বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সিয়াম কালকের ডাব গুলো কিন্তু হেব্বি লাগছিলো খাইতে। কি বড় বড় ডাব দেখছিলি? ওর ভিতর পানিও যেমন আর শাস ও সেই রকম।
- শালা তুই তো খাইলি সেই রকম। আর যত কষ্ট হইছে সব আমার। তবে তুই ঠিকই বলেছিস ইফতি, ডাব গুলো আসলেই হেব্বি।
.
ইফতি আর সিয়াম ডাব নিয়ে কি যেনো বলতেছে, তার আগা মাথা আমি কিছুই বুঝতেছি না। শুধু বোকার মত ওদের কথা শুনেই যাচ্ছি। আমাকে এমন ভাবে থাকতে দেখে ইফতি বললো,
- কিরে ধ্রুব, এমন হা করে আছিস ক্যান?
- তোরা এই ডাব নিয়ে কি গল্প করতেছিস, সেটা আমি বোঝার চেষ্টা করতেছি।
- তুই বুঝবি না। আমরা কালকে একটা এ্যাডভেনঞ্চারে গেছিলাম। সেটা নিয়েই কথা বলতেছি।
.
আমি অবাক হয়ে বললাম,
- ডাব নিয়ে এ্যাডভেনঞ্চার? ডাব নিয়ে কি এ্যাডভেনঞ্চার দোস্ত?
.
পাশ থেকে সিয়াম বললো,
- এটা তোর মাথায় ঢুকবে না রে দোস্ত। তুই তো একটা ভিতুর ডিম। তুই যদি ভিতুর ডিম না হইতি, তাহলে তোরেও আমাদের সাথে নিতাম।
- সিয়াম একদম ভিতুর ডিম বলবি না।
- তুই ভিতুর ডিম নয়তো কি? আচ্ছা ধ্রুব তুই বল তো রাতে একদিনও আমাদের আড্ডায় আসিস তুই।
- আব্বা না আসতে দিলে কি করবো বল? আর তাছাড়া আমি আমার আব্বারে অনেক ভয় পাই। তার মানে এই না যে আমি ভিতুর ডিম।
- ওকে তুই কেমন সাহসি আজকে প্রমান হয়ে যাবে। আজকে রাতের মিশোনে আমাদের সাথে তুই থাকবি ওকে?
.
আমি রেগে গিয়ে বললাম,
- আচ্ছা ঠিক আছে থাকবো।
.
পাশ থেকে ইফতি বলে উঠলো,
- তুই কি পাগল হইছিস সিয়াম? ধ্রুবরে আমাদের সাথে নিলে আমাদের মিশোনের বারটা বেজে যাবে। তখন আমাদের অবস্থা কি হবে ভেবে দেখতো?
.
আমি সেই রকম একটা ভাব নিয়ে ইফতিরে বললাম,
- তুই আমারে কি মনে করিস ইফতি? তুই এখনো ধ্রুব রে চিনিস না। আমি কি করতে এটা তোরা জানিস না। আজকের রাতের মিশোনে আমি থাকছি দেখবি আজকের মিশোন সাক্সেসফুল হবেই।
.
সিয়াম বললো,
- আচ্ছা ইফতি থাকুক না আজকে ও। দেখা যাক কি করে।
.
ইফতি আর না করলো না। আমি থাকছি ওদের মিশোনে। কিন্তু ওদের মিশোনটা যে কি? সেটা আমি এখনো জানিনা। ওদের মিশোনটা জানার জন্য আমি বললাম,
- আচ্ছা দোস্ত এবার বল তো তোদের মিশোনটা কি?
সিয়াম বললো,
- শোন আমাদের মিশোনটা হচ্ছে খুব মহৎ।
.
মহৎ এর কথা শুনে খুব ভাল্লাগলো। যাক এতোদিন পরে একটা ভালো কাজের সুযোগ পাইছি। মিশোনটা যে করেই হোক সফল করতেই হবে। আমি উৎসুক হয়ে জানতে চাইলাম,
- তা সে মহৎ কাজটা কি? তাড়াতাড়ি বল? আমার যে আর দেরি সহ্য হচ্ছে না।
- আমাদের কাজ হচ্ছে, আমাদের এলাকার যত কিপ্টা মানুষ আছে। তাদের গাছ থেকে ডাব চুরি করে খাওয়া।
- ইইইইই। কি বলিস এটা মহৎ কাজ? তার মানে মিলন, সুমন রহিম এদের গাছ থেকে ডাব তোরা চুরি করছিস? আমি তোদের এই মহৎ কাজে নেই ভাই। আমার আব্বা জানতে পারলে আমার পিছনে দুইটা লাত্থী দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিবে।
.
