বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ফেবারিট টি-শার্ট আর সানগ্লাসটা পড়ে বেশ ভাব নিয়া ভার্সিটির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম। প্রতিদিনের মতো আজকে ও অনেকটা লেট করে ফেলছি,,,তাই তাড়াহুড়ো করে যাইতেছি,,,,
হটাৎ নীলার সাথে একটা চরম ধাক্কা খেলাম।তারপর...
নীলা - ওই চোখে দেখেন না? কানা নাকি?
আমি - এই যে একটু আস্তে,,,,আপনি চোখে দেখেন না?? অবশ্য সামনে এরকম একটা হ্যান্ডসাম ছেলেকে দেখলে চোখে না দেখারই কথা।
নীলা - হ্যান্ডসাম না ছাই,,,,আয়নায় নিজের চেহারাখানা ভালো কইরা দেইখেন একবার,, পুরাই বান্দরের ফটোকপি।
আমি - কিহহহ? কি বললেন?
নীলা - আপনি যা শুনছেন তাই বলছি।
আমি আর কথা বারালাাম না কারণ আজ এমনিতেই অনেক লেট হয়ে গেছে। আজ তোফাজ্জল স্যারের বকুনি থেকে কিভাবে যে নিজেকে রক্ষা করবো সেটাই ভাবতেছি। মনে মনে ইষ্ট নাম জপ করে ক্লাসে ঢুকতে যাবো ঠিক তখন....
আমি - স্যার আসবো?
স্যার - নাহ্ চান্দু আজকে আর তোমার আাসা লাগবো না,,,বাড়িতে যাইয়া ভালো কইরা নাকে তেল দিয়া ঘুমাও যাও।
আমি - স্যার আজকের মতো মাফ করে দেন,,,নেক্সট টাইম থেইকা ঠিক টাইমে চলে আসবো।
স্যার - হুম তইলে বাইরে অাধ ঘন্টা দাড়াই থাক,,,এটাই তর আজকে ক্লাসে লেট করে আসার শাস্তি।
কি আর করা,,,,, শাস্তিসরূপ বাইরে দাড়াই আছি,,,আর ঐদিকে আমার কুত্তা ফ্রেন্ডরা মিটমিট করে হাসতেছে। আর আমি ঐ মেয়েটারে ইচ্ছা মতন বকতেছি কারণ আজকের ঘটনার জন্য কেবলমাত্র ও ই দায়ি।
বিকেলে ছাদে একা একা বইসা আছি,,,,তো হঠাৎ করেই কোনো জানান না দিয়া তড়িৎ গতিতে বৃষ্টি পড়া শুরু করলো,,,,,
তো বৃষ্টিতে ভিজতেছি কারণ বৃষ্টিতে ভিজতে আমার দারুণ লাগে।ভিজতেছি ভিজতেছি তো হঠাৎ এরই মধ্যে আমার প্রচন্ড হিসু ধরছে,,,,এখন না করলে না ই হবে এরকম অবস্থা,,,,মনে মনে ভাবতেছি যেহেতু বৃষ্টি পড়তেছে তাহলে ছাদের উপর থেইকাই হিসু করে দেই। যা ভাবা সেই কাজ।
প্যান্টের জিপারটা খুলে ছাদের উপর থেকেই হিসু করতেছি,,,আহঃ কি আরাম...
হিসু শেষে নিচে থাকাতেই আমি চরম ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম। দেখলাম যে নীলা আমার দিকে অগ্নিশর্মা দৃষ্টিতে থাকাই আছে। তাহলে মনে হয় আমি ভুলবসত ওর উপ্রেই হিসু করে দিছি। ওরে বাবা'রে মা'রে বইলা এক দৌড় দিয়া রুমে আইসা দড়জার ছিটকিনি লাগাই দিলাম। এখন কি হবে? নীলা যদি বাসাই আইসা কমপ্লেন করে আামার নামে,, তাহলে তো অবস্থা পুরাই টাইট।
.
.
অনেকক্ষন হয়ে গেছে তবুও যখন নীলা আসতেছে না তাহলে মনে হয় আর আাসবে না।ওফফ বাচলাম।
কিছুদিন পর,,,,,,,
পাড়ার গলিতে চরম ভাব নিয়া ঘুরতেছি,,,,হঠাৎ আমার শার্টের কলার ধইরা টান দিয়া কে যেন চিপায় নিয়া যাইতেছে,,,,ও বাবা এ তো নীলা।
নীলা - ঐ শালা ঐদিন আমার উপ্রে হিসু করছিলি ক্যান?
