বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ডিয়ার শাশুড়ি মা (৬)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Saniat Ahmed (০ পয়েন্ট)

X ডিয়ার শ্বাশুড়ি মা- ৬ সানিয়াত আহম্মেদ (শারিরীক ভাবে অসুস্থ থাকার জন্য গল্পের বাকি পর্ব গুলো দিতে একটু বিলম্ব হয়ে গেছে) ইমতি ঘড়ির দিকে তাকালো, সাড়ে সাতটা বাজে৷ অদ্রি চা খেয়ে খালি কাপ টা এগিয়ে দিলো৷ অদ্রি উঠার কোনো ইচ্ছে নেই। এইভাবে বসে আছে যেন ড্রয়িং রুমে বসে থাকে। ইমতি ঘামছে, মা কি কি বলতে পারে, ইরা কোন ভাবে কথা শোনাতে পারে? বন্ধু- বান্ধব কলিগ ঠিক কি ভাবে উপহাস করতে পারে সব ভেবে গা শিউরে উঠছে৷ ইরা হয়তো নিচে নামছে। সময় বেশি নেই৷ অদ্রি কিছু মুখ ফুটে চেয়েছে। সত্যি চেয়েছে, গাড়ির আলোর ঠিক সামনে বসে আছে অদ্রি। উজ্জ্বল মুখ টা কে না করার কোনো ক্ষমতা নেই। অদ্রি মুচকি হেসে বললো, - বাদ দিন। ইমতি পায়ের দিকে তাকালো। পকেট থেকে ফোনটা বের করলো। পাওয়ার বাটন প্রেস করে বন্ধ করে দিও। অদ্রি বড় করে তাকিয়ে বিস্ময়কর হাসি দিলো। গাড়িটা পেছনের দরজা বন্ধ করে সামনে বসলো। ইস্টারিং এ কাঁপা হাতে জোরে চাপ দিলো। গাড়ি ব্যাক করে মেইন রোডে ছাড়লো৷ পেছনে বিয়ে বাড়ির সবাই ছিল। বাচ্চারা বউ দেখবে বসে লাফাচ্ছিলো, তারা মা বাবার দিকে উৎসুক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, " বউ কোথায়!" বড়রা অবাক হলো। কেউ হেসে বললো, " হয়তো সাজ হয়নি, এসে পড়বে। দরকার না হলে কেউ যায়?" ইরাকে কেউ ফোন দিতে বললো। ইরা ফোন দিয়ে দেখলো ফোন বন্ধ। কেউ তাচ্ছিল্য এর হাসি কেউ অনবরত চোখে আঙ্গুল দিয়ে বলতে শুরু করলো, " আমাদের সময় এইগুলো হতো না, এই কমিউনিটি সেন্টারই ভালো না। বর- বউয়ের দোলনার জন্যে ফুল সাজানো হয়েছে পুরোটা গোলাপ। কাঁটা ছাড়িয়ে গোলাপের চেয়ে ডালিয়া দিতে পারতো। এরপর নিচ তালায় বর-বউ থাকার ব্যবস্থা করে উপরের তালায় খাওয়ার ব্যবস্থা করতো। এত ভুল কেউ করে " ইমতির মা বজ্রকন্ঠে বললো, " ইমতি কে ফোন দে।" অদ্রির পরিবারের কেউ একটা কথা বলছে না। খালি অদ্রির মা বললো, " মেয়েটা ঠিক আছে তো, ওরা কি কিছু লুকাচ্ছে আমাদের থেকে?" হাজারটা প্রশ্ন ঘুড়ির মতো উড়িয়ে দিয়ে ইমতি ততক্ষণে বেশ দূরে। লুকিং গ্লাসে অদ্রিকে দেখছে অদ্রি বারবার জানালা দিয়ে বাইরে তাকাচ্ছে৷ হঠাৎ বললো, - আমরা পালাচ্ছি। ইমতি বললো, - হু। - কোথায় যাবো? - হ্যাঁ আপনি বলুন? - আমি বলবো কেন? আপনি বলুন। আপনি আমায় নিয়ে পালাচ্ছেন আমি না। - আজব আপনিই তো বললেন! - বললাম তো কী? এইবার নিজে দেখে শুনে কোথাও নিয়ে যান। বলতেই গাড়ি সিগন্যালে থামলো। ইমতি বের হয়ে বললো, - আপনি চাইলে সামনে আসতে পারেন। - না চাইলে? - ইচ্ছা! - একটা ব্যাগ লাগবে আমার। - আর কিছু? - আর একটা বিরানীর প্যাকেট। আর কোকা কোলা। - সামনের দোকানে থামাবো। আপনি সামনে আসুন। অদ্রির দিকে সবাই তাকিয়ে আছে৷ বউ বেশটাই এমন, সবাই হা করে তাকিয়ে থাকে। অদ্রি সামনে এসে বসলো। সে সিটে দুই পা তুলে বসে আছে। ছোট বাচ্চার মতো দেখাচ্ছে তাকে। অদ্রি মাথার ঘোমটা আর গয়না খুললো, এক এক করে সব গয়না। ইমতি একটু পর পর আড়চোখে তাকিয়ে দেখছে! অদ্রি বললো, - এইযে, আপনি আমায় আড় চোখে তাকায়ে দেখেন কেন? - কই না। - মিথ্যুক একটা। দেখেছি আমি - সরি, আর দেখবো না। - দেখতে কে না করলো। - মাত্র বললেন। - বলেছি আড়চোখে দেখতে না। - তো কিভাবে দেখতে? - সোজাসুজি। কথাটায় ইমতি ব্রেক মারলো। অদ্রির হেসে বললো, - কক্সবাজার বাদে যেখানে মন চায় চলুন। - সত্যি? - না, আমার ডিয়ার শ্বাশুড়ি মা রেগে ফায়ার হয়ে যাবে। আপনি কোথায় যাবেন? - পতেঙ্গা যাই। - যান, আমি ঘুমাই। ইস বাসে গেলে আপনার কাঁধে ঘুমানো যেতো, একটা ড্রাইভার আনতে পারতেন। ইমতি বললো, - আপনি না? - আপনি না কি? একবার বকা দিয়ে দেখুন শ্বাশুড়ির ছেলে! - এটা কি? - কিছু না বাদ দিন। আমি কি বলছিলেন? - আপনি অদ্ভুত সুন্দর। - যাক সেটাও ভালো, আমি ভাবলাম আই লাভ ইউ টাইপ কিছু বলবেন। - ধ্যত আমি এমন না। - এমন না কেমন? বউ কে আই লাভ বলবেন এতে আর এমন কি? - কি বললো? - আই লাভ ইউ কন! পাঁচ মিনিট টাকম দিলাম, জলদি। ইমতি হা করে করে আছে। অদ্রি যেভাবে বসে আছে দেখতে বেশ লাগছে। #চলবে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ডিয়ার শাশুড়ি মা (৬)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now