পাশ থেকে ইফতি সিয়ামকে বললো,
- আমি বলেছিলাম, এই শালা ভিতুর ডিম রে নিস না। আর এখন যদি ও সবাইরে বলে দেয়, তাইলে কেলেংকারি হয়ে যাবে।
.
সিয়াম বললো,
- আরে ইফতি রেগে যাচ্ছিস ক্যান? ধ্রুব আমাদের সাথে আজকের মিশোনে থাকবে।
- আমি থাকবো না দোস্ত মাফ চাই। আর আমি তোদের ডাব চুরি করার কথা কাউকে বলুম না।
- আরে গাধা শোন, ওই শালার কিপ্টারা তো এমনি দুই একটা ডাব আমাদের খাইতে দিবো না। তাই ওদের একটা শিক্ষা দেওয়া উচিৎ না? আর এই ইয়াং বয়সে যদি এমন এ্যাডভেনঞ্চার না করতে পারি তাইলে কবে করবো? এখনই তো এই সব করার বয়স।
- না ভাই আমার এমন এ্যাডভেনঞ্চারের দরকার নাই।
- শালা আজকে রাতে করিম চাচার পুকুর পাড়ের গাছ থেকে ডাব চুরি করুম। আর তুই যদি না থাকিস তাইলে তোর খবর আছে।
.
শালারা এমন ভাবে পেচিয়ে ধরলো যে ইচ্ছা না থাকা সত্তেও ওদের সাথে আজকে যাইতে হবে। আরে ভাই আম চুরি করে খাইছি, পেয়ারা চুরি করে খাইছি, কুল চুরি করে খাইছি। তাই বলে কি ডাব চুরি করতে হবে? অবশ্য এসব চুরি করে খাওয়ার মাঝে একটা আলাদা মজা আছে। কিন্তু আমি তো আমার আব্বার ভয়ে কিছুই করতে পারেনা। আমি আমার আব্বাকে প্রচন্ড রকমের ভয় পাই। যদি কোনো ভাবে ডাব চুরি করতে যেয়ে ধরা খাই তাইলে আমার খবর করে দিবে। আগের দিন মুন্নাদের গাছের আম চুরি করে খাইছি। এটা শালার মুন্না আমার আব্বারে বইলা দিছে। আব্বা এটা শুনে রেগে গিয়ে আমারে দুই দিন না খাইয়ে রাখছে। ভাতের বদলে তিন বেলা কাঁচা আম খাইতে দেয়। সেই থেকে আমি আর এসবের মধ্যে থাকি না।
.
ওদের কাছ থেকে বাড়িতে চলে আসলাম। বাড়িতে এসে চিন্তা করতেছি কি করবো? যদি আজকে ডাব চুরি করতে যেয়ে ধরা খাই? আমার তো আবার লাক খারাপ। ক্যান যে মরতে রাজি হইছিলাম আল্লাহ। না আমি ওদের সাথে যাবো না। আমি দশটা বাজলেই ফোন অফ করে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লাম। ওরা ফোন দিলে যেনো আমাকে না পাই এজন্য ফোন অফ করে রাখা। টেনশোনে আমার ঘুম আসতেছে না। তখনই আমার জানালায় ঠক ঠক শব্দ হলো। আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না এই শব্দটা কিসের। শালার বজ্জাত ইফতি আর সিয়াম চলে এসেছে। সিয়াম আমার জানালার পাশ থেকে আস্তে করে ডেকে বলতেছে,
- ধ্রুব দোস্ত, আমি জানি তুই ঘুমাসনি। আমরা আজকের মিশোনে যাচ্ছিনা। তুই উঠে আয় তোর সাথে একটা কথা আছে।
.
কি মিশোনে যাচ্ছে না? আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আমি বললাম,
- খাড়া দোস্ত আমি আইতাছি।
.
আমি আনন্দের চোটে, খালি গায়েই চলে আসলাম। জাষ্ট লুঙ্গিটাই পরা আছে। ওদের কাছে যাইতেই ওরা দুইজনে আমাকে ধরে নিয়ে গেলো। হারামিরা মিথ্যা কথা বলেছে আমার সাথে। ওরা ঠিকই চুরি করবে আজকে। ইফতি বললো,
- শালা হারামি না আসার মতলব করছিলি। দোস্ত তোর এতো ভয় ক্যান?
- আমার আব্বার মত তোদের যদি একটা আব্বা থাকতো তাইলে বুঝতি ভয় ক্যান। আর এমন ভাবে ধরে আছিস ক্যান? আমি পালিয়ে যাচ্ছি নাকি?
