমার অংশ। ভাবতেই অবাক লাগছে আর খারাপ দিক এতো ভয়ানক। কিভাবে হতে পারে। আমি এতো বড় রাক্ষস নিজের ভিতর এতো বছর রেখেছি।খুব কষ্ট হচ্ছে আমার।মনে হচ্ছে এখন আমার আমি ওদের মেরেছি।এবার বুঝতে পারছি আগে রাগ হলে কেনো এতো শক্তি অনুভব করতাম।
অন্যদিকে-এন-কোথায়ও তো পেলাম না ভ্যাম্পায়ার ডাইরিটা।পুরা রাজ্যে খুজেছি পাই নি।তাহলে আমার রাজ্যের কেউ নেই নি।পাশের রাজ্যের কেউ নেয় নি তো?আমাদের রাজ্যের পাশে আর চারটা রাজ্য আছে।আমাদের রাজ্যই সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী। পাশের রাজ্যরা অনেকবারেই চেষ্টা করেছে ভ্যাম্পায়ার ডাইরি নিতে পারে নি। এবার সফল হয় নি তো?এভাবে বসে থাকলে চলবে না।ভাইকে পাঠাতে হবে পাশের রাজ্যগুলোতে।
এন-হার্ডাওয়ার্ড ভাইকে বলো তো আমার সাথে দেখা করতে।
হার্ডওয়ার্ড-প্রিন্স আপনার ভাই তো আমাদের রাজ্যে নেই।
এন-তাহলে কোথায়?সকালে তো ছিলো?
হার্ডওয়ার্ড-আপনার ভাই আগেই অন্য রাজ্যে খুজতে চলে গেছে।এন এর ভাই জেমন্স পাশের চারটা রাজ্যের রাজমহলে গিয়ে সবার সামনে রাজাদের মেরেছে ও হুমকি দিয়ে এসেছে।
এন ও হার্ডওয়ার্ডের কথোপকথনের মাঝে উপস্থিত হলো বাকি চার রাজ্যের রাজারা।দেখে বুঝা যাচ্ছে অবস্থা খারাপ করেভে জেমন্স।
ইওন-এসব কি এন?তোমার কি মনে হয় আমরা চুরি করছি।আজব তো।আমারা চার জন কেনো করবো।শেষ বার চেষ্টার পর তো তুমি নিয়ম করলেই কোনো দরকার হলে তোমাকে জানাতে ডাইরিটা ব্যবহারের সুযোগ দিবে।তাহলে আমরা চুরি করবো কেনো।
চার রাজা ইওন,ক্রিস,এলোন,হলউইনের একই কথা।তাদের রাজ্যের কেউ চুরি করে নি।শেষ বার যুদ্ধের পর কেই বা সাহস করবে।এনও চিন্তায় পড়ে গেলো কে নিতে পারে তাহলে?আর নিলেই বা কি লাভ ভ্যাম্পায়ার ডাইরির ভাষা তো বুঝবে না?ভ্যাম্পায়ার রাজ্যের তো কেউ এতো বছর ধরে কুঝতে পারি নি?যে চুরি করেছে তারও তো কাজে লাগবে না।মোট চল্লিশটা ভাষা লিখা বইটা।কেই বা এতো ভাষা পারবে?
-------------------রাতে---------------------
সবাই বের হলাম একসাথে।
অরিক-নীল তুই কি পারবি ড্রাকাকে রাজি করাতে?ও তো কখনো ফিরতে চাইবে না।
নীল-দেখি চেষ্টা করে।
একটু এগুতেই দেখলাম ড্রাকাকে গাছে বসে আছে।
নীল-কিরে গাছে কেনো আজ।
ড্রাকা-জানি সব জেনে গেছিস। আমি ফিরবো না বলে দিলাম।চেষ্টা করবি না মোটেও।
নীল:দেখ ভাই আমার এক,একই।আমাদের এক হতে হবে।এভাবে চলবে নারে।
ড্রাকা-সেটা আমার ব্যাপার দূরে যা।
নীল-আর কি থামাথাসি অস্ত্রটা দিয়ে আঘাত করলাম।মাটাতে লুটিয়ে পড়লো।
ওরে বন্ধি করমু তোরা থাকবি গার্ডে।
হাত পা বেঁধে ড্রাকাকে নিয়ে গেলাম।জানি আবার পালাবে।
চলবে.......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now