বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দিপ্তি

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X Facebook is Free facebook ভূতের গল্প ###দিপ্তি### ১. ২২শে জানুয়ারী ২০০৬ দিপ্তি সাদা এপ্রোন টা পড়ে আয়নাতে মুগ্ধ দৃষ্টিতে নিজের দিকে তাকিয়ে আছে। মনে তার অনেক আনন্দ। আজ থেকে সে একজন পুরোপুরি ডাক্তার। কলেজের প্রথম দিন এক প্রবীন শিক্ষক দিপ্তিকে বলেছিলেন- “ একজন ডাক্তারের তিনবার জন্ম হয়- প্রথম বার তারা যখন মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয় তখন, দ্বিতীয় বার যখন ডাক্তারের বেশে ইন্টারন করতে যায় ডাক্তারের মত, তৃতীয় বার যখন আসল ডাক্তারের বেশে নতুন ক্রমস্থলে যায়”। আজ দিপ্তির শেষ সার্থক জন্ম হল। সে মফস্বলের এক মেডিক্যাল এ জয়েন করেছে জুনিয়র আসিসট্যান্ট ডাক্তার হিসেবে। প্রথম দিন বলে দিপ্তির মনে এক নতুন আনন্দ খেলা করছে। আনন্দ খেলা করছে দিপ্তির মা বাবার মনে ও । এতদিনের লালায়িত স্বপ্ন পূর্ণ হতে চলেছে। বাসা থেকে মায়ের বানানো খাবার টিফিন ক্যারিয়ারে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে পড়ল দিপ্তি। তারপর একটা রিক্সা নিয়ে সোজা এসে নামল গাজিপুর সদর হাসপাতালে। পাশ করার পর থেকে এই বিশাল হাসপাতালে কাজ করার অনেক শখ ওর। শুনেছে এখান থেকে ইন্টারনি করেই বের হয়েছে দেশের অনেক বড় বড় ডাক্তার। বন্ধু বান্ধবীদের মুখে শুনতে শুনতে ওর মনে কখন যে এখানে চাকরীর ইচ্ছেটা ভেতর গড়ে উঠেছে নিজের জানেনা। আর তাই গত পরশু দিন সকালে জয়েনিং লেটার পাবার পর নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে। আর তাই মায়ের দেয়া টিফিন বাক্স টা বেশ ভাল ভাবেই বুঝে নিয়েছে সে। রিক্সা ওকে নামিয়ে দিল মূল হাসপাতালের বেশ কিছু আগে। নেমে ভাড়াটা চুকিয়ে দিয়ে লালচে টাইলসে মোড়া পেইভমেন্ট দিয়ে হেটে মূল গেইট দিয়ে ঢুকল দিপ্তি। দুজন গার্ড দাঁড়ানো সেখানে। একজন মহিলা এসে দিপ্তির পার্স আর ব্যাগ চেক করল। তারপর ঢুকতে দিল।সে মেটাল ডিটেক্টর এর মাঝ দিয়ে ঢুকে পড়ল মেইন লবি তে। প্রথমেই রিসিপশনের মেয়েটা ওকে জানিয়ে দিল ওকে যেতে হবে হাসপাতালের টপ ফ্লোরের এক দম কোনার রুমে। সে লিফটে চেপে চলে গেল টপফ্লোরে। গুনে গুনে ১০ তলা এই হাসপাতালে আগে কখনো আসেনি দিপ্তি। কিন্তু দেয়ালে একটু পর পর লাগানো হাসপাতালের ফ্লোর প্লান দেখে ঠিক ঠিক চিনে নিল সে।অবশেষে সে এসে দাঁড়াল থাই গ্লাসে ঘেরা একটা রুমের সামনে। রুমে ঢুকতে অনুমতি চাইতেই দেখতে পেল এক বৃদ্ধ ডাক্তার বসে আছে একটা সাদা টেবিলের ওপাশে। বৃদ্ধ ওকে হেসে ভেতরে ঢুকতে বলল। এই বৃদ্ধ ডাক্তারের কাছে যে ব্যাবহার পেল দিপ্তি সেটাতে সে ভুলেই গেল যে সে একজন জুনিয়র আসিসট্যান্ট ডাক্তার হিসেবে আজকেই জয়েন করেছে। তারপর অন্যান্য সব ডাঃ দের মত সে ও চলে গেল তার জন্য ঠিক করে রাখা রুমে।