বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাইটারঃতামিম
আমি গত পর্বে আমি ৫০ তম মনিষীর জীবনী নিয়ে কিছু বলেছিলাম।আজ ৪৯ তম বিখ্যাত মনীষীর জীবনী নিয়ে যতটুকু লেখা যায় ততটুকুই লেখার চেষ্টা থাকবে ইনশাআল্লাহ।
------------------------------------------
মাইকেলেঞ্জেলো
তার পুরো নাম মাইকেলেঞ্জেলো বুয়োনারতি।পিতার নাম লোদভিকা।তার জন্ম হয় ১৪৭৫ সালে ফ্লোরেন্স এ ।তার জন্ম এর পর তার মা গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার ৬ বছর বয়সে তার মা মৃত্যুবরন করেন।তারপর তিনি ১০ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হন।তার বাবার ইচ্ছে ছেলে পড়াশোনা শেষ করে ব্যাবসা করবে কিন্তু ছেলের ইচ্ছে হলো ছবি আকা। তার পাড়ার একজনের কাছ থেকে সে ছবি আকা শেখে ।কিন্তু তার বাবা তা কোনভাবেই মেনে নেবেন না। তারপর ছেলের অদম্য ইচ্ছের কাছে বাব হার মানলেন।স্কুলেের পড়া শেষ হলো না তিনি ভর্তি হলেন গিরলানদাই এর স্টুডিও তে শুরু করলেন ছবি আকা।
বেশ কয়েকমাস কেটে গেল সাধারনত তিনি ঘুরতে পছন্দ করতেন ।তেমনি একদিন ঘুরতে ঘুরতে তিনি এক রাজপ্রসাদের সামনে গিয়ে থমকে দাড়ালেন কারন সেখানে একটি মুর্তি দেখে অবাক হয়েগিয়েছিলেন।তা দেখে তিনি তার সিদ্ধান্ত বদলে ফেললেন তিনি ভর্তি হলেন ভাস্করদের স্কুলে। তখন তিনি মাত্র তিনদিন পরিশ্রম করে একটি ভাস্কর তৈরি করেন।সেই মূর্তিটি র অর্ধেক ছিল দেখতে মানুষের মত এবং বাকী অর্ধেক ছিল দেখতে পশুর মত।তিনি সেটি সেখানকার বিখ্যাত জায়গা সাকলাপচার গার্ডেন এ প্রদর্শন করেন।তখনকার ফ্লোরেন্স এ গনরাষ্ট্রের এর প্রধান মেদিচ তা দেখে অবাক হয়ে যায় তার কাছে এটি জীবন্ত কোনো বস্তু মনে হয়েছিল।তখন মেদিচ তাদেরকে নিজ প্রসাদে সপরিবারে বসবাস করার অনুমতি দেন।সেখানে থেকে তিনি তার চর্চার বেশি সুযোগ পাননি।কারন তার কিছু দিন পর মেদিচি মারা গেলেন এবং তার ছেলে পিতার জায়গায় বসলেন।কিন্তু তখন মেদিচি দের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিদ্রোহ তৈরি হতে থাকে তাই তখন তিনি ভাবলেন এখানে আর থাকা সম্ভব নয় তাই তিনি ফ্লোরেন্স থেকে বেলেনায় চলে গেলেন কিন্তু সেখানে টিকতে পারলেন না ফিরে আসলেন এবং তৈরি করলেন দুটি ভাস্কর "মেডোনা&সেন্ট এর যুদ্ধ" যা তাকে অন্যতম জায়গাশ অধিষ্ঠিত করে।তারপর যখন তার কাছে আর ভাস্কর বানানোর মত খরচ ছিলো না যতটুকু ছিল ততটুকু দিয়েই কিনলেন আরো একটি পাথর কিনলেন তৈরি করলেন ভাস্করর্য যার নাম হলো "কিউপিড" এই ভাস্করটি এমন ছিল যে ছোট্ট একটি শিশু কিন্তু তার হাসি পুরো মুখে ছড়িয়ে পড়েছে।মাইকেল এর ভাগ্য সুপ্রসনন্য ছিল কারন তখনই তার দেখা হয় ধনাট্য লোক গ গাল্লিএর সাথে যে তার মূর্তি দেখে আনন্দেে কেদে দিলেন এবং তাকে ৭৫ ডকুট পুরষ্কার দিলেন।তিনি তাকে তার বাগানবাড়িতে আশ্রয় দিলেন এবং তার সব ব্যায়ভার তিনি বহন করবেন।এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মাইকেলকে তৈরি করলেন "ডেভিড" ।যা দেখে পুরা বিশ্ব অবাক হয়ে যায়।এবং বিভিন্ন দেশ থেকে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হতে থাকে।তিনি এমন পরিশ্রম করতেন যে খাওয়ার কথা ভুলে কখন রাত কখন দিন এটাও মাঝে মাঝে ভুলে যেতেন।এবং মাঝে মাঝে কাজ করতে করতে অজ্ঞান হয়ে যেতেন। তারপর আবার যখন জ্ঞান ফিরত আবার কাজে লেগে যেতেন।এমনিভাবে অসংখ্য ভাস্কর তৈরি করে মানুষের মনে &পৃথিবীর বুকে জায়গা করে নেয়।
এই মহামনষী মৃত্যুবরন করেন ১৫৬৪সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি।
------------------------------------------
সবাই ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন।
আজ এ পর্যনতই
"আল্লাহ হাফেজ"
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now