বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
দোয়া
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান zami (০ পয়েন্ট)
X
দোয়ার পাওয়ার জানেন?
জেনে নিন দু'আ কত শক্তিশালী আর ধারাল অস্ত্র।
১। বাগদাদের জালিম বাদশাহ আল-মু'তাসিমের কাছে লোকজন একজন প্রতিনিধি পাঠাল, সে গিয়ে বলেছিলো, আপনার সৈন্যদের দমন করুন, নয়ত আমরা আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো।
মু'তাসিম সম্ভবত হেসেছিলো এবং বলেছিলো "তুমি আমার বিরুদ্ধে লড়তে চাও, অথচ আমার কাছে আশি হাজার সশস্ত্র সৈন্য আছে।
সে বলছিলো "হ্যাঁ আমরা আপনার বিরুদ্ধে 'রাত্রি বেলার তীর' (তাহাজ্জুদের সলাতে আল্লহর কাছে দুয়া করে) দিয়ে লড়বো। আমাদের কাছে আর কোনো পথ নেই, এটাই আমাদের একমাত্র হাতিয়ার এবং আমরা সেটা ব্যবহার করবো।
যদিও আল-মুতাসিম একজন অত্যাচারী শাসক ছিলো তবুও সে বলেছিলো- "আমি এই ভয়ংকর তীরের মুখোমুখি হতে পারবনা"।
এরপর সে বাগদাদ থেকে চলে গেলো।
২। হাজ্জাজ কর্তৃক সাঈদ ইবনুল-মুসাইয়্যি
বকে হত্যার খবর যখন হাসান আল-বসরির (রহঃ) কানে পৌঁছলো, তিনি তখন হাত তুললেন এবং বদ-দু'য়া করলেন। এই দু'আর ফল ছিলো এই যে, হাজ্জাজ এর পরের দিনটি দেখার জন্য বেঁচে ছিলোনা।
৩। আব্বাসী শাসনামলে আফ্রিকায় আব্দুল্লাহ ইবনে আঘলাব নামে স্বৈরাচারী, অহংকারী আর খুব মন্দ স্বভাবের একজন শাসক ছিল। তখনকার বড় আলিম হাফস ইবনে হুমাইদ শাসকের নিকট গেলো এবং বলল -অতিরিক্ত কর নেওয়া বন্ধ করো এবং কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী দেশ চালাও।
এতে ওই শাসক আরো অহংকারী হয়ে উঠলো এবং কর আগের চেয়েও বাড়িয়ে দিলো।
এরপর হাফস ইবনে হুমাইদ লোকজনের কাছে ফিরে গিয়ে তাদের নিয়ে ইশার পর থেকে ফজর পর্যন্ত দু'আ করলো, "ও আল্লহ! তুমি তার অত্যাচার বন্ধ করে দাও, তুমি তাকে ধ্বংস করে দাও"।
হঠাৎ ওই শাসকের কানের নিচে টিউমার বা দাগের মত হলো এবং পরের পাঁচ দিনের মধ্যেই সে মারা গেলো। এই পাঁচ দিনে তার রঙ পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিলো, ধীরে ধীরে শরীর পঁচা গলা সাদা রঙ ধারন করলো। সে বেশ সুদর্শন ও শক্তিশালী ছিলো, কিন্তু আল্লহ তার মৃত্যুর আগেই তার থেকে সেসব কেড়ে নিলেন।
৪। সহিহ আল-জামিতে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে রাসুল (সঃ) বলেছেন " মজলুমের দু'আকে ভয় করো, যদিও সে কাফির হয়। কারন তার দু'আ এবং আল্লহর মাঝে কোনো পর্দা থেকেনা।
আর এটা হলো একজন কাফিরের ক্ষেত্রে, তাহলে কল্পনা করুন তো এমন একজন তাওহীদে বিশ্বাসীর কথা যার কপাল আল্লহর উদ্দেশ্যে নত হয়, তার দু'আর ফল কেমন হতে পারে!
#শায়খ আহমাদ মূসা জিবরীলের "ধুলিমলিন উপহার রামাদান" থেকে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now