বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কাজেই বললাম, চলেন, চা খাই। এথিন লামা রাজি। আমার সঙ্গে বেঞ্চিতে চা খেতে বসে। চা খাওয়া শেষ। বললাম, আজ আর সময় হবে না। কাল সকালের দিকে আপনার মঠে আসব। এথিন লামা মাথা নাড়ল। দাঁত বের করে হাসল। ঠিক তখনই দূর থেকে রাস্তার ওপারে ছোট খালু কে একটি কাকাও গাছের নীচে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম। আমি এথিন লামার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রাস্তা পার হয়ে ছোট খালুর কাছে যেতেই খালু আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। তারপর বললেন, আয়। ছোট খালু আগে চট্টগ্রামে মোটর পার্টসের ব্যবসা করতেন । তার আগে সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। এখন ওসব ছেড়ে গর্জনিয়ায় জমি কিনে আদা আর আনারস চাষ করছেন। ছোট টিলার ওপর বাংলো বাড়ি করেছেন। ছোট খালা-খালুর একটাই মেয়ে। সাদিয়া আপা আমেরিকায় পড়াশোনা করছে। বৌদ্ধ মঠের পাশ দিয়ে উঠে গেছে বাঁকানো লাল মাটির পথ। দু’ পাশে রেইনট্রি আর ইউক্যালিপটাস। শেষবেলায় অজস্র পাখি কিচিরমিচির করছে। একটা খরগোশ দৌড়ে রাস্তা পাড় হল। গাছ থেকে সরসর করে নেমে এল একটা কাঠবেড়ালী। আর ঝিঁঝির ডাকে কান পাতা দায়। চারিদিকে মনোরম আলো ছড়িয়ে আছে। গাছতলায় কেমন ছায়া- ছায়া। কী সুন্দর জায়গা। রোমেল কে মিস করছি। রোমেল আমার বন্ধু। একই কলেজ থেকে এবার এইচ এস সি দিয়েছি। রোমেলও গর্জনিয়া আসতে চেয়েছিল। হঠাৎ জ্বরে পড়ল বেচারা। পথটা যেখানে শেষ হল সেখানে সাদা রং করা কাঠের বেড়া। মাঝখানে গেট। দু’পাশে দুটো ইপিল ইপিল গাছ। তারপর লন। এক পাশে ফুলের গাছ। অন্য পাশে ছবির মতো সাদা রং করা কাঠের একটা বাংলো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now