এবং যথারীতি শুরু করে দিল ডাক্তারি। ২. ২২শে ফেব্রুয়ারী ২০০৬ প্রথম মাস টা বেশ ভালভাবেই কাটল দিপ্তির। জয়েন করার পর ওর মত পারফমেন্স এখানকার খুব কম ডাঃ ই দেখাতে পেরেছে। তাই মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় সে ডাক পেল সার্জারি ডিপার্টমেন্টে আসিসট্যান্ট সার্জেন হিসেবে। এবং এরপর পরই দেশে এক অজানা রোগের প্রকোপ হয়। অনেক দূর দুরান্ত থেকে রুগীরা আস্তে থাকে হাসপাতালে। আর ব্যাস্ত হয়ে ওঠে দিপ্তির জীবন। সকালে অপারেশন- তারপর টানা ডিউটি –রাত হলে ছুটি- মাঝে মাঝে তা ও মেলেনা। নাইট ডিউটি করতে হয় ওকে। বৃদ্ধ ডাক্তার আরসাদের প্রিয় পাত্র বলেই হয়ত তার উপর নেমে এসেছে এত কাজের বোঝা। ৩. ১লা মার্চ ২০০৬ আজ দিপ্তির নাইট ডিউটি। এই কয় দিনেই ওয়ার্ড বয় আর নার্স দের কাছে দিপ্তি দিদিমনি হয়ে ঊঠেছে। সবাই দিদিমনি বলতে অজ্ঞান। রাতে সেই নার্সদের সাথে তার সময়টা বেশ ভালই কেটে যায়। আজো নার্স মুনমুন বেগমের সাথে আড্ডা মারছে দিপ্তি। এই নার্স এখানকার সব চেয়ে পুরানো নার্স। এই নার্স ই জানাল কোন এক কারনে প্রায় বছর ২৫ আগে এখানকার সকল নার্স আর ডাক্তারদের পালটানো হয়। নতুন করে লোক নেয়া হলে ও ডাঃ আরসাদ থেকে যান। আজ ও এই বিষয় নিয়ে মুনমুনের জল্পনা কল্পনা মেশানো গল্প শুনছে দিপ্তি। “ জানো দিপ্তি আপা- ঐ দিনের পর একদিন এখানে আসলাম- দেখি এখানে কোন ডাক্তার নেই- নার্স নেই- কেউ নেই। পুরা খালি। কিন্তু ......” বলে থেমে গেল সে। চোখগুলো কৃত্রিমভাবে গোল গোল করে তাকিয়ে মজা করে বলল দিপ্তি- “কেন? কেন?” “হ্যাঁ গো হ্যাঁ- জানো আমি যেদিন এখানে আসি সেদিন কেঊ ছিলনা এখানে- আমার সাথে আসা সবাই ই ছিল নতুন। এম্নকি সব ডাক্তার ও ছিল নতুন। আমাদের ডাক্তার আরসাদ স্যার সব রুম ঘুরে ঘুরে দেখান। সব কিছু দেখান কিন্তু আমাদের আট তলায় তিনি নিয়ে যাননি। আমি ঊনাকে বলেছিলাম- “স্যার আমরা কি আট তলায় যাবো না?” উনি আমার কথা শুন্তেই যেন পেলনা। এরপর একদিন আমাদের একদিন আমি চুপি চুপি গেছিলাম সেখানে- দেখি রুমের বাইরে থেকে সিল গালা করা। ওখানে কেঊ যায়না”।–বলল মুনমুন। কথাগুলো শুনে হেসেই ঊড়িয়ে দিল সে। পরদিন বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে ঘুম দিল সে। ঘুমের মাঝেই যেন কে বলে ঊঠল-“ এসো- এসো- এসো- একঘেয়ে একটা ডাক-সে যেন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে আটতলার দিকে। সে দরজা দিয়ে ঢুকতে যাবে এমন সময় ঘুমটা ভেঙ্গে গেল ওর মায়ের ডাকে। ঊঠে নাস্তা খেয়ে আবার রেডি হতে শুরু করল সে- একটু পরেই সে নাইট শিফট করতে বের হয়ে যাবে। ৪. ৮ই মার্চ ২০০৬ আজ নাইট শিফটে দিপ্তির এ মাসের শেষ দিন। ঘুম থেকে আবার ও দুঃস্বপ্ন দেখে ভয়ে ঘুম ভেঙ্গে গেল তার। আজকের স্বপ্নটা ছিল অন্য রকম- দেখল লিফটে সে একা। সে যে তলায় ই যাবে বলে বোতাম চাপুক তাকে বার বার আট তলায় এনে থামিয়ে দিচ্ছে। শেষে সে বিরক্ত হয়ে আট তলায় নামতে গিয়ে ই লিফটের দরজা খুলে দেখে আট তলায় কিছু নাই- চারিদিকে কেব্ল শুন্যতা। স্বপ্নটা ছিল আসলেই ভয়ংকর। যতই স্কাল