- যদি যাস? তোরে নিয়ে তো আবার বিশ্বাস নেই।
- দোস্ত আমারে ছাড় আমি জামাটা গায়ে দিয়ে আসি?
- কোনো দরকার নাই। তুই শশুর বাড়িতে যাচ্ছিস না বুঝলি?
.
বুঝলাম এদের বলা আর না বলা সমান কথা। তবে এই গরমে খালি গায়ে এসে ভালোই হইছে। এই রাতের ফুরফুরে বাতাস গায়ে লাগতেছে, সেই রকম ভয় লাগতেছে। কিন্তু ভয় করতেছে ধরা খাওয়ার ভয়। আস্তে আস্তে করিম চাচার পুকুর পাড়ে চলে আসলাম আমরা তিন জন। ইফতি সিয়ামকে গাছে উঠতে বললো। গাছ বেশি বড় না ছোট ছোট গাছ। কিন্তু এই ছোট ছোট গাছে ডাব হইছে সেই রকম। সিয়াম গাছে উঠে এক কাধি ডাব পাড়লো। তাতে মনে হয় বিশটা মত ডাব হবে। ইফতি ডাব নিয়ে একটা ঝোপের আড়ালে রেখে আসলো। আমি আর সিয়াম নিরিবিলি হাটতেছি। আমার মনের মধ্যে শান্তি লাগতেছে এবার। যাক মিশোনটা ভালো ভাবেই শেষ হলো। আমি যখন মনে মনে এটা ভাবতেছি। তখনই কে যেনো চিৎকার করে বললো,
- ওই কে রে? খাড়া আইতাছি। ওই কে রে খাড়া আইতাছি।
.
এটা শুনেই আমি কোনো কিছু না ভেবেই দৌড় প্রতিযোগিতার মত, দৌড়াতে শুরু করলাম। সে কি দৌড়, আমি জীবনেও এমন দৌড়ায়নি। মনে হচ্ছে এই বুঝি আমাকে ধরে ফেলবে। আর আমার আব্বার কাছে নিয়ে যাবে। আমি পিছনে নাত তাকিয়েই ছুটতেছি। তখনই আমার মনে হলো, আমার লুঙ্গি কে যেনো আইটা ধরলো। আমি পিছনে না তাকিয়েই লুঙ্গি ছুটানোর চেষ্টা করতেছি। কিন্তু পারতেছিনা। এক সময় লুঙ্গি খুলে গেলো। আমি ভয়ে লুঙ্গি ফেলে রেখে আবার ছুটতে থাকি। ছুটতে ছুটতে শাম্মীদের বাড়ির কাছে চলে আসলাম। তখনই আমার নিচের দিকে নজর গেলো। ইস আল্লাহ আমি তো সেই ছোট বেলায় ফিরে গেছি। কিন্তু এই অবস্থায় আমি বাড়িতে যাবো কিভাবে? কেনো যে জামাটা আনলাম না? জামাটা আনলে জামা দিয়েই লজ্জা নিবরন করা যেতো। কিন্তু আমি এখন কি করি? পাশে তাকিয়ে দেখি কলা গাছ। আমি কলা গাছ থেকে বড় একটা পাতা ছিড়ে, সামনে ধরে রাখলাম। আর পিছনে ফাকা। আমার পিছনে বাতাস লেগে, কেমন যেনো ঠান্ডা ঠান্ডা লাগতেছে। ভাগ্য ভালো এখন রাত। দিনের বেলা হলে আমার যে কি অবস্থা হত আল্লাহ জানে।
.
এখন কিভাবে বাড়ি যাবো ভাবছি। এই অবস্থায় যদি আব্বা মা দেখে ফেলে, না জানি কি ভাববে আমার বিষয়ে। লজ্জায় মরে যাচ্ছি আমি। হঠাৎ আমার মনে পড়লো, আজকে বিকালে শাম্মীর আব্বা মা ওর নানা বাড়ি বেড়াতে গেছে। শাম্মি একা বাড়ি। যাই শাম্মীর কাছ থেকে ওর আব্বার একটা লুঙ্গী নিয়ে আসি। আমি শাম্মীদের বাড়িতে যেয়ে ওকে কয়েক বার ডাক দিলাম। শালি মনে হয় ঘুমাচ্ছে। আর দুই তিন বার ডাক দিতেই ও ঘর থেকে বেরিয়ে এলো। আমাকে এই অবস্থায় দেখে ও একটা চিৎকার দিলো। ওর চিৎকারের শব্দে আমার হাত থেকে, কলার পাতাটা ফসকে যাচ্ছিলো। ভাগ্যিস পড়ে যাইনি। পড়ে গেলে শাম্মির সামনে আমার ইজ্জতের বারটা বেজে যেতো। আমি বললাম,
- ওই হারামি চিৎকার করতেছিস ক্যান? মানুষ চলে আসবে তো।
- কিরে ধ্রুব তোর এই অবস্থা ক্যান? তোর লুঙ্গি কই? কারা লগে কি করতে গেছিলি রে হারামি?
