বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পথটা যেখানে শেষ হল সেখানে সাদা রং করা কাঠের বেড়া। মাঝখানে গেট। দু’পাশে দুটো ইপিল ইপিল গাছ। তারপর লন। এক পাশে ফুলের গাছ। অন্য পাশে ছবির মতো সাদা রং করা কাঠের একটা বাংলো। একতলা আর দোতলায় বিদেশি স্টাইলের গরাদহীন জানালা। জানালার ফ্রেমের রং সবুজ। মনে হল রূপকথার রাজ্যে চলে এসেছি। বাংলোর পিছনের ঢালে সম্ভবত আদার খেত আর আনারস বাগান। বাংলোর সামনে একটা জিপ। মিলি খালা আমাকে দেখে এগিয়ে এল। বলল, এলি শেষ পর্যন্ত? আমি হাসলাম। ছোট খালু বললেন, মিলি তোমরা বসে কথা বল। আমি চট করে একবার বাজার থেকে ঘুরে আসি। বলে ছোট খালু জিপের দিকে এগিয়ে গেলেন। মিলি খালা বললেন, খরগোশ পেলে এনো কিন্তু। শান্তা খরগোশের মাংস খেতে চেয়েছে। ওকে। বলে ছোট খালু জিপে উঠে স্টার্ট নিয়ে চলে গেলেন। সূর্য ডুবতে এখনও অনেক দেরি । শেষবেলায় চারিদিকে যথেষ্ট আলো ছিল। আমরা লনেই বসলাম। বেতের চেয়ার পাতা ছিল। এলোমেলো ফুরফুরে বাতাস বইছিল। আকাশের রং বদলে যাচ্ছিল দ্রুত। একজন অল্পবয়েসি ছেলে এল। হাতে ট্রে। ট্রেতে চায়ের পট আর কাপ। ছেলেটির গড়ন ছোটখাটো , শরীর হলদে রঙের । গলায় সাদা শঙ্খের মাদুলি। ছেলেটির পরনে সবুজ রঙের সারং আর সাদা রঙের ফতুয়া। ছেলেটিকে রাখাইন বলে মনে হল। রামুতে রাখাইনদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। টেবিলের ওপর চা রেখে চলে গেল ছেলেটি। মিলি খালা ঝুঁকে চায়ের কাপ তুলে নিতে নিতে বলল, ওর নাম মং ছিং। ছেলেটা রাখাইন। বৌদ্ধ। বেশ বিশ্বস্ত। আর ধার্মিক। এথিন নামে এক তান্ত্রিক লামার শিষ্য মং ছিং ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now