বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্য ওআরজিঃজিপার-০৪

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X দ্য ওআরজিঃজিপার সাই ফাই কন্সপিরেসি থ্রিলার আরিয়ান শুভ পর্ব ৪ ছয় বছর আগে “আই এম প্রেগনেন্ট!” ধীরে ধীরে শব্দ তিনটে উচ্চারণ করল লেক্সা। ডাগর চোখ মেলে চেয়ে আছে স্বামীর দিকে। শাওয়ারের পানির নিচে দাঁড়িয়ে আছে সায়লর। ভ্রু কুঁচকে চাইল স্ত্রীর দিকে। অপেক্ষা করছে লেক্সা। জানতে চায় কি বলবে এখন সায়লর। কয়েক সেকেন্ড একইভাবে তাকিয়ে থেকে মুখ খুলল সায়লর। “সরি... বুঝতে পারিনি তোমার কথা।” “আমি...” ইতস্তত করল লেক্সা। আসলে লজ্জা পাচ্ছে সে। “আমি প্রেগনেন্সী টেষ্ট করিয়েছি। আই এম... প্রেগনেন্ট।” “কে বলেছে?” ভেঙচি কাটলো সায়লর। এক হাতে টেনে মেয়েটাকে নিয়ে এল শাওয়ারের নিচে। “কে বলেছে তুমি প্রেগনেন্ট?” “হোয়াট দ্য...” শাওয়ারের জলে ভিজে গেল লেক্সা। কপট রাগ দেখালো, তবে পরমুহূর্তেই সিরিয়াস মনে হল তাকে, “ফাজলামী করবে না একদম। সত্যি আমি প্রেগনেন্ট।” “ফাজলামী?” চেহারায় বিস্ময় ফুটে উঠলো সায়লরের। “আমি ফাজলামী করছি? আজব!” “সায়লর!” “লেক্সা... আই এম সো সিরিয়াস! ইউ আর নট প্রেগনেন্ট... আই এম! আমি মাম্মি হতে চলেছি! ইপ্পি...” সায়লরের কাঁধে হালকা ঘুষি মারলো লেক্সা। “তুমি এখনো বাচ্চাই রয়ে গেলে।” “বাচ্চা? কে? আমি?” লেক্সার গালের দুপাশে চেপে ধরলো সায়লর। “যাক... বাঁচা গেলো। এর মানে তুমি সায়লর জুনিয়রকে ঠিকভাবেই সামলাতে পারবে।” “কি বলছো এসব?” চোখ বড় বড় করল লেক্সা। “তুমি জানো আমি বাচ্চা পছন্দ করি না। ভয় পাই আমি বাচ্চা দেখলে।” “কে বলেছে?” তাকে জড়িয়ে ধরল সায়লর। “অবশ্যই তুমি বাচ্চা পছন্দ করো... তা না হলে নিশ্চয়ই আমাকে বিয়ে করতে না, তাই না?” জোড় করে নিজেকে ছাড়িয়ে নিলো লেক্সা। “তুমি খুশী হয়েছো?” সুন্দর করে হাসল সায়লর। “অবশ্যই। ইনফ্যাক্ট, জীবনে তৃতীয়বারের মতো এই ফিলিংটা আসছে আমার মাঝে।” “তৃতীয়বারের মতো?” “হুম তো! ... দেখো, ব্যাখ্যা করছি। লাইফে প্রথমবার এতটা খুশী হয়েছিলাম তখন, যখন আমার জন্ম হয়েছিল। এতই খুশী হয়েছিলাম যে পৃথিবীতে এন্টার করার সময় যে কান্নাকাটির ট্রেডিশন আছে তা ভুলে বসেছিলাম। শালার ডাক্তার আমার পাছায় ছয়বার কষে চড় মারার পর কাঁদতে আরম্ভ করেছিলাম।” “হোয়াট?” হেসে উঠলো লেক্সা। মধুর সে হাসি। “সিরিয়াসলি! আমার মা বলেছে এই কথা