বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
দাদুর বাড়ির ভূত????????
লেখক: মিফতাহুল আলম মুয়াজ
আমার দাদুর বাড়িতে আমার বড় ভাই ওয়াসি ভাই এবং ছোট ভাই সাভাব কে বেড়াতে নিয়ে এসেছি । আসার পরের দিন বড় ভাই ওয়াসি ভাই এবং ছোট ভাই সাভাব এর সাথে রাতে সিনেমা দেখে বাড়ি ফিরছিলাম। রাত আনুমানিক ১১:৩০। আমার মোবাইল এর টর্চ দিয়ে আমরা সবাই বাড়ি ফিরছিলাম। তো হঠাৎ আমার মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে গেল। এইটুকু বলে রাখছি, যে আমারদের বাড়িতে যেতে হলে বিশাল একটা মাঠ পার হয়ে যেতে হয়। মাঠের পাশেই বিশাল খাল।তো রাস্তা দিয়ে যেতে হলে মাঠঘুরে যেতে হয়। মানে দ্বিগুণ খাটুনি। তাই ওয়াসি ভাই আর সাভাব কে বলল্লাম মাঠের মাঝখান দিয়েই যাব ।আমরা ভয়ে ভয়ে মাঠটি পার হতে লাগলাম।মাঠের কোনায় ছিল একটি পরিত্যাক্ত কুঁড়েঘর। কথিত আছে ৮ বছর আগে ওইঘরে স্বামী স্ত্রী একসাথে খুন হয়েছিল।এবং মাঝে মাঝে ওই ঘরথেকে আলো দেখা যেত। যদিও ওইঘরে কারেন্ট এর ব্যবস্থা ছিল না!আমরা প্রায় মাঠের শেষের দিকে আসছিলাম।আর সেখানেই রয়েছে বড় বড় সুপারী গাছ।হঠাৎ আমি দেখলাম যে মাঝখানের গাছেরআঁগায় একটি মেছের কাঠির জ্বালিয়ে কেউযদি উপুর করে ধরে রাখে তাহলে যেমন শেপধারণ করে সেই রকম ভাবে আগুন জ্বলছে।তো আমি ভাবলাম কি না কি হয়েছে। সাভাব আমাকে বলল্ল যে, মোয়াজ ভাই দেখ ত ওটা কি। আমি আসলে বুঝেছিলাম যে আসলে ওটা কি। তবুও সাভাব ভয় পাবে বলে আমি বলল্লাম না যে ওটা আসলে কি...?? ওটা আসলে আগুন ছিল। যাতে সুপারি চুরি না হয়ে যায় তাই ওইরকমকরা হয়েছে।ঠিক মিনিট কয়েক পর কোথা থেকে যেনএকটি ঘোমটা পড়া মেয়ে এসে আমাদেরসামনের গাছের নিচে বসে বসে কাঁদতে লাগল।আমাদের এই অবস্থা দেখে মেয়েটারপ্রতি খুবই মায়া লাগল। তো ওয়াসি ভাই আর আমি মেয়েটার কাছে যেতে লাগলাম।সাভাব ভয়ে মেয়েটির কাছে গেল না ।আমি তখন ওয়াসি ভাই এর সামনে। কিন্তু মজারব্যাপার হল যে মেয়েটার যতইকাছে যাচ্ছি মেয়েটি ততই দূরে যাচ্ছে।মানে আমাদের মাঝখানের দূরত্ব আরকমে না। যেতে যেতে আমরা প্রায় ওইকুড়েঁ ঘরের কাছে এসে পড়লাম। আরমেয়েটি ঘরের ভেতরে গিয়ে মিলিয়ে গেল আরবিদ্যুৎ এর বিজলীর মতআলো জ্বলতে লাগলো। আমাদের আরবুঝতে বাকী রইল না যে আমাদেরসাথে কি ঘটতেছে।আমি, সাভাব আর ওয়াসি ভাই এ-ই রকম দৌড় দিলাম যে বলার মত না।প্রায় ১৫-২০মিনিট দৌড়ানোর পর আমরা আমার দাদুর বাড়িতে এসে পড়লাম । দাদা আমাদের খোঁজে বেড়িয়েছিলেন।তো দাদা দেখলেন যে আমার সাথে বেড়াতে আসা আমার ছোট ভাই সাভাব এর গরম করে জ্বর আসছে। তারপর আর কি। দাদা- দাদুকে সব কিছু আমিই খুলে বলল্লাম। অতপর আমরা সাভাবকে লবণ মেশানো গরমপানি দিয়ে গোসল করিয়ে কবিরাজ দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে ভাল করে তুলল্লাম। বাসায় এসে পড়লাম। প্রতি দিন সাভাবকে দেখতে যায় ।সে ওই ঘটানার পর জানি কেমন হয়ে গেসে। আগে সবসময় হাসিখুশি থাকত। আমার কাছে এই ঘটনাটির কোনব্যাখ্যা নেই। আপনাদের কাছে কি আছে।?????
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now