বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ডেঞ্জারাস♥বউ
পর্ব-০৫
ইমরান খান
রাইসা ঘুমানোর চেষ্টা করেও ঘুমাতে পারছে না।
সকালে নাস্তার টেবিলে রাফসানের ভাই
-কিরে তুই নাকি হানিমুনে জাওয়ার জন্য পাগল হয়ে গেছিস।
তখনো বাবা মা কেও আসেনি।
রাফসান-খাইছে আমারে।ভা ভা ভাইয়া কেএএ বলসে এই কথা।
ভাইয়া-তোর ভাবি বললো।
রাফসান-দুর কি যে বলো না।ভাবি মনে হয় দুস্টুমি করে বলসে(ইসস সব কিছু কি বলে দিতে হবে। বিয়ে হইসে এখন তো হানিমুনে জাইতে ইচ্ছা করবেই। এইটা তো সাভাবিক
নিজের যখন বিয়ে হইসিলো বিয়ের পরের দিনই তো হানিমুনে দৌড় দিসিলা। নিজের বেলায় ষোলো আনা আমার বেলায় জিরো আনা)
ভাইয়া-আচ্ছা ঠিকাছে। বাবা তোদের জন্য আজ বিকেলে লন্ডনের ফ্লাইট বুক করেছে।নাস্তা করে জামাকাপড় গুছানো শুরু করে দে।
রাফসান-ওকে ভাইয়া।
মনে মনে ইয়াহুউউউউউউ।
সবাই নাস্তা শেষ জার জার রুমে চলে গেলো।
আমিও আমার রুমে গিয়ে দেখি আমার লক্ষি বউটা কাপড় গুছাছে।
গিয়েই রাইসাকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরলাম।
রাইসা-আরে কি করছেন ছাড়ুন।
রাফসান-উম্ম একটু থাকতে দেও না এইভাবে।
বলেই রাইসাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম।ওই আমার তো আর তোর সইছে না।কখন যে হানিমুনে জাবো।
রাইসা-এই আপনার সরম লজ্জা কিছু নেই।সেদিন দেখলেন তো ভাবি আমাদের একসাথে ছাদে ওইভাবে দেখে কি মনে করলো।
রাফসান-কি মনে করবে। জা করছি নিজের বউয়ের সাথে করছি।অন্যর বউয়ের সাথে তো করি নাই।
রাইসা লজ্জায় চেহারা লাল হয়ে গেসে।
রাফসান-আচ্ছা রাইসা তুমি এতো লাজুক কেন বলো তো।
রাইসা- উনি কি বলছে উনার কথায় তো আমার আরো বেশি লজ্জা লাগছে।
রাইসা মাথা নিচু করে আছে।
রাফসান রাইসাকে সামনে ঘুরিয়ে নিলো।
রাফসান-জানো তোমার এই লাজুক চেহারা আমাকে কতো টানে।তোমাকে জতো দেখি ততই তোমার নেশায় পরি।বলেই রাফসান রাইসার ঠোঁট নিজের দখলে নেয়।
এভাবে অনেক্ষন থাকার পর রাফসান রাইসাকে ছেরে দেয়।দুজনেই হাপাচ্ছে।রাফসান আবার রাইসার ঠোঁটে ঠোঁট মিলাতে যাবে
রাইসা-এই না না।
রাফসানের মুখে হাত দিয়ে।
রাফসান হাল্কা দুস্টু হাসি
দিয়ে ওকে জাও সব ঘুছিয়ে নেও।বাকিটা হানিমুনে গিয়ে কমপ্লিট করবো।
রাফসান আর রাইসা বিকেলে গাড়িতে উঠতে যাবে।এমন সময় ভাবি রাফসানের কানে কানে বলছে।
ভাবি-এই যে দুষ্টু দেবর মশাই।হানিমুনি জাচ্ছো দুজন এতো তারাতারি আবার তিনজন হয়ে ফিরে এসো না।
রাফসান-সমস্যা নেই ভাবি প্রটেকশন নিয়ে নিসি।
ভাবি-দুর এই ছেলের সাথে কথায় পারা যাবে না।
রাফসান-কথায় পারো না তো আসো কেন লাগতে।
ভাবি-হ্যা জা ভাই জা আমার ঘাট হয়েছে তোর সাথে লাগতে এসে।
রাইসা আর রাফসান সবার থেকে বিদায় নিয়ে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্য রওনা দিলো।
রাফসান রাইসার হাত ধরে আছে।
রাইসা কিছু বলছে না।
রাফসান-রাইসা
রাইসা-হুম
রাফসান-একটু বলো না।
রাইসা-কি।
রাফসায়-ভালোবাসি
রাইসা-,,,,,,
রাফসান-বলো না।
রাইসা লজ্জায় মাথা নিচু করে আছে।
রাফসান- বলবে না তো।
রাফসান অভিমান করে রাইসার হাতের উপর থেকে হাত সরিয়ে নেয়।
রাইসা- ইস উনি কি রাগ করলো।নাহ উনাকে বলে দেওয়াটাই ভালো ছিলো।
রাইসা-এই সুনছেন।
রাফসান-,,,,,,
রাইসা-আচ্ছা সরি আর হবে না এখনি বলছি।এদিকে তাকান প্লিজ।
রাফসান রাইসার দিকে তাকালো
রাইসা- i lov........
চারোদিকে মানুষের ভির জমে গেছে।রাস্তায় রক্ত ছরিয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।বাসের সাথে ধাক্কা লেগে গাড়ির এক্সিডেন্ট হয়।
রাফসান চোখ বন্ধ হওয়ার আগে দেখলো রাইসার মাথার রক্ত ভরা আর রাইসা রাফসানের দিকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে।
........চলবে.......
(@বাকি পর্ব গুলো দিতে একটু লেইট হয়ে যেতে পারে তাই আগে থেকেই সবাইকে সরি বলে দিচ্ছি কেমন♥♥)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now