আমাকে। আই মীন... সরি... আই লাইড। বাট কাহিনী অনেকটা এরকমই... শর্ট অফ! শালার ডাক্তার চারবার কষে পাছায় চড় মেরেছিলো আমার। ছয়বারেরটা একটু বেশীই হয়ে গেছে।” “তুমি সব সময়ই বাড়িয়ে বলো।” উল্টো ঘুরলো লেক্সা। পেছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরলো সায়লর। “সরি! তুমি জানোই আমি এরকম! আমার খুশী প্রকাশের মাধ্যম এটাই।” কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইল লেক্সা। চুপচাপ শাওয়ারের পানিতে ভিজছে। “দ্বিতীয়বার কখন এত খুশী হয়েছিলাম, তা জিজ্ঞেস করবে না?” স্ত্রীকে চুপ থাকতে দেখে প্রশ্ন করল সায়লর। “কখন? যখন বিয়ে করেছিলে?” “আরে নাহ!” শক্ত করে জড়িয়ে ধরল নিজের স্ত্রীকে সায়লর। “যখন তুমি আমার প্রপোজ এক্সেপ্ট করেছিলে। চারদিন ঘুমাতে পারিনি আমি এই আনন্দে।” “থাক...” কপট ঝাঁঝ ঝড়ল লেক্সার কন্ঠে। “আর গুল মারতে হবে না।” “সত্যি বলছি!” নিজেকে ছাড়িয়ে নিলো লেক্সা। চুমু খেল স্বামীকে। তারপর হাটা ধরলো। পেছন থেকে ডাকল সায়লর। “এই, কই যাও?” “অফিস আছে আমার। এদিকে আপনার খাবার রেডি করতে হবে।” “ছ্যাহ ছ্যাহ... বাইরে খেয়ে নেবো না হয়! এখন অন্তত আমরা...” “ইউ ডিকহেড!” বলেই বাথরুমের দরজাটা খটাস শব্দে আটকে দিলো লেক্সা। নিজের কাঁধ ঝাঁকাল সায়লর। চোখ বন্ধ করে শাওয়ারের জলের পতন উপভোগ করতে লাগল। গোসল সেরে বের হয়ে দেখল কাপড় বদলে ফেলেছে লেক্সা। বারান্দার টেবিলের উপর এখন প্লেট সাজাচ্ছে। বারান্দায় গিয়ে হাজির হল সায়লর। তাকে দেখেই মৃদু খেঁকিয়ে উঠল লেক্সা। “যাও... কাপড় পরে আসো। এভাবে দিগম্বর হয়ে বারান্দায় খেতে বসবে না কি?” কথার জবাব না দিয়ে উল্টো ঘুরল সায়লর। বেডরুমে গিয়ে কাপড় বাছাই করে গায়ে চড়াল। তারপর আবার চলে এলো বারান্দায়। খেতে খেতে জিগেস করল লেক্সা। “সত্যি খুশী হয়েছো তুমি?” “উহু... প্রচন্ড পরিমাণে নাখোশ আমি। জুনিয়র ব্যাটার উপর রীতিমত হিংসে হচ্ছে। ব্যাটা তোমার ভালোবাসায় ভাগ বসাবে।” “দেখো, ভালো হচ্ছে না কিন্তু...” খেঁকিয়ে উঠতে গেল লেক্সা। দ্রুত এক হাত উপরে তুলল সায়লর। “ওকে ওকে... ইনফ্যাক্ট... সত্যি খুশী হয়েছি। খুবই খুশী।” আবারও হাসলো লেক্সা। সকালের এই মিষ্টি রোদে হাসিটাকে অপার্থিব মনে হল সায়লরের কাছে। এরকম হাসির জন্য পৃথিবীর সকল কষ্টকেই স্বীকার করে নিতে প্রস্তুত সে। হঠাত করেই কেঁপে উঠল লেক্সা। কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে