বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ডেঞ্জারাস♥বউ-২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Imran khan♥ (০ পয়েন্ট)

X ডেঞ্জারাস♥বউ পর্ব-০২ লেখক#ইমরান খান জুনাইদ-আপু কি আর কোনোদিন আমাদের চিনতে পারবে না,,,,, সকলে নাস্তার টেবিলে সবাই নাস্তা করছে।রাফসান রাইসার বিপরীত দিকে বসে নাস্তা করছে এমন সময় রাফসানের মাথায় সয়তানি বুদ্ধি চাপলো। রাফসান রাইসার পায়ের উপর পা দিয়ে সুসুরি দিতে থাকে। রাইসা চমকে উঠে।রাইসা রাফসানের দিকে তাকাতেই রাফসান দুস্টু চোখ মারলো। রাইসা তো লজ্জায় একাকার।রাইসা খাবার খাচ্ছে না।রাইসা পা জতই সরায় রাফসান ততই পা এগিয়ে দিয়ে দুস্টুমি করছে। মা-বৌমা কি হলো খাবার খাচ্ছো না যে। রাইসা-মা আমার আর খেতে ইচ্ছে করছে না। মা-লজ্জা পেও না খাবার খেয়ে নেও। রাইসা-না মা আমার খাওয়া শেষ। আয়শা(রাফসানের ছোট বোন)- ঠিকাছে ভাবি চলো তোমাকে আমাদের পুরো বাড়িটা ঘুরে দেখাই। আয়শা রাইসাকে নিয়ে চলো গেলো। রাফসান (মনে মনে)- দূর এতো তারাতারি চলে গেলো। সব আয়শার বাচ্চাটার জন্য এর মধ্যেই পাশের বাসার আন্টি এসে হাজির। -আরে ভাবি নাস্তা করছেন নাকি।একটু বসি বলেই দপাস করে বসে পরলো মুটকি মহিলা। ইনার বেপারে আগে থেকেই বলে রাখি ইনি মানুষের ক্ষুদ, সমলোচনা,আর পেচ লাগাতে বেশি ভালোই জানেন আর হে আমাদের বাড়িতে আসে গলা ভরে গিলতে নাহলে কিছু নিয়ে জেতে।আর ওনার মেয়েটাও তেমন গায়ে পরা -আরে রাফসান কোথায় জাচ্ছো রাফসান-রুমে আন্টি। -আরে একটু বসো না কথা বলি। রাফসান-না আন্টি আপনারাই কথা বলেন বলেই রাফসান চলে গেলো। -দেখসেন ভাবি একদিনেই কি পরিবর্তন। ছেলেটা মনে হয় বউয়ের নেওটা হয়ে গেসে।তা বউ তো মনে হয় রাগি হবে হয়তো। মা-আরে না ভাবি। বউ তো লাক্ষে একটা পাইসি।কথা খুব কম বলে। অনেক নম্র ভদ্র। -আমার মেয়ে সামিরাও তো নম্র ভদ্র জাই বলেন আমার মেয়ের মতো এক পিস মেয়েই পাবেন না। আয়শা রাইসাকে পুরো বাড়ি ঘুরে দেখাতে দেখাতে ছাদে নিয়ে গেলো।রাইসা ছাদে গিয়ে এক নজরে এলাকার বিল্ডিং গুলোকে দেখছে।রাইসার মাথায় কিছু একটা ঘুরপাক খাছে।ছাদে আসলে কেন জানি আমার এতো ভালো লাগে।মনে হয় অনেক কিছু রয়ে গেছে।অনেক সৃতি। সব কিছু ঘুলাটে মনে হয়।আহ আবার এইসব ভাবতেই মাথায় তীব্র ব্যথাটা আরাম্ভ করে। রাফসান রাইসাকে খুজতে খুজতে ছাদে চলে আসে দেখে রাইসা ছাদের এক কোনায় দাড়িয়ে আছে।আর আয়শা বসে ফোন টিপছে। রাফসান-কিরে এদিকে বসে বসে কি করছিস আয়শা- কই কিছু না তো। রাফসান-জা মা তোকে ডাকছে। আয়শা-মা ডাকছে নাকি ভাবির সাথে আলাদা টাইম কাটাতে চাস হি হি রাফসান-মারবো এক। বলতে না বলতেই আয়শা দিলো এক দৌড়। রাইসা দাড়িয়ে কিছু একটা ভাবছে। রাফসান গিয়ে রাইসাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো। রাফসানের স্পর্শে রাইসা বাস্তবে ফিরলো। রাইসা-আরে কি করছেন ছারুন। রাফসান-ওভাবে খাবার টেবিল থেকে চলে আসলে কেন। রাইসা- আপনিই তো বলেই থেমে গেলো। রাফসান-আমি কি। রাইসা লজ্জায় গাল লাল হয়ে চুপ হয়ে গেলো। রাফসান-বাবারে বাবা আমার বউ এতো লজ্জাবতি। রাইসা-ছারুন না প্লিজ। রাফসান-না ছারবো না। ভাবি-উহু উহু।