বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্য অ্যাডভেঞ্চার অফ ডক্টর গ্রিফিনোঃ কার্থেজের দানব (৪য় পর্ব )

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X দ্য অ্যাডভেঞ্চার অফ ডক্টর গ্রিফিনোঃ কার্থেজের দানব ফ্যান্টাসি ৪য় পর্ব জাকিউল অন্তু পায়ের নিচে মেঝেতে জ্বলজ্বল করছে প্রাচীনতায় ভরপুর কার্থেজ নগরীর মানচিত্র। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ওটাকে উড়ন্ত পাখির চোখে দেখা কার্থেজ নগরীর মত মনে হচ্ছে। আমি জানি এবার ওডিলির নির্দেশনা আসার পালা।সেটা এলো ভাবতে না ভাবতেই। টেলিপ্যাথিক সঙ্কেত আসতে শুরু করলো মাথার ভেতরে।একটা তীব্র কন্ঠের ঝনঝনানি দিয়ে শুরু হলো আলাপ। -ডক্টর গ্রিফিনো কি এখনো ক্লান্ত? আজকের অভিযান কিন্তু যেনতেন অভিযান নয়।মানসিক শক্তির সাথে শারীরিক শক্তির প্রয়োজন হবে এতে। -আমি ঠিক আছি। কিন্তু তুমি যেভাবে বলছো তাতে মনে হচ্ছে কার্থেজ নগরে কুস্তি লড়তে যাচ্ছি। আসল ঘটনা তো বুঝতে পারছিনা। যতটুকু বুঝেছি তাও অস্পষ্ট। -অধৈর্য হবেন না ডক্টর। আমি আছি। আপনার ক্ষমতা আছে।এসব থাকতে আপনার কোন ক্ষতি কেউ করতে পারবেনা।যা হবে তা অসহায় কিছু প্রানীর জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে। আপনি হবেন তার মাধ্যম। -কারা এই অসহায় প্রানী?পৃথিবীর কেউ নাকি চোখচক্ষুর আড়ালে থাকা কোন গুপ্ত প্রানীর দল?তুমি যেমনটা বলেছিলে। -আপনি ঠিক ধরেছেন। এরা শত শত বছর ধরে আপনার মত কারো অপেক্ষা করছে তাদের জাতিকে চরম দুর্দশা থেকে মুক্ত করার জন্য। বেশী দেরি হলে ওরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। -তাহলে বলে দাও এখন কিভাবে পৌঁছুবো ওদের কাছে। -আপনি মেঝের মানচিত্রে একটা পা রাখুন। তাহলেই চলবে। ওডিলির কথা অনুযায়ী দেরী না করে ডান পা টা সন্তর্পণে রাখলাম আলোকোজ্জ্বল কার্থেজ নগরীর মানচিত্রের ওপর। নিমেষেই সেই আলো গ্রাস করে নিলো আমায়। আর চোখের পলকে নিজেকে আবিষ্কার করলাম একটা অচেনা নগরীতে। তাড়াহুড়ো করে কার্থেজ নগরে ঢুকে পড়েছি ঠিকই কিন্তু আমি যে ঘরের সাধারণ পোশাকেই এসে পড়বো তা জানতাম না।এখন অস্বস্তি হচ্ছে। সাধারণ টিশার্ট আর ট্রাউজার পরিহিত আমি দাঁড়িয়ে আছি অন্ধকার স্যাঁতসেঁতে একটা জায়গায়। আশেপাশে জনমানব নেই। এখন সম্ভবত গভীর রাত। বাংলাদেশের সাথে এই নগরের সময়ের পার্থক্য একসময় জেনে নিতে পারলে ভালো হতো। অবশ্য এই সময়টা আগে থেকেই ধার্য করা হয়েছে আমার জন্য। তাই যেভাবে আছি সেভাবেই নিজেকে সামলে নিলাম। ওডিলি তখনো পথপ্রদর্শন করে যাচ্ছে। -ডক্টর! আপনি এখন প্রাচীন কার্থেজ নগরীর ধ্বংসাবশেষ এর মধ্যে আছেন। সাবধানে সামনের দিকে এগিয়ে যান। এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুব উন্নত। ধ্বংসাবশেষ থেকে মূল্যবান পুরাকীর্তি যাতে চুরি না হয়ে যায় তাই তিউনিসীয় সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। -এখন কোথায় যাচ্ছি আমরা?