আমি - এহহ বাবা,,আমি তোমার উপ্রে হিসু করতে যাবো ক্যান? তুমিইতো আমার হিসুর নিছে আইসা পড়ছিলা।
নীলা - চুপ। একদম চুপ,,,,মুখ ফাটাই দিবো একদম।
নাম কি হুম?
আমি - শুভ।
নীলা - কিসে পড়া হয়?
আমি - চেয়ার টেবিলে।
নীলা - ঐ শালা ফাজলামো করছ আমার সাথে? দিবো কিন্তু নাক বরাবর একটা।
আমি - না না মাইরেন না মাইরেন না,,,বলতেছি
অনার্স 3rd ইয়ার।
বলেই দিলাম এক দৌড়।
কি দজ্জাল মেয়েরে বাবা,,,,সবসময় শুধু বকা দেয়।
এরই মধ্যে নীলার আমাদের বাসায় যাতায়াত শুরু হইছে,,,এবং শুধু তাই নয় আমার মাকে ও বেশ হাত করে নিছে।
নীলা - আন্টি শুভ কোথায়?
মা - দেখ,,,রুমেই আছে হয়তো,,,সারাদিনই রুমে বসে কি যে করে ছেলেটা।
নীলা - আন্টি আমাকে তোমার ছেলের বউ করে নাও,,,,তাহলে দেখবা তোমার ঐ বাদর ছেলেকে কি করে শায়েস্তা করি।
মা - হাহাহা,,,আমি আর তর আঙ্কেল তো রাজিই যে তকে আমার শুভর বউ করে আনবো। কিন্তু তর বাবা কি রাজি হবেন?
নীলা - ওসব তুমি আমার ওপর ছেড়ে দাও তো,,,বাবাকে আমি ঠিক ম্যানেজ করে নিবো।
আন্টি আমি শুভর সাথে একটু কথা বলে আসি।
মা - আচ্ছা যা।
ঠক ঠক ঠক,,,,দাড়াও মা আসতেছি(আমি)
হিহিহিহি নিজের হবু বউকে মা বলে ডাকে(নীলা)
আবারো ঠক ঠক ঠক,,,,আরে বললাম তো আসতেছি..
আমি - একি তুতুতুমি? তুমি আমার রুমে ক্যান?
নীলা - বারে আমার হবু বরের রুমে আমি আসবো না তো কে আসবে শুনি?
আমি - হবু বর মানে? কে তোমার হবু বর?
নীলা - এখানে কি তুমি ছাড়া আর কেউ আছে? তুমি ই আমার হবু বর। আঙ্কেল আন্টি তোমার সাথে আমার বিয়ে টিক করছে।(দাত কেলিয়ে)
আমি - কিহহ? বিয়ে? তাও আবার তোমার সাথে? নো নেভার কাভি নেহি।তারপর,,,,নীলা আমায় ধাক্কা দিয়ে বিছানায় ফেলে দিয়ে রুমের ভিতরে আইসা দরজার ছিটকিনি লাগাই দিলো
নীলা - কি বললা? শুনতে পাই নাই...আবার বলো তো?
বিয়ে করবানা আমায়?
আমি - নাহ্ করবোনা। কারণ তুমিতো আমায় ভালইবাসনা,,, সবসময় শুধু বকাই দাও..
নীলা - ওলে আমার সোনা বাবুটা লে,,,,,এখন থেকে আমার বাবুটাকে আর কখনো বকবনা,,, সবসময়ই ভালবাসবো।
তারপর নীলা আমার ঠোটে তার ঠোট দিয়ে একটা মিষ্টি ভালবাসা একে দিলো।
কিছুদিন পর নীলার বাবা দেশে ফিরলেন,,,এবং নীলা তার বাবাকে সবকিছু খুলে বললে নীলার বাবা সবকিছু মেনে নেন এবং খুব ধুমধাম করে ওদের বিয়ে দেন।
আজ ওদের বাসর রাত,,,,সো এখন আর না,,, বাকি গল্পটা ওদেরকেই সারতে দেন।
লেখকঃ- অলিভার কুইন (শুভ)।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now