বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ওয়া চকিত প্রার্থনা, যৌথ আলিঙ্গন। আর আমিই তোমার বিস্তীর্ণতার নাম, আমিই সন্ধি, যোগাযোগে বসা বেসাতি কার্নিভ্যাল। আমাকে সুদিন দিয়ে তুমি হয়ে যাবে দাম্ভিক স্বরলিপি, বদলে ভাগ্যে হবে বারুদের অভ্যুত্থান।
আমি যাকে ভালোবাসি, তার কাহিনি রাতের মতো
পৃথিবী যে নিয়মে চলছে, সে ঠিক সে নিয়মে চলে না
তার ভাবনা অন্যরকম…কবীর সুমন
তাকে নিয়ে লিখতে চাই। হায়! লেখা হয় না। বলতে চাই কিভাবে তার ভাঙা মন আমার কথার আগুনে পোড়ে তবু পোড়ে না। আমি তাকে যত দূরে ঠেলি সে আমায় টানে তত কাছে। এইটুকু ব্যবধান দু’জনে পুষি তবু প্রশ্নে কিছু উত্তর লুকোনো আছে। আমি তার গল্প বলতে চাই শিশিরের প্রেমিকা ভোর মেয়েদের কানে কানে। কিন্তু গন্ধ আর আবেশ ভরা ফুলের ঝুড়িতে সেই ভোর আসে না। সে আসে। বারে বারে আসে। পুড়ে যাওয়া শরীর নিয়ে আসে। পুড়ে যাওয়া মন নিয়ে আসে। আমি কেমন করে শুধু কথা দিয়ে সেই ব্যথাতে আঙুল বুলাই?
কথায় ভেঙে যাওয়া পাথর তুমি নও। শব্দের পর শব্দ সাজানো পরিকল্পিত বেদনার গল্পও নও। নিজের কাছ থেকে পালিয়ে হৃদয়ের কোঠরে এসে মুখ লুকিয়ে থাকা অসম্ভব ক্ষুরধার এক প্রশ্নবোধক চিহ্ন তুমি। তোমাকে ফেরাবে এত সাহসী গোলাপ আমার বাগানে ফোটে না প্রিয়, কোনো ভুল ব্যবধানে।
তবু দেখো আমি ঠিক ঠিক আছি একই জায়গায়। আবিষ্কারের শেষ বিন্দু তুমি। তোমাতে আমার যে আত্মনিবেদন সেটা যদি ছবিতে আঁকতে পারতাম, ইশ! যদি পারতাম, আঁকতাম। আর একদিন অন্ধকারে তোমাকে বলতাম চোখ বন্ধ করে ‘দেখো তো চিনতে পারো কি-না?’। তুমি বলতে আমি অন্ধকারেই বেশি দেখি। তুমিতো আমায় আলোতেও দেখো না। আমি অপবাদ নিয়েও খুশি থাকতাম। বলতাম-অপবাদ দিলে খুশি হই। তোমার দেওয়া অপবাদের মর্যাদা দিতেও আমার ভালো লাগে। যেমন ভালো লাগে সুন্দরের কাছে শান্তভাবে ধ্বংস হতে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। আচ্ছা এটাতো কবিতা হতে পারে। পারে না?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now