রইল, তারপর যেন বিস্ময়ে দৃষ্টি দুটো বিস্ফারিত হলো। হা হয়ে গেছে সায়লরও। চোখ দুটো তার সেঁটে আছে লেক্সার কানের দিকে। সবুজ রঙের রক্ত গড়াচ্ছে সেখান দিয়ে। এক সেকেন্ড পরই ছিটকে বের হতে শুরু করলো রক্ত। ******* “সারপ্রাইজড, না? না কি শকড?” দ্বিধা ভর করেছে যেন ধ্রুর চেহারায়। কয়েক সেকেন্ড পর আবার শুরু করল সায়লর। “ফ্লোরা খুন হবার পর তুমি যে স্টেজে ছিলে, একই স্টেজে আমিও ছিলাম। পনেরো দিনের ভেতর তোমার কুষ্ঠী বের করে ফেলেছিলাম, কিন্তু... কিন্তু কিছুই করিনি। কেন জানো? এটা তোমার পার্সোনাল কোন বিষয় ছিলো না, ইট ওয়াজ জাষ্ট আ জব! সবচেয়ে বড় কথা, তোমার বিয়ের দিন ছিলো সেদিন, যেদিন তোমার সব তথ্য আমার হাতে আসে। ... একেবারে গোড়া থেকেই অর্গানাইজেশনের সাথে যুক্ত আমি। বারো বছর বয়েস থেকে কাজ করছি অর্গানাইজেশনের হয়ে, বিশ্বাস হয়? অর্গানাইজেশনের বেষ্ট অপারেটর ছিলাম। কিন্তু ঐ ঘটনার পর থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি। প্রয়োজন ছাড়া কোন খুন আমার হাত দিয়ে হয়নি। ... উমমম... সরি, আই লাইড! ফ্লোরার খুন করার মিশনটা আমি আনন্দের সাথেই নিয়েছিলাম।... ইউ সি... তুমি যেমন তোমার কাজ করেছো, আমিও আমার কাজটা করেছি। তোমাকে ম্যানুপুলেট করা দরকার ছিলো যে...” “ইউ সান অফ আ বিচ...” পিস্তলটা আবার সায়লরের দিকে তাক করল ধ্রু। “রিল্যাক্স রিল্যাক্স...” হাত তুলে বলল সে। “নাথিং পার্সোনাল, আবারও বলছি। হিরোয়িক কিছু করার নেই এখানে। ইনফ্যাক্ট, এখানে যদিও সবার মনে হওয়া উচিৎ তুমি হিরো, কিন্তু আসল কাহিনী হচ্ছে... আসল কাহিনী হচ্ছে তুমি হিরো বা ঐ জাতীয় কিছুই নও। দিনশেষে তোমার পরিচয় যা, আমার পরিচয়ও তাই। আমরা খুনী, খুন করাটা আমাদের পেশা। এবং এই পেশাতে পার্সোনাল বলে কিছু নেই। রিভেঞ্জ! ... রিভেঞ্জ তো অনেক পরের কথা।” এমন সময় হঠাত করেই কেঁপে উঠলো সায়লর। নিজের পকেটের দিকে ইঙ্গিত করে বললো, “ক্যান আই? মেসেজ এসেছে একটা।” মৃদু মাথা নাড়ল ধ্রু। নিজের প্যান্টের পকেটে সাবধানে হাত ঢুকিয়ে একটা সেলফোন বের করল সায়লর। দু সেকেন্ড স্ক্রিনের দিকে চেয়ে রইল, তারপর আবার ওটা পকেটে রেখে দিলো। আনন্দিত মনে হল তাকে। “গুডনিউজ ড্যুড... আই মিন, শর্ট অফ। তোমার জন্য ব্যাড নিউজ। ব্যাকআপ এসে গেছে। চার মিনিটের ভেতর এখানে এসে পৌঁছবে। আরও আগেই পৌছাতো, যদি না ইলেক্ট্রিক লক না লাগাতে তুমি মেইন গেটে। আড়াই মিনিট