এটা রোমান্সের জায়গা না।রোমান্স করতে হলে নিজেদের রুমে গিয়ে করুন। ভাবি কন্ঠ সোনার সাথে সাথেই রাইসা রাফসানে কাছে থেকে নিজেকে ছারিয়ে তারাহুরো করো ছাদ থেকে চলে গেলো। রাফসান-উফফ ভাবি তোমার আসার টাইমিং টা ভালো না।সকালেও ভালো টাইমে এসে রোমান্সটা নস্ট করে দিসিলা আবার এখন। ভাবি-তাই না।রাফসানের কানে ধরে। রাফসান-আরে ভাবি কি করছো ব্যথা পাচ্ছি তো। ছারো উহহ ভাবি-যেখানে সেখানে যে রোসামান্স আরাম্ভ করে দাও সেটা কেউ দেখলে কি ভাববে শুনি। রাফসান-আচ্ছা হলো তো বুজসি তুমি আমার রোমান্টিক সিনের ভিলেন। এবার কানটা ছারো ভাবি-হুম জাও কিছুক্ষন পর বৌভাত সবাই চলে আসবে তাই রেডি হয়ে নাও। রাফসান-দ্যাত এসব বৌভাতের কি ধরকার ডাইরেক্ট হানিমুনে পাঠিয়ে দিলেই তো পারো। ভাবি-হা হা হুম পাঠাবো জাও নিচে জাও রাফসান-ওয়াও রিয়েলি ভাবি কবে পাঠাবা হানিমুনে বলো না। ভাবি-কি নির্লজ্জ ছেলেরে বাবা নিজের হানিমুনের জন্য নিজেই আগে থেকে লাফালাফি করছে।সরম লজ্জা কিছু নেই। রাফসান-হুম কবে জাবো হানিমুনে এর মধেই কাফি(রাফসানের ভাতিজা)-আম্মু আম্মু আমিও হানিমুনে জাবো আমাকেও নিয়ে চলো রাফসান-কাফি আব্বু তুমি এদিকে আসলা কখন -আম্মুকে খুজতে খুজতে আসতি। ভাবি-চলো বাবা নিচে চলো। কাফি-না আগে বলো আমাকে কবে হানিমুনে নিয়ে দাবা। রাফসান কাফিকে কোলে নিয়ে হুম বাবা জাবা তুমিও বড় হলে আমার মতো হানিমুনে জাওয়ার জন্য পাগল হয়ে যাবে। ভাবি-দারা দেখাচ্ছি মজা।রাফসান জলদি কাফিকে কোলে নিয়ে রুমে চলে আসলো। এসে দেখে রাইসা সাজছে। রাফসান-কাফি আব্বু জাও এবার তুমি তোমার আব্বুর কাছে জাও। কাফি-না জাবো না আমি আমাল নতুন চাচি আম্মুর কাছে জাবো।বলেই রাইসার কোলে দৌড় দিয়ে উঠে বসে রাইসার গালে চুমু দিচ্ছে। রাইসাও কাফিকে জরিয়ে ধরলো। -চাচি আম্মু চাচি আম্মু আমাকে একটা তুমু দাও। রাইসা হালকা হেসে কাফির কপালে চুমু দিয়ে দিলো। রাফসান- এই যে কাফির চাচি আমাকেও একটা দিন না। কাফি-চাচু তোমালো তুমু চাই। রাফসান-হুম বাবা আমালো তুমু চাই।কিন্তু তোমার চাচি আম্মু তো আমাকে তুমু দিচ্ছে না। রাইসা রাফসানের কথা সুনে লজ্জায় মাথা নিচু করে রইলো। কাফি-চাচি আম্মু চাচু কেও একটা তুমু দিয়ে দাও। রাফসান-হ্যা দাও আমাকেও একটা তুমু দাও >>(গল্পেটা কেমন হচ্ছে জানাবে..ভালো না লাগলে বলবেন প্লিজ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ডেঞ্জারাস♥বউ-২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now