পরনের পোশাক দেখলে নিরাপত্তাকর্মীরা তো আমায় ধরে জেলে পুরে দেবে। তাছাড়া এদের ভাষা জানিনা, চেহারার মিল ও নেই। আমি যে গুপ্তচর নই সেটাই বা বোঝাবো কি করে? -ওসব নিয়ে ভাববেন না। আপনি আপাতত অদৃশ্য অবস্থায় আছেন। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগপর্যন্ত অদৃশ্য থাকবেন। শুধু লক্ষ করবেন কোন শব্দ যেন না হয়। ওডিলির পরামর্শ মতে এগিয়ে চললাম সামনে। একদম পা টিপে টিপে হেটে যাচ্ছি। অদৃশ্য আছি ভেবে একটু স্বস্তি পেয়েছি তবুও গন্তব্যে পৌছুনোর আগে যে কোন ঘটনাই ঘটতে পারে। আমার সাথে এরকম ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। যে বিষয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে সে বিষয়টাই ঘটিয়ে ফেলেছি। তাই বুকটা ধুকপুক করছে। একটা গলির মত জায়গা দিয়ে এগিয়ে চলেছি। দুপাশে পলেস্তারা খসে যাওয়া উঁচু দেয়াল। সুদূর অতীতে এখানে প্রাসাদ ছিল বলে মনে হচ্ছে। দেয়ালের ওপাশে উঁচু জায়গায় আলোর উৎস আছে। তাই অন্ধকারে পথ চলতে অসুবিধে হচ্ছেনা। নিচে এবড়োখেবড়ো পাথুরে পথ। আলো থাকায় হোচট থেকে বেঁচে যাচ্ছি। কিছুক্ষন হাটার পর স্বাভাবিক হলাম। একটু একটু মজাও পাচ্ছি। পাসপোর্ট ভিসা ছাড়া দেশভ্রমণ কিন্তু সবার কপালে জোটেনা! কিন্তু এই মজাটা বেশীক্ষণ স্থায়ী হলোনা। হাটতে হাটতে আমি খোলা একটা জায়গায় এসে পড়েছি। চারপাশের আলো দ্বিগুণ হয়ে গেছে। উপরে তাকিয়ে বুঝলাম লম্বা পোলের ওপরে তীব্র ফ্লাডলাইট জ্বলছে। আবছা আলো থেকে হঠাৎ তীব্র আলোয় এসে পড়ায় চোখটা ধাঁধিয়ে গেলো আর ঠিক সেই মূহুর্তে ধাক্কা লাগলো সামনে টহলরত গার্ডের সাথে। ভালোভাবে তাকিয়ে দেখি একজন নয় চার চারজন বন্দুকবাহী গার্ড টহল দিচ্ছে একটা ভবন ঘিরে। ভবনটার একপাশ ধসে পড়েছে। ভেতরে তাকিয়ে দেখলাম সিঁড়ির ধাপ চলে গিয়েছে নিচের দিকে। কিন্তু সেটা ভাববার বিষয় নয়। আমি ভাবছি যার সাথে ধাক্কা লেগেছে সে কিছু বুঝছে পেরেছে কিনা। কিন্তু যখন দেখলাম একটু এদিকওদিক দেখে নিয়ে সে আগের মতই টহল শুরু করলো তখন নিশ্চিন্ত হলাম। লোকটা হয়তো ভেবেছে রাতজেগে পাহারা দিতে গিয়ে পাথরের সাথে ধাক্কা খেয়েছে। তাছাড়া সত্যিই একটা পাথর ছিল ঐ জায়গায়। আবার ওডিলির গলা শুনতে পেলাম। -আরেকটু সাবধানে চলুন ডক্টর। আরেকটু হলেই তো বিপদে পড়ে যেতেন। -আমায় তো কেউ দেখতে পাচ্ছেনা। ভয়ের কিছু নেই। -ভয়ের অনেক ব্যাপার আছে ডক্টর। ভুলে যাবেননা এটা কার্থেজ নগরী। এখানে যারা রাতে পাহারা দেয় তারা প্রতিনিয়ত বিচিত্র ঘটনার সাক্ষী হয়। ইফ্রিত নামের এক অপদেবতার ভয় এঁদের মনে বদ্ধমূল হয়ে আছে। -ইফ্রিত?সেটা আবার কি? -কার্থেজ নগরীর ইতিহাসে প্রচলিত অদৃশ্য দানব। যে রাতেরবেলা জাগ্রত মানুষের ওপর হামলা করে। তারপর তাকে কার্থেজিয়ানদের বিখ্যাত স্নানাগার "বাথ অব এন্টোনিনাস" এর জলে চুবিয়ে মেরে ফেলে। যে ভবনটা ওরা পাহারা দিচ্ছে ওটাই "বাথ অব এন্টোনিনাস"! -যদি ইফ্রিতকে ভয় পায় তবে বেছে বেছে এই ভবন পাহারা দিচ্ছে কেন? যেখানে ইফ্রিত ইচ্ছা করলেই ওদের আক্রমণ করে ডুবিয়ে মারতে পারে? -সব গুপ্তধনের সন্ধানে!