পেল দিয়ে মানুষের চামড়া কাটুক একা একা রুমে রাতে থাকতে ভয়ই পায় সে। তাই তো নার্স দের সাথে সময় কাটায় সে। কিন্তু আজ সে অসহ্য হয়ে ডাঃ আরসাদের কাছে আসল। ডাক্তারকে স্বপ্নের ব্যাপারে সব খুলে বলল সে। তারপর সেই আট তলার রহস্য জানতে চাইল সে। কিন্তু ডাঃ আরসাদের কন্ঠে প্রথম বারের মত হুমকি শুনতে পেল সে। উনি সাফ বলে দিলেন- “হয় এখানে চাকরি কর- না হয় চলে যাও- এখানে থাকতে হলে আট তলার কথা ভুলে যেতে হবে”- শুনেই চোখে পানি চলে এল দিপ্তির। কোনদিন কেঊ এভাবে বলতে পারে এটা জানা ছিল না ওর। রাত এগারোটা- দিপ্তি নাইট ডিউটিতে বসে আছে টেবিলে। ওয়ার্ড এ সব রুগীরা ঘুমাচ্ছে। একজন রোগীর অবস্থা খারাপ ছিল- কিন্তু সে মারা গেছে সন্ধায়। তাই সবা অনেক চুপচাপ। দিপ্তির চলে যাবার কথা ছিল। কিন্তু বাসার সবাই বেড়াতে গেছে এই বাহানা তুলে হাসপাতালে থেকে গেছে সে। ডাঃ আরসাদের ধমক খেয়ে মাথায় রোখ চেপে গেছে। ও আজকে আট তলায় যাবেই। কেঊ যাতে না দেখে তাই নিজের রুমে ঘুমানোর ভান করল সে লাইট অফ করে। আশ পাশ কিছুটা ঠাণ্ডা হতে আস্তে করে রুম থেকে বের হল সে। রাতে লিফট বন্ধ থাকে। ওর ডিঊটি পড়ে ৩ তলায় সিড়ির একদম কাছেই- তাই চুপি চুপি সিড়ি বেয়ে ঊঠল সে। সাত তলায় এসে হাপিয়ে উঠল সে। আসার সময় এপ্রোন খুলতে ভুলে গেছে সে-স্টেথস্কোপ টাও গলায় ঝুলানো। হাপাতে হাপাতে কপালের ঘাম মুছল দিপ্তি। অনেক ঘামছে দিপ্তি –যতটা না ঊত্তেজনায় তারচেয়ে বেশি ভয়ে। শেষ পর্যন্ত কৌতূহলের কাছে আতংকের পরাজয় হল। আস্তে আস্তে ধাপের পর ধাপ ঊঠে চলেছে দিপ্তি। দশতলা হাসপাতালের নিচ তলা আঊট পেশেন্ট- পরের এক তলা ডায়াগনোস্টিক্স এক তলা অপারেশন ফ্লোর আর আট তলা বাদে বাকি গুলা ইনপেশেন্ট। সাত তলার ল্যান্ডিং এ এসে পুরো ঘেমে গেল সে। টপটপ করে ঘাম পড়ছে ওর শরীর থেকে। বাম হাতে চুলের খোপা খুলে দিল সে। আস্তে আস্তে নবম ধাপ পেড়িয়ে দশম ধাপে এসে দাঁড়াল সে। সামনে বন্ধ দরজা- সিল গালা করা। দরজার ওপাশে কি বুঝার কোন ঊপায় নেই। হ্যান্ডাল দুটো স্টিলের। হাত ধরে ছুতেই ভয়ের ঠান্ডা একটা স্রোত নেমে গেল ওর মেরুদন্ড বেয়ে। এবং তারপর পর হটাত করে সামনের দৃশ্য পট পরিবর্তন হতে শুরু করল। তীব্র আলোয় চোখ ধাধিয়ে গেল দিপ্তির। সুতীব্র আলোর ব্যাপারটা ঘটছে কারন সে এই মুহূর্তে অষ্টম তলার বন্ধ দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে। চারদিকে আলোকিত। সেখানে একটা অপারেশন রুমের মতই অনেক অনেক যন্ত্রপাতি। অনেক অনেক লোক- কিন্তু কেঊ দিপ্তির দিকে তাকাচ্ছেনা। সবাই নিজের কাজে ব্যাস্ত। কেঊ অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে ব্যাস্ত- কেঊ ব্লাড ট্রলি নিয়ে দৌড়াচ্ছে- হয়ত কোন একটা সিরিয়াস অপারেশন চলছে। হটাত নিজের দিকে চোখ গেল দিপ্তির। নিজের পোশাক কখন নার্সের পোশাকে পরিবর্তন হয়েছে নিজেই বুঝল না সে। দেখল তার হাতে একটা কিডনি ট্রে-তাতে অনেক গুলা অপারেশন ইন্সট্রুমেন্ট। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দিপ্তি কেন যেন দৌরাতে শুরু করল। নিজের অনিচ্ছা সত্বেও দিপ্তিকে দৌড়াতে হচ্ছে- আটকাতে পারছেনা। ট্রলি হাতে থামল ওটি রুমের সামনে। হাত দিয়ে ঠেলে দরজা খুলে ঢুকল সে ভেতরে। খুব দ্রুততার সাথে নিজের গায়ে একটা সবুজ এপ্রন চাপিয়ে মুখে মাস্ক লাগিয়ে ঢুকে পড়ল প্রিসাস্টিকেশন রুমের মাঝ দিয়ে ওটির ভেতরে। অনেক ডাক্তার আর নার্স ভেতরে। একটা শরীর কে ঘীরে ধরেছে সবাই মিলে। একজন ডাক্তার অপারেশন ক্রছেন-ওদের দিকে এগিয়ে গেল দিপ্তি। নিজের হাত পায়ের ঊপর নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ছিল অনেক আগে।এখন নিজের অজান্তেই কথা বলে ঊঠল সে। কিছু বুঝতে না পারলে ও এটা বুঝল ভাষাটা বাংলা নয়- উর্দু। নিজের চোখ দুটোর ঊপর ছাড়া কোন কিছুর ঊপর নিয়ন্ত্রন নেই দিপ্তির। রুগির দিকে তাকিয়ে আন্দাজ করল রুগি অনেক গুরুত্ব পূর্ণ কেউ হবে- চেহারা চেনা যাচ্ছেনা-রুগীর ওপেন হার্ট সার্জারি হচ্ছে।আর অপারেশন করছে বয়সে তরুণ ডাক্তার আরসাদ। বেশ কয়েকজন মিলে ঊনাকে সাহায্য করছে। হটাত ইসিজি মেশিনের রিডিং ঊঠা নামা করতে লাগল। পেশেন্টের হার্ট প্রায় বন্ধ হয়ে চলেছে। সবাই আরসাদের দিকে তাকাচ্ছে- নিশ্চয় তিনি কোন একটা ভুল করে ফেলেছেন। হটাত করে রুম থেকে দৌড়ে বের হয়ে গেল ডাক্তার আরসাদ। এবং তার খানিক পড়েই এক বিশাল বিষ্ফোরন। চোখ মুখের দিকে ছুটে এল আগুনের হলকা- সাথে সাথেই জ্ঞান হারাতে শুরু করল দিপ্তি। ৫. ১০ ই আগষ্ট ২০০৬ পুরো পাঁচ মাস পর কোমা থেকে আজ জ্ঞান ফিরে পেল দিপ্তি। সবাই প্রায় আশা ছেড়ে দিয়ে ছিল। কিন্তু কেমন করে যেন রিকভার করল সে। অনেক কষ্টে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখল তার সামনে অনেক গুলো উদ্বিগ্ন মুখ। তারপর আবার জ্ঞান হারাল সে। ৬. ১২ ই আগষ্ট ২০০৬ আজ দিপ্তির শরীর থেকে ব্যান্ডেজ খোলা হবে। আগুনে পোড়া অংশ গুলোতে ঘা হয়ে গিয়ে ছিল ওর। এন্টিবায়োটিক এ ও কাজ হয়নি। সবাই আশা করছে আস্তে আস্তে রিকভার করবে সে। ৭. ২রা জানুয়ারী ২০০৭ আজ আবার হাসপাতালে জয়েন করল দিপ্তি- রোগী হিসাবে নয় ডাক্তার হিসেবে । ওর ট্রিটমেন্ট এর জন্য ওকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে প্লাস্টিক সার্জারি করেছেন বিশ্বখ্যাত ডাক্তার কিং জুয়ান। দেশে ফিরেই সে জয়েন করেছে আবার। ট্যাক্সি ক্যাব থেকে নেমে লাল পেইভ থেকে নেমে চোখ থেকে রোদ চশমা খুলে হাসপাতাল বিল্ডিংটার দিকে তাকাল দিপ্তি। মনে মনে গুনতে শুরু করল সে হাসপাতাল টা – এক, দুই, তিন, চার, সাত, আট, নয়......... খুব করে মনে করার চেষ্টা করতে লাগল সে- যতদুর মনে পড়ছে হাসপাতাল টা ১০ তলা ছিল- কিন্তু এখন নয় তলা কেন? মাঝের একটা ফ্লোর কোথায় গেল কোন ভাবেই বুঝে উঠতে পারলোনা সে।তারপর আনমনে হেটে ঢুকে পড়ল মেইন গেট দিয়ে ভেতরে...... (সংগৃহীত)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দিপ্তি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now