.
শালি আমার ইজ্জতের উপর দোষারোপ করতেছে, ক্যামন ডা লাগে?
- পেত্নী এতো কথা না বলে তাড়াতাড়ি তোর আব্বার একটা লুঙ্গি দেই।
- দাড়া আনতেছি।
.
শাম্মী ওর আব্বার একটা লুঙ্গি এনে দিলো। তাড়াতাড়ি করে লুঙ্গিটা পরে নিলাম। লুঙ্গিটা পরে হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। যাক বাবা অবশেষে ইজ্জতটা বাঁচাতে সক্ষম হলাম। আমি শাম্মীর কাছ থেকে বাড়িতে চলে এলাম।
.
সকালে ঘুম ভাংলো শাম্মীর ডাকে। তাকিয়ে দেখি ওর হাতে আমার লুঙ্গি। আমি বললাম,
- শাম্মী তুই এই লুঙ্গি কই পাইছিস?
- সকালে উঠে একটু হাটতে হাটতে করিম চাচার পুকুর পাড়ের দিকে গেছিলাম। যাইতে যাইতে দেখি, বড়ই গাছের কাটার সাথে এই লুঙ্গিটা জড়ানো। তখনই লুঙ্গি দেখে মনে পড়লো তোর কলা পাতার রহস্যটা। ঐটা দেখেই বুঝতে পারলাম তোরই লুঙ্গি। তার কিছু দুর যেয়ে দেখি অনেক গুলো ডাব পড়ে আছে। তখনই বুঝলাম তোরা ডাব চুরি করতে গেছিলি।
.
ইস রে আমার লুঙ্গি বরই গাছের কাটার সাথে আটকে গেছিলো? আমি ভাবছি হয়তো আমার লুঙ্গি করিম চাচা ধরে রেখেছে। একটু পিছু ফিরে যদি তাকাতাম তাহলে কি আর এই লজ্জায় পড়তে হত আমার? শাম্মি আবার বললো,
- তা তোরা এমন ডাব লুঙ্গি ফেলে দৌড়ালি ক্যান?
- আর বলিস না, শালার কিপ্টা করিম বুঝতে পেরে গেছিলো, আমরা ডাব চুরি করতেছি। আমাদেরকে বলে ওই কেডা রে খাড়া আইতাছি।
.
আমার কথা শুনে শাম্মী হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়তেছে। তারপর বলে,
- আরে হাদারাম, ঐটা তো করিম চাচা না। ঐটা তো মজনু পাগল। ক্যান তোরা জানিস না? রাতের বেলা মজনু পাগল চিৎকার করে বলে, ওই কেডা রে, খাড়া আইতাছি।
.
আসলেই তো। আমরা তো ভয়ে ভুলেই গেছিলাম মজনু পাগলের কথা। শালা তো রাতের বেলা হুদায় চিৎকার করে ঐ রকম করে বকে। ইচ্ছা করতেছে শালা রে..... যাই হোক আমি আর জীবনেও রাতের বেলা এই সব চুরি করতে যাবো না। এ্যাডভেনঞ্চারের আমার দরকার নেই। শাম্মী বললো,
- তোরা ফ্রেশ হয়ে আমাদের বাড়িতে চলে আসিস। তোদের ডাব গুলো আমি আমাদের বাড়িতে এনে রাখছি। এসে খেয়ে যাস।
.
আমি শাম্মীকে জড়িয়ে ধরে ওর গালে একটা চুমু দিয়ে বললাম,
- থ্যাংকু দোস্ত।
.
শাম্মী বললো,
- ধ্রুব কানে কানে একটা কথা শোন?
- হুম বল।
- কচু পাতা ড্রেসে তোরে কিন্তু হেব্বি লাগছিলো।
- হারামি যা ভাগ পেত্নী।
- হিহিহিহি।
.
শাম্মী চলে গেলো আমার রুম থেকে। আর আমি ভাবছি মজনু পাগলের কথা। শালা মজনু পাগল ক্যান যে চিৎকার দিলি? সাথে আমার ইজ্জতের দফারফা করলি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now