সময় লাগবে এগুলো নষ্ট করতে। তো... চার মিনিট আছে তোমার হাতে। ভাবো কি করবে। আমাকে মেরে নিজের মারা যাবার পথ ক্লিয়ার করবে, না কি আমাদের সাথে হাত মিলিয়ে আমাদের... মানে যিপারদেরকে উন্নত হতে সাহায্য করবে।” “যিপারদেরকে উন্নত করার প্রশ্নই আসে না।” “কি বলছো এসব? তুমি নিজেও তো একজন যিপার।... থিংক এবাউট ইট। একটা সময় আদি মানুষদের রাজত্ব ছিলো এই পৃথিবীতে, সত্য। কিন্তু কি করেছে তারা? চার চারটা বিশ্বযুদ্ধ ঘটিয়েছে। প্রথম যখন আমরা যিপাররা জন্ম নিতে শুরু করলাম তখন উল্টো আমাদেরকেই মারতে চাইল ওরা। অথচ ওদের বানানো বোমার রেডিয়েশনের কারণেই তো আমরা বিবর্তিত হয়েছি, তাই না?... এডমিট ইট ধ্রু, আদি মানুষরা দুর্বল হিউম্যান ছাড়া কিচ্ছু নয়। হিউম্যান নামের বোঝা ওরা এখন। পৃথিবীকে যা দেবার ছিল ওদের, তা ওরা দিয়েছে, এবার আমাদের পালা। পৃথিবী থেকে সমস্ত আদি মানুষদেরকে সরিয়ে জায়গা করে নেব আমরা। পৃথিবী শক্ত মানুষ চায়, ওদের মতো দুর্বল কাউকে নয়।” “আমি সেটা হতে দেব না।... ফ্লোরা এবং আমার সন্তান দুজনেই আদি মানুষ ছিলো। পিওর হিউম্যান।” “ফ্লোরা ছিলো, মানি... কিন্তু তোমার সন্তান! একটু বেশী বেশী হয়ে গেলো না? এক হাজার শিশু জন্ম নিলে তাদের ভেতর মাত্র পাঁচজন আদি মানুষের জন্ম হয়। ... আর তাছাড়া ওদের সোর্সকোড থেকে আমরা আমাদেরকে আরও উন্নত করার একটা মডেল তৈরী করতে পারব। ভেবে দেখো ব্রো।” “আমি এটা হতে দেবো না। কখনোই না।” “তো করবেটা কি তুমি? তিন মিনিটের ভেতর এখানে চলে আসবে দুশোজন ট্রেইনড যোদ্ধা। তাদের সবাইকে খুন করবে? ... তার আগে নিশ্চয়ই আমাকে খুন করবে? কিন্তু লাভটা কি? এতে করে তো অর্গানাইজেশনকে বন্ধ করতে পারবে না, তাই না? অর্গানাইজেশন সারা পৃথিবীজুড়েই কাজ চালাচ্ছে। আমরা শুধুমাত্র এর অপারেটর মাত্র।” “তোমাকে কে বলেছে আমি অর্গানাইজেশনকে বন্ধ করতে যাচ্ছি? আমি শুধু রিভেঞ্জ নিতে চাই।” “বস্তাপচা ডায়লগ! হুহ! ... রিভেঞ্জ! ... ওকে... ওকে, নাও তোমার রিভেঞ্জ। আড়াই মিনিট সময় আছে তোমার হাতে, এর ভেতর যা খুশী তাই করতে পারো তুমি। জাষ্ট... তোমার সাথে বিছানায় যেতে বলো না। আই এম নট গে!” দু সেকেন্ড সায়লরের দিকে তাকিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইল ধ্রু। তারপর নড়ে উঠল। পিস্তলটা ফেলে দিল হাত থেকে। স্ট্র্যাপে আটকানো ম্যাগাজিন চেম্বার খুলে ছুঁড়ে ফেলল একদিকে। পরনের ব্লেজারটা খুলে ফেলল সায়লর। শার্টের