বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মহান আল্লাহ এ বিশ্বজগত সৃষ্টি করেছেন।
তাঁর সৃষ্ট ১৮ হাজার আলামের মধ্যে মানব জাতি সর্বশেষ্ট।
এ শ্রেষ্ঠত্বের কারন হলো,একমাত্র মানব ছাড়া আর কেউ পরমাত্মার সান্নিধ্যে পৌঁছাতে পারেনা।
স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের কল্যানে মানুষ খোদায়ী গুণ কিছু কিছু অর্জন করতে সক্ষম হয়ে থাকে।
মহান আল্লাহ সর্বশক্তিমান, সকল ক্ষমতার উৎস।
মানুষ আল্লাহ পাকের সান্নিধ্যে থাকাকালিন আল্লাহ পাকের সাথে একটা মহব্বতের সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।
আল্লাহ পাক তার বান্দাকে স্বীয় ক্ষমতা ও গুণ হতে প্রদান করেন।
আল্লাহর জিকির -ফিকিরে বেশি বেশি নিমগ্ন থাকলে এবং আহকামে শরিয়তের পরিপুর্ন আমল করলেই মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভে সক্ষম হয়।
তাওরাত কিতাবে লিখিত আছে, মহান আল্লাহ বলেন," হে আমার বান্দারা! তোমরা শুধু আমারই ইবাদত করো।
আর কারো নয়; আমি তোমাদেরকে এমন ক্ষমতা দেবো, যদি তোমরা কোন কিছুর ইচ্ছা করে বলো হও! দেখবে তাই হয়েছে।"
হাদিস শরীফে এসেছে, মহানবী (সাঃ) বলেছেন, " যে ব্যক্তি আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকার কারনে , আল্লাহর কাছে চাইতে পারেনা।
আল্লাহ তাকে প্রার্থনাকারীর চাইতেও বেশি ( নেয়ামত,শক্তি,ক্ষমতা,চাওয়া ছাড়াই ) প্রদান করেন।"
নবী- রসুল ও আওলিয়াগন সর্বদা ইবাদত কর্মে লিপ্ত থাকার কারনে, আল্লাহ পাকের আদেশ- নিষেধ যথাযথ মেনে চলার কারনে,মহান আল্লাহ তাঁদেরকে মুযিযা,কারামত ও অলৌকিক ক্ষমতা দিয়ে থাকেন।
ভারতের একটা স্থানের নাম আজানগাছ।
সেখানে বাস করতেন একজন আল্লাহর ওলী।
তাঁকে সবাই আজানগাছী পীর বলে একনামে চিনতেন।
তিনি একজন আধ্যাত্মিক ক্ষমতা প্রাপ্ত আল্লাহর একনিষ্ট বন্ধু ছিলেন।
এমনকি তাঁর সান্নিধ্যে থাকায় তাঁর শিষ্যদের মধ্যেও অনেকেই খোদায়ী নিয়ামত পেয়েছিলেন।
একবার হযরত আজানগাছী (রঃ) এর এক শিষ্য জাহাজে চড়ে নদী পার হচ্ছিলেন।
সে জাহাজে বৃটিশ সেনাবাহিনীর কিছু সৈনিক নদী পার হচ্ছিল।
জাহাজ তীরে ভিড়লে ডাংগায় নামার সময় এক সৈনিক তার সামনে থাকা
আজানগাছী( রঃ) এর শিষ্যকে বন্দুকের ব্যানেট দিয়ে গুতা মারলো।
শিষ্য বেচারা প্রচন্ড আঘাত পেলেও কোন আহ! উহ! শব্দ না করে পরম ধৈর্য ধরলো।
মুলতঃ ধৈর্য গুণ হচ্ছে একটা খোদায়ী অস্ত্র।
মহান আল্লাহ বলেন, " তোমরা এমন ভাবে ধৈর্য ধারন করো যাতে কোন অভিযোগ নেই। "
তিনি আরো বলেন," যেনে রেখো, নিশ্চয় আল্লাহ পাক ( এর সাহায্য) সবুরকারীদের সাথী। "
যখন শিষ্য লোকটি সবুর করলো, যাতে কোন আহ! উহ! আওয়াজ পর্যন্ত ছিলোনা।
তখন এ সবুর করাটাই খোদায়ী অস্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হলো।
সৈনিকটি জাহাজ ছেড়ে যেই মাত্র ডাংগায় নেমেছে, অমনি হঠাৎ মাটিতে হোছট লেগে সে পড়ে গেল।
আর বন্দুকের বাইনেট গিয়ে তার বুকে কলিজায় গিয়ে বিধলো এবং তৎক্ষনাত মৃত্যু বরণ করলো।
পরবর্তীতে এ ঘটনা শিষ্যটি তার পীরকে জানালে,হযরত আজানগাছী (রঃ) তাকে ধমকালেন এ বলে,যে কেন সে আহ! উহ! শব্দ করলোনা।
তাহলে অন্তত সৈনিক টি প্রানে বেঁচে যেতো।
তিনি শিষ্যকে শিক্ষা দিলেন, যে 'সবরান জামিলা' অর্থাৎ অভিযোগ বিহীন ধৈর্য ধারন করাটাই জুলুমের প্রতিশোধ হিসেবে আল্লাহর পক্ষ হতে ফিরে এসেছে।
জুলুম অত্যাচারে এ রকম সবুর করা গুণটা খোদা প্রদত্ত অব্যর্থ অস্ত্র।
আমরা যদি আল্লাহর সিফাতের রঙ্গে রঞ্জিত হতে পারি,তাহলে আমরা খোদায়ী শক্তি অর্জন করতে পারবো ইনশাআল্লাহ-- কোন সন্দেহ নেই।
কারন আল্লাহ পাকের এমনটিই ওয়াদা রয়েছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now