এই স্নানাগার খুব ঐতিহ্যবাহী স্নানাগার। এই নগরীর গোড়াপত্তনকারী রানী এলিসার আমলে ভূমধ্যসাগরীয় জল কে নানা উপায়ে পরিশোধিত করে এই স্নানাগারের সুগভীর চৌবাচ্চায় জমা করা হতো।তারপর কাঠকয়লার যন্ত্র ব্যবহার করে চৌবাচ্চার জল গরম করে স্নানের উপযোগী করে তোলা হতো। শুধুমাত্র রাজকীয় ব্যক্তিরাই এখানে স্নান করতে পারতেন। রানী এলিসা মাঝেমধ্যে তার সহচরীদের নিয়ে স্নানের জন্য নামতেন চৌবাচ্চার জলে। তার পরিহিত মহামূল্যবান অলঙ্কার অনেক সময় খুলে গিয়ে হারিয়ে যেতো সুগভীর জলে।সেগুলো আর উদ্ধার করার দরকার মনে করেননি তিনি। সেইসব অলঙ্কার এখনো পাওয়া যায় চৌবাচ্চার জলের তলায়। বহুদিন পড়ে থাকায় চৌবাচ্চার জল ঘোলা হয়ে গিয়েছে তাছাড়া এত বড় আর গভীর চৌবাচ্চা ঘেটে অলঙ্কার বের করা দূরুহ কাজ। তবুও সরকারের ইচ্ছায় এখন সেই কাজ শুরু হয়েছে। এখানে গার্ড হিসেবে যাদের নিয়োগ দেয়া হয় তারা খুব সাহসী হয়। বেতনটাও মুখরোচক। তবুও প্রায় ই শোনা যায় পাহারারত অবস্থা থেকে দু একজন করে উধাও হয়ে যাচ্ছে।সবই নাকি শয়তান ইফ্রিতের কাজ। নিজেদের সান্তনা দেবার জন্য মাঝেমধ্যে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ে অদৃশ্য ইফ্রিত কে লক্ষ্য করে। -আর ঠিক তাই আমার বিপদ সবচেয়ে বেশী। তাইনা?যদি ওরা অদৃশ্য কোন কিছুর উপস্থিতি টের পায় তবে আগের ঘটনাগুলোর মতো গুলি ছুড়তে পারে। কিন্তু ওডিলি এখন আমি কোনদিকে যাবো। সামনে দেখো তিনটে নতুন গলি। ওডিলি যা বললো তাতে আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। -দুঃখিত ডক্টর। আমি নিজেও জানিনা আপনাকে কোনদিকে যেতে হবে। আমি শুধু জানি আপনাকে কার্থেজ নগরীতে এসে একশ্রেনীর গুপ্ত প্রানীকে সাহায্য করতে হবে। সঠিক পথ আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে। আমি সেইমুহূর্তে খুব একা বোধ করতে লাগলাম। এত বিশাল ধ্বংসাবশেষ এর মধ্যে কোথায় খুঁজবো সেই সঠিক পথ যার মাধ্যমে আমার সাহায্যপ্রার্থী প্রানীদের কাছে পৌছুতে পারবো?এতক্ষণ নাহয় ওডিলি পথ দেখিয়েছে। ও যে মাঝপথে এরকম করবে তা তো জানতাম না। যা হবার হবে ভেবে সোজা সামনের দিকে এগোতে লাগলাম। চেষ্টা করলে কি না হয়। যেহেতু আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেহেতু সেটা পালন করে ছাড়বো। আসল রাস্তাটা খুঁজে বের করবো।কিন্তু ঝোঁকের মাথায় জোরে হাটতে গিয়ে একটা ভুল করে ফেললাম। পথের একটা শক্ত মাঝারি পাথরে পা টা ঠুকে গেলো। প্রচণ্ড ব্যথায় আমি জোরে চিৎকার করে আর্তনাদ করে উঠলাম। আর আশেপাশের গার্ডগুলো ততক্ষনাৎ সতর্ক হয়ে গেলো। তারা ভয়ে ভয়ে চারদিক পর্যবেক্ষন করতে লাগলো।