বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
দীপু চলে যেতে যেতে আবার ফিরে আসে।
আচ্ছা আব্বা, তুমি তাবিজ বিশ্বাস কর?
না।
একেবারেই কর না?
একেবারেই করি না।
তাবিজ থাকলে সাপে কামড়ায় না এরকম তাবিজ দেখেছ কখনও?
দেখিনি, শুনেছি।
কি শুনেছ?
সাপের মুখের কাছে ধরলে সাপ দৌড়ে পালায়।
দীপুর মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। চোখ বড় বড় করে বলল, তুমি দেখবে সেরকম তাবিজ?
তুই দেখবি?
দীপু বোকা বলে বলল, দেখাও।
আব্বা আস্তে আস্তে একটা সিগারেট ধরালেন, তারপর ম্যাচের কাঠিটা নিভিয়ে ওর হাতে দিলেন, এই দেখ।
কী?
সাপের তাবিজ।
কোথায়?
এই যে ম্যাচের কাঠি।
যাও! তুমি শুধু ঠাট্টা কর।
ঠাট্টা না। তুই এটা সাথে রাখ। যখন দেখবি কোনো সাপুড়ে সাপের তাবিজ বিক্রি করছে এই কাঠিটা সাপুড়েকে দিয়ে বলিস সাপের মুখের কাছে ধরতে। সাপ যদি দৌড়ে না পালায় তা হলে আমার কাছে আসিস।
কেন? ওরকম হবে কেন?
সাপুড়েরা তাবিজ বিক্রি করার আগে লোহার শিক গরম করে সাপের মুখে ছ্যাকা দেয়। এরপরে যখন সাপের মুখের কাছে কিছু ধরে সাপ মনে করে এই বুঝি আবার হঁাকা দিল, ওমনি দৌড়ে পালায়।
তাই? দীপু অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে, কী পাজি সাপুড়েরা।
পাজি হবে কেন। তাবিজ বিক্রি করে সে বেচারারা তাদের ছেলেমেয়েদের খাওয়ায়। এটা তাদের ব্যবসায়। লোকজনকে বিশ্বাস না করালে তাবিজ বিক্রি করবে কেমন করে?
আর কেউ যদি ওটা বিশ্বাস করে সাপের কামড় খায়?
তা খাবে না। সাপ দেখলেই তাবিজ-টাবিজ ভুলে দৌড় দেবে।
তা হলে সাপ থেকে বাঁচার কোন জিনিস নেই?
থাকবে না কেন? কার্বলিক অ্যাসিড। আমি যখন আসামে থাকতাম সাপ কিলবিল করত। একটা বোতলে ভরে মুখ খুলে রাখতাম, সাপ ধারে কাছে আসত না।
কী নাম বললে?
কার্বলিক অ্যাসিড। খুব কড়া বিষ কিন্তু, একটু পেটে গেলে সোজা বেহেশত। তোর হঠাৎ দরকার পড়ল কেন? সাপের বিজনেস করবি নাকি?
যাও। ছি!
দীপু নিজের ঘরে গিয়ে কার্বলিক অ্যাসিড শব্দ লিখে রাখল ভুলে যাবার আগে। তারপর যত্ন করে আম্মার চিঠিটা খুলে পড়তে বসল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now