বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্বিতীয় জনম -০৩

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X তিন এর চারদিন পরেই পারুল তার স্বামীর সাথে শশুর বাড়ি ফিরে আসে । স্বামী লোকটা বেশ ভাল । সব সময় পারুলকে সঙ্গ দেয় । পারুলকে নিয়ে এদিক সেদিক হাঁটাহাঁটি করতে যায় । পারুল বেশ অবাক হয়ে খেয়াল করে তার দুই হাতে আবছা হলুদ রঙয়ের নকশা দেখা যায়, এখনও পুরোটা মিলিয়ে যায়নি । আসে পাশের সব মানুষ তার সাথে খুব অদ্ভুত আচরন করে, কেউ একা তার সাথে বসতে চায় না । অনেকে আবার খুব আদর দেখায় । তবে পারুল খুব ভালমতই বুঝতে পারে তাদের চোখের তারায় আদিম ভয় খেলা করে । মাঝে মাঝে দুপুর বেলা পারুল সেই অচেনা ছেলেটাকে দেখতে পায় বাড়ির পাশের রাস্তায় । খালিগায়ে উদভ্রান্তের মত হাটাহাঁটি করে এদিক সেদিক । কাকে যেন খোঁজে । পারুল সারাদিন চুপচাপ বসে থাকে । মাঝে মাঝে বসা অবস্থাতেই ঘুমিয়ে যায় । শাশুড়ি আম্মা দুই তিনবার ‘লা ইলাহা ইল্লা আন্তা...’ পড়ে তার কাছে আসে । ভুলেও কেউ কখনও পারুলের মৃত্যুর প্রসঙ্গ আলোচনা করে না । পারুলও কারো কাছে জানতে চায় না । আগ্রহ নেই ! পারুল ধীরে ধীরে বুঝতে পারে তার কোন অনুভূতি নেই । রাতে লোকটা তার কাছে এসে কত মজার মজার কথা বলে, হাসানোর চেষ্টা করে । পারুল বোঝে না কখন হাসতে বা কাঁদতে হয় । মানুষের মুখের অভিব্যাক্তি নকল করে সে । এদিক থেকে চিন্তা করলে তার কোন ভয় নেই। মানুষ হাসির ঘটনা হলে কাঁদতে পারে না,আর কাঁদার ঘটনা ঘটলে হাসতে পারে না । তবে একটু অসুবিধা রয়েই গেছে, পারুল কাঁদলে তার চোখ দিয়ে পানি বের হয় না । চোখের পলক ও পড়ে না । শাশুড়ি আম্মা বিষয়টা খেয়াল করার পরই, সে কিছুক্ষন পর পর পলক ফেলার চেষ্টা করে । তাও এক চোখেরটা পড়ে আরেক চোখ খোলাই থেকে যায় অধিকাংশ সময়। পারুল লক্ষ্য করেছে তার আসে পাশে কোন জ্যান্ত প্রাণী ভিড়ে না । সে ঘরে ঢুকলে বিড়াল আতঙ্কিত হয়ে গরর শব্দ করে পালায় । বাড়ির আশেপাশে কোন কুকুরও ঘুর ঘুর করে না । কিন্তু সে যখন একা থাকে,একধরনের উইপোকা তার নাকের কাছে বনবন করে । কয়েকটা তো নাকের ফুটো দিয়েই ঢুকে যায় । অনেকটা মুর্দার মত ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দ্বিতীয় জনম -০৩

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now