হাতা গোটানো শুরু করেছে। “আর একটা অনুরোধ রইল তোমার প্রতি,” হাতা গোটাতে গোটাতেই বলে উঠল সায়লর। “গত ছয় বছর ধরে ডেস্কে কাজ করেছি আমি। শুধু ফ্লোরার কাজটা ছাড়া আর কোন কাজ করিনি। আশা করি তুমি যাই করো, আমার এই সুন্দর চেহারাটার বারোটা বাজাবে না।” “চেহারাটাকেই আমার প্রথম টার্গেট বানাবো আমি,” এগিয়ে এল ধ্রু। “আই প্রমিস।” “দ্যাটস... দ্যাটস টু ব্যাড! আই লাভ মাই ফেস।” হঠাত করেই ছেড়ে দেওয়া তীরের মতো ছুটলো সায়লর, একেবারেই আচমকা। এত দ্রুত তাকে নড়ে উঠতে দেখে চমকে গেল ধ্রু। ওর চমক কাটার আগেই আঘাত হানার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে সায়লর। বড় বড় দুই লাফে পৌঁছে গেল ধ্রুর কাছে। ধ্রু যখন এক হাতের ভেতর, সেই মুহূর্তে নিচু হয়ে গেলো সায়লর। দ্রুত নড়ে উঠল সে, বাঁ হাতের কনুই দিয়ে আঘাত হানল ধ্রুর হাঁটুতে, ডান হাত দিয়ে ঘুষি মারল ধ্রুর ঊরুসন্ধিতে। প্রায় সাথে সাথেই উঠে এলো আবার বাঁ হাত। ধ্রুর থুতনীর নিচে সজোড়ে আঘাত হানল সেটা। কড়াত করে শব্দ হলো একটা। প্রচন্ড শব্দে ককিয়ে উঠল ধ্রু। দু হাতে চেপে ধরেছে নিজের ঊরুসন্ধি। চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে এসেছে ওর। মাথা ভোঁ ভোঁ করছে। “ইয়েস!” আনন্দের চিৎকার ছাড়লো সায়লর। “আই এম সো স্মার্ট, ইজনট ইট? স্মার্টার দ্যান ইউ, ব্রো!” কয়েক পা পিছিয়ে গেল সায়লর। এখনো মেঝেতে পড়ে ককাচ্ছে ধ্রু। প্রচন্ড জোড়ে মার তিনটা পড়েছে ওর শরীরে। হাঁটুর জয়েন্ট, ঊরুসন্ধি এবং থুতনীর নিচের হাড়ে যেন আগুন ধরে গেছে। “কি হলো ড্যুড?” টিটকিরির স্বরে বলতে লাগল সায়লর। “রিভেঞ্জের ইচ্ছে মরে গেছে না কি? আরে... উঠো উঠো। দুই মিনিট আছে হাতে তোমার রিভেঞ্জের জন্য।” এক হাতে চোখ দুটো মুছল ধ্রু। দৃষ্টি পরিষ্কার করতে চাইছে। “ইউ নো... একটা গানের কথা মনে পড়ছে আমার এখন। জানি না কোথায় শুনেছিলাম গানটা, এও জানি না এরকম কোন গান আছে কি না কোথাও। ... ঐ... যেদিন ফ্লোরাকে খুন করি, ও মারা যাবার আগে ওর কানে কানে গানটা গেয়েছিলাম আমি। শুনবে গানটা?” চোখ দিয়ে এখনো পানি পড়ছে ধ্রুর। তবে দৃষ্টি এখন কিছুটা পরিষ্কার। “শোনো তাহলে। গানটা ছিলো এরকম... আই নেভার বিন রঙ... নেভার বিন গুড আন্ড নেভার বিন রাইট...”


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দ্য ওআরজিঃজিপার-০৪

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now