তারপর সবাই যথাসম্ভব একে অপরের কাছাকাছি এসে বন্দুক বাগিয়ে দাঁড়ালো। ওদের যদি ধারনা হয় যে চিৎকারটা ইফ্রিত করেছে তাহলে ওরা নিজেদের সাহস দেবার জন্য শব্দের উৎস অনুসন্ধান করে গুলি ছুড়বে। আমি আহত। বাম পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের নখ পুরোপুরি উঠে গেছে। রক্ত ঝরছে। একবার চিৎকার দিয়ে নিজের বিপদ নিজে ডেকে নিয়ে এসেছি। আরেকবার একটু শব্দ করলেই গুলি খেতে হবে। অথচ চিনচিনে ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছি। পা টেনে টেনে তবুও এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলাম। ক্ষতটা ছোট হলেও ব্যথার পরিমাণ বেশী। পা টানতে গিয়ে আবার আপনা থেকেই মুখ থেকে একটা গোঙানির মতন আওয়াজ বেরিয়ে পড়লো। আতঙ্কে রক্ত হিম হয়ে গেলো। দেখলাম এই আওয়াজ টা গার্ডদের কানে গেছে এবং তারা কাঁপা কাঁপা হাতে বন্দুক উঁচিয়ে ধরেছে। আঙুল ট্রিগারের কাছে । অর্থাৎ যেকোনো মূহুর্তে গুলিবর্ষণ শুরু হয়ে যেতে পারে। আমি কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। ওডিলির সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। আবার সামনে এগোতে গেলে শব্দ হবে। কি করবো ভেবে পাচ্ছিনা। হঠাৎ আমার ডানহাতে একটা বেগুনী আভার সৃষ্টি হলো। আমার বন্ধু আমানকে এই আভা দিয়েই সুস্থ করে তুলেছিলাম।ডক্টর গ্রিফিনোর নিজেকে সুস্থ করার সুযোগ আছে বলে জানা ছিলনা। জানতে পেরে ভালো লাগছে। পায়ের ক্ষততে বেগুনী আভা স্পর্শ করামাত্র সেটা আগের মত হয়ে গেলো। কোন শব্দ হয়নি। কিন্তু ইফ্রিতের ভয়ে ভীত গার্ডরা কি মনে করে যেন আচমকা গুলি ছুড়তে আরম্ভ করে দিলো। আমি ভয়ের চোটে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লাম আর সাথে সাথেই আমার পিঠ ফুঁড়ে বেরিয়ে এলো একজোড়া ডানা। সেই ডানাগুলো নিজে নিজেই ঝাপটাতে শুরু করলো। আমার কোন নিয়ন্ত্রণ নেই ডানাগুলোর ওপর। আমায় গোলাগুলির সীমানার বাইরে নিয়ে এসে শুন্যে ভাসিয়ে রাখলো কিচ্ছুক্ষণ। তারপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই দ্রুতবেগে সামনের বাথ অব এন্টোনিনাস স্নানাগারে ঢুকে পড়লো তারপর বলা নেই কওয়া নেই আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে চৌবাচ্চার জলে ডুব দিতে বাধ্য করলো। ভাবলাম আমার ডানাদুটো কি আমাকেই ডুবিয়ে মারতে চাইছে? কিন্তু না যত গভীরে যাচ্ছি চৌবাচ্চার তলাটা ততই স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। আর আমার যদি ভুল না হয় তবে সেই তলা দরজার কপাটের মত খুলে যাচ্ছে এবং সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা জগত দেখা যাচ্ছে কপাটের ওপাশে। ঐ অচেনা সবুজ জগতটাই কি আমার গন্তব্য? অসহায় গুপ্ত প্রানীদের বাসস্থান?


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দ্য অ্যাডভেঞ্চার অফ ডক্টর গ্রিফিনোঃ কার্থেজের দানব (৪য় পর্ব )

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now