বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ডেঞ্জারাস♥বউ!
পর্ব-০৩
কাফি-চাচি আম্মু চাচু কেও একটা তুমু দাও।
রাফসান-হ্যা দাও আমাকেও একটা তুমু দাও।
ইস কি নির্লজ্জ উনি।আমার দিকে তাকিয়ে উনার ঠোঁট নারছে আর ইশারায় চুম্মু চাচ্ছে।
রাইসা-কাফি বাবা তুমি এখন আশা ফুফির কাছে জাও।
এরই মধ্যে আশার আগমন।
আশা-ফুফির কাছে জাওয়া লাগবে না ফুফি এসে গেছে।
রাফসান-ভালো করসিস জা কাফিকে নিয়ে জা তো।
আশা-আরেএ আমি কাফিকে নিতে জাবো কেন আমি তো আসছি ভাবি কে নিয়ে জেতে
রাফসান-(মনে মনে) দূর ভাবসিলাম এখন কিছু একটা পাবো তাও হাত ছাড়া হলো।
বৌভাতের অনুষ্ঠানটা অনেক দুমধাম করেই মিটে গেলো।প্রতিবেশি আন্টিরা রাইসাকে নানান ধরনের প্রশ্ন করছিলো। আগেই বলেছিলাম রাইসা
সরল সোজা মেয়ে।তাই তাদের প্রশ্নে ও একটু গাবরে গেছিলো।কিন্তু মা পুরোটা সামাল দিয়ে নেয়।
রাত ১২টার মতো বেজে আসছে।এখনো রাইসা রুমে আসেনি।রাইসার জন্য অপেক্ষা করছি
কিন্তু বউ তো আমার এখনো আসে না।
নিশ্চিত আমার কাজিন সয়তান গুলো ওকে আটকে রাখসে।বিছানায় হেলান দিয়ে ভাবছি আর লেপটপে ফেসবুকিং করছি।এমন সময় রাইসার রুমে প্রবেশ করলো কি যে ভালো লাগছে।
রাফসান-এতো দেরি করলে যে আসতে।
রাইসা-মিতু ওরা আটকে,,,
জেটা ভেবেছিলাম সেটাই আমার কাজিন গুলাকে কাল শিক্ষা দিতে হবে।
রাইসা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল গুচ্ছাছে। ওর দিকে তাকালেই নিজের প্রতি কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলি।পিছন থেকে গিয়ে রাইসাকে জড়িয়ে ধরলাম।
উনি আমাকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরারা সাথে সাথেই মনে হলো কেউ জেনো কারেন্টের শর্ক দিলো।
রাইসার পেটে হাত দিতেই রাইসা কেপে কেপে উঠছে।ওর গারে চুমু দিলাম ও আরো কেপে উঠলো।
গারে উনার ঠোঁটের স্পর্শ পেয়ে জানো পাথর হয়ে জাচ্ছিলাম।মুখ দিয়ে কিছু বের হছিলো না।রাইসাকে সামনে ঘুরিয়ে ওর অনেক কাছে ঠোঁট নিয়ে আসতেই ও চোখ বন্ধ করে নিলো
যখনি ওর ঠোঁটে আমার ঠোঁট মিলাতে জাবো তখনই রাইসা আমার মুখের উপর হাত দিয়ে করুন দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
রাইসা-প্লিজ।
বুজলাম আজকে ও অনেক ট্রায়ার্ড তাই কিছু বললাম না শুধু বললাম জাও ফ্রেস হয়ে ঘুমিয়ে পরো।
আমি বিছানার এক কোনায় সুয়ে আছি।রাইসা এসো ও সুয়ে পরলো।
ইসসস উনি মনে হয় রাগ করেছে। কি করবো। উনাকে কি জিজ্ঞেস করবো।খুব খারাপ লাগছে।উনি তো আমার জন্য অনেকক্ষন অপেক্ষা করলেন।ভাবতে ভাবতে জিজ্ঞেস করেই ফেললাম
রাইসা-আচ্ছা আপনি কি রাগ করেছেন।
আমার কথা সুনে উনি একটু মুচকি হাসি দিলেন।
রাইসা-সরি আসলে আমিইই...
বলতে না বলতেই উনি আমাকে এক টান দিয়ে উনার বুকে নিয়ে নিলেন।
আমি ওকে আমার বুকে নিতেই রাইসা লজ্জায় আমার বুকে মুক লুকালো।
রাফসান-জানো পৃথিবীতে বেশির ভাগ মানুষই তার ভালোবাসার মানুষকে পায় না।আমি অনেক লাকি। জাকে চেয়েছি তাকেই পেয়েছি।
রাইসা-হুম
রাফসান-জানো আজকালের মেয়েদের থেকে তুমি অনেক আলাদা।নম্র ভদ্র লাজুকও ভটে।কিন্তু সব থেকে বেশি তোমার সরলতা জার উপর আমি ক্রাস খেয়েছিলাম।
রাইসা-(মনে মনে)আগে শুনসিলাম মানুষ সুন্দর্যের উপর ক্রাস খায় এখন দেখি উনি সরলতার উপর ও ক্রাস খায়।কি অদ্ভুত
রাফসান-ওই কি ভাবছো।
রাইসা-কই কিছু না তো
রাফসান-আচ্ছা শুনো আমার কিন্তু অনেক গুলা বেবি লাগবে বুজসো।
রাইসা কথাটা শুনা মাত্রই আমার বুকের উপর থেকে মুখ উঠায়।
রাইসা-অনেকগুলো বেবি কেন দুইটা বেবি নিলেই তো হয়।
রাইসা মুখ থেকে এই কথা শুনে হা হা করে হেসে দিলাম।জাক আমার বউ তাহলে একটু কথা বলতে পারে।
রাইসা রীতিমতো অনেক লজ্জা পেয়ে আমার বুকে আবার মুক লুকালো।
রাইসা-(মনে মনে)দূর এটা কি করলাম।ইসস উনি এখন কি ভাববে।
অনেকক্ষন গল্প করার পর দুজনেই ঘুমিয়ে গেলাম।
রাইসাদের বাবার বাসায়...
দরজায় কলিং বেল বেজেই জাচ্ছে।
রাইসার মা-আরে আসছি আসছি একটু অপেক্ষা করো।
দরজা খুলতেই
জুনাইদ-আসসালামু ওয়ালাইকুম আন্টি।
রাইসার মা-ওয়ালাইকুম আসসালাম।
জুনাইদ-আন্টি আপুরর তো কোনো খবর...
বলতে না বলতেই রাইসার আম্মু দরজা লাগিয়ে দেয়।
♦.....চলবে....♦
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now