বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ডিয়ার শাশুড়ি মা (৪)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Saniat Ahmed (০ পয়েন্ট)

X গল্পঃ-ডিয়ার শাশুড়ি মা পর্বঃ-৪ লেখাঃ-সানিয়াত আহম্মেদ গোধূলির শেষ প্রান্ত। কিছুক্ষণেই সন্ধ্যের আবেশ চলে আসবে। অন্ধকারে নতুন এক রুপ ধারণ করবে শহর। গাড়িটা জমকালো মরিচ বাতিতে ঢাকা কমিউনিটির সেন্টারে রাখলো ইমতি। আজ ইমতির বৌ-ভাতের অনুষ্ঠান। নীল রঙ এর ব্লেজার পরেছে সাথে সাদা শার্ট। গাড়িতে ইমতির চাচাতো ভাই বোন সহ, ইমতির মা আছে। সবাই এক এক করে ভেতরে ঢুকলো, ভ্রু কুঁচকে ইমতির মা জিজ্ঞেস করলো - তোর বোন কোথায় রে? সে কয়টায় পার্লারে গিয়েছে। নিজে তো গিয়েছে ঠিক আছে বাচ্চা দুটোকে রেখে গেছে। দুটো যে বিচ্ছু সে খেয়াল আছে। বিচ্ছু দুটো আমায় কোল ছাড়েই না। ইমতি হেসে প্রিনয় কে বললো, - মামা এসো আমার কোলে। প্রিনয় মুখ গোমড়া করে বললো, - মামা বিচ্ছু কি পঁচা। ইমতির মা তীক্ষ্ণ গলায় বললো, - না বিচ্ছু ভালো, খাওয়া যায় খাবি? পকর পকর করে মাথা দিলো, ইমতি, ইরাকে ফোন কর, সবাই আসা শুরু করে দিয়েছে। ওরা কি বিয়ে শেষ হলে আসবে নাকি? ইমতি বললো, - ফোন করছি আমি, তুমি যাও ভেতরে গিয়ে বসো। ইমতি ইরাকে ফোন করলো। ইরা ধরছে না। প্রায় চার বার ফোন করার পর ধরলো ফোন। ধরার পর অচেনা সুমিষ্ট ভাষায় কেউ বললো "হ্যালো" ইমতির বোঝা বাকি নেই ফোনের ওপাশে সুভাষাণী নারী ইরা নয়। তবে কি অদ্রি! হাজার জরতা ভর করছে, কথার বলতে যেন কেউ বাঁধা দিচ্ছে। যার সাথে জীবনের বাকিটা কাটাতে হবে তার সাথে দুটো কথা বলার জন্যে ব্যাকুলা। হঠাৎ করেই সুযোগ এলো সবটা চুপ করিয়ে দিলো ইমতিকে। ইমতি বেশ কিছুক্ষণ পর পরপর কয়েকবার বললো হ্যালো। অদ্রি বললো - জ্বী বলুন। - আপনারা আসবেন না? ইমতির কোলে প্রিনয় ভ্রু কুঁচকে ইমতির হাত থেকে ফোন কেড়ে নিতে হাত বাড়িয়ে বললো, "আমি মায়ের কাছে যাব। মার সাথে কথা বলি আমি। " ইমতি দূরে সরিয়ে বললো, "চুপ তোর মা না এটা, এটা আমার বউ! দু মিনিট দে কথা বলি। " ইমতির কথাগুলো অদ্রির কানে স্পষ্ট বাজছে। অদ্রির বেশ লজ্জা পেলো। লজ্জায় লাল/নিল/হলুদ/বেগুনি সব হয়ে যাচ্ছে সে। সামান্য থেকে সামান্যতম কথায় কতটা আবেগ লুকোনো ভাবা যায়। অদ্রি হাসি চেপে বললো, - কিছু বলতে হবে, আপুকে! - না, আপনারা ফিরবেন কখন অনেক গেস্ট চলে এসেছে। - যখন সাজা হবে চলে আসবো, পালিয়ে তো যাবো না। - আসুন তবে, আমি ভেতরে যাচ্ছি। - ভেতরে যাবেন মানে? আপনার বউ ছাড়া ডাং ডাং করে ভেতরে এসি রুমে বসে বসে কি করবেন? খারাপ লাগবে না আপনার। বউ এর দায়িত্ব তো আপনার তাই না? তাছাড়া কাল তো পার্লারে সাজি নি বলে কত নিয়ম কানুন বোঝালেন, এখন বউ ছাড়া বর একা একা বসে থাকলে নিয়মের কি হবে বলুন। অদ্রির কথায় ইমতির মুখ শুকনো হয়ে গেলো। কিছুক্ষণ ভেবে দেখলো অদ্রির কথায় যুক্তি রয়েছে। ইমতি মাথা নিচু করে বললো, - আচ্ছা আপনি আসুন এরপর আমরা একসাথে যাবো। অদ্রি হেসে বললো, - হ্যাঁ মনে থাকে যেন, গিয়ে যদি দেখি ভেতরে আছেন ঠান্ডা হাওয়ায় ফটোশুট করছেন। অদ্রির কথা গুলো বলে কেটে দিলো। ইরার পাশের রুমে শাড়ি পড়ছে। অদ্রির বেশ হাসি পাচ্ছে, উল্লুক একটা, রাত জেগে ছিলো কিন্তু ডাকে নি। মানুষ কি এমন হয়। প্রায় ঘন্টা খানেক পরে অদ্রি কমিউনিটির সেন্টারে নামলো। নামার আগে থাই কাঁচ নামিয়ে ইরা চিৎকার করে বললো, - এটা ভাই না? ওই চায়ের দোকানে কি করে? ড্রাইভার হা করে তাকিয়ে দেখলো, নেমে গিয়ে রাস্তা পাড় হয়ে ইমতির কাছে গেলো। অদ্রি উঁকি দিয়ে দেখলো ইমতি হাতে ব্লেজার নিয়ে সাদা শার্ট পড়ে রাস্তার ঢং দোকানে চা খাচ্ছে। ইরা রাগে গজগজ করছে। আর এক দল চা পিপাসু ইমতিকে ঘিরে চা খাচ্ছে। হয়তো তারা ইমতির বন্ধু বা আত্ত্বীয়। ইরা অদ্রির দিকে তাকিয়ে বললো, - আমার ভাইয়ের তারছেঁড়া। নাহলে এত মানুষকে নিয়ে ভেতরে এত জায়গা বাদ রেখে রাস্তায় চা খাচ্ছে। মানুষ কি ভাববে। অদ্রি এক গাল হেসে বললো, - আপু, আপনি যদি মাইন্ড না করেন আমাকেও এক গ্লাস চা দিতে বলবেন। চা তে যেন চিনি বেশি দেয়। - আর ও কিছু বলো। শুনি। - আর দুটো কেক বিস্কুট। #চলবে.....?


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ডিয়ার শাশুড়ি মা (৪)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now