বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্যা ফিফটি(৩)

"শিক্ষা উপকরন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান TAMIM (০ পয়েন্ট)

X রাইটারঃ তামিম আজ একটু বেশি দেওয়ার চেষ্টা থাকবে ইনশাআল্লাহ।ত কথা না বাড়িয়ে শুরু করছি। ------------------------------------------ ২য় পর্বের পর থেকে হযরত মুহাম্মদ (স.) মাতা আমেনা মারা যাওয়ার পর থেকে উনার দায়িত্ব অর্পিত হয় ক্রমানয়ে দাদা আবদুল মুত্তালিব এবং চাচা আবু তালিবের উপর।ছোট বেলা থেকেই তিনি ছিলেন সত্যবাদী,পরোপকা, আমানতদারী যার কারনে কাফেররা তাকে আল-আমীন উপাধীতে ভূষিত করে।তৎকালীন আরবে বিশৃঙ্খলা যুদ্ধ-বিগ্রহ ছিল নৈমিত্তিক ব্যাপার।তেমনি হরবে ফুজজার এই যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে উনার অন্তর ব্যাথিত হয়ে উঠে।মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি চাচা হযরত যুবায়ের রা. কে সাথে নিয়ে এবং আরো কয়েকজন যুবককে সাথে নিয়ে গঠন করেন হিলফুল ফুজুল।এই সংগঠনের মূল কাজ ছিলো অত্যাচারিতদের সাহায্য করা। আস্তে আস্তে তিনি বড় হতে থাকেন।যুবক বয়সে হযরত মুহাম্মদ স. এর আচারনে মুগ্ধ হয়ে তখনকার আরবের ধনাট্য ও বিধবা মহিলা বিবি খাদিজা রা. উনাকে বিবাহের প্রসতাব দেন ।তখন বিশ্বনবীর বয়স ২৫ বছর এবং খাদেজা রা. এর বয়স ৪০ বছর।এবং বিশ্বনবী সেই প্রসতাবে রাজী হয়ে যান এবং তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এত বছরের পার্থক্য থাকার জন্যও তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র ভালোবাসার কমতি ছিলো না ।বিবাহের পর বিবি খাদিজা রা. তার সমস্ত সম্পদ হযরত মুহাম্মদ স. কে দিয়ে দেন এবং তিনি তা অকাতরে গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দেন । যখন আরবেেের মধ্যে অত্যাচার ও নির্মমতা বৃদ্ধিি পেতে থাকে তিনি তা দেখে অনেক ব্যাথিত মন নিয়ে হেরা গুহায় ধ্যান মগ্ন থাকত।এবং বিবি খাদিজা ও স্বামীর মহত্ত্ব ও মহৎ প্রতিভা বুঝতে পেরে উনাকে কখনো বাধা প্রদান করতেন না ।সুদীর্ঘ ২৩ বছর ধ্যান মগ্ন থাকার পর ৪০ বছর বয়সে বিশ্বনবী নবুয়্যত লাভ করেন।প্রথম যেদিন নবুয়্যত তিনি লাভ করেছিলেন সেদিন মহান আল্লাহ তায়ালা সূরা আলাকের প্রথম ৫ টি আয়াত নাযিল করেছিলেন।তারপর বিভিন্ন ঘটনা ও প্রয়োজন অনুসারে উনার উপর ৩০ পারা কুরআন নাযিল করেন মহান আল্লাহ তায়ালা। নবুয়্যত প্রাপতির প্রথম ৩ বছর তিনি গোপনে ইসলাম প্রচার করেন। এবং সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহন করেন বিবি খাদিজা। তারপর তিনি আল্লাহ তায়া’লার নির্দেশে প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার শুরু করেন।যখন তিনি প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার শুরু করেন তখন থেকেই তিনি বিভিন্ন অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হতে শুরু করেন। কাফের - মুশরিকরা তাকে বিভিন্ন ভাবে তাকে এই ইসলামের পথ থেকে সরানোর চেষ্টা করেন।কিন্তু তিনি তাদের কড়া জবাব দিয়ে বলেন,"আমার ডান হাতে সূর্য এবং বাম হাতে চাদ দিলেও আমি আমার এ সত্য প্রচার থেকে বিরত হব না"কাফিরদের লোভ লালসা মহানবীকে এই সত্য থেকে বিন্দু মাত্র সরে দাড়াতে পারেনি। যখন কাফেরদের অত্যাচার প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পায় তখন আল্লাহর নির্দেশে ৬২২ খ্রিষটাবদে মদীনায় হিজরত করেন।এবং সেখানে গিয়ে ইসলামী আন্দোলনেেের উপযুক্ত জায়গা গড়ে তুলেন।এবং মদীনা বাসীরা মহানবি স. কে সাদরে গ্রহন করেন।এবং মদীনায় এসে তিনি ইসলামীী রাষ্ট্র গঠনে আত্মানিয়োগ করেন।এবং তিনিই মদীনায় গিয়ে সর্বপ্রথম ইসলামীী রাষ্ট্র গঠন করার সিদ্ধান্ত ওপ্রথম মসজিদ নির্মান করেন।তিনি বিভিন্ন গোত্রওধর্মের মধ্যে বিভেদ সমস্যা সমাধানের জন্য মদিনা সনদ নামে একটি সনদ প্রকাশ করেন। তারপর কাফেরদের অত্যাচারের মাত্রা বাড়তে থাকলে তিনি তাদের বিরুদ্ধে তলোয়ার তুলতে বাধ্য হয়েছিলেন। এ যুদ্ধগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল বদর,উহুদ,খন্দক সহ আরো অনেক যুদ্ধ যেগুলোর প্রায় সবগুলোতেই ইসলামের জয় ঘটে।বিশ্বনবী ২৭ টি যুদ্ধেে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৬২৭ খ্রিষটাবদে তিনি কাফেরদের সাথে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন যা হুদাইবিয়ার সন্ধি নামে পরিচিত। অবশেষে ৮ ম হিজরিতে বিনা রক্তপাতে তিনি মক্কা জয় করেন।এবং ৬৩১ খ্রিষটাবদে তিনি ১,১৪,০০০ সাহাবীর সাথে নিয়ে বিদায় হজ পালন করেন এবং আরাফাত ময়দানে দাড়িয়ে তিনি বিদায় হজ্বেেের ভাষন দেন অবশেষে ৬৩২ খ্রিষটাবদে এই মহানায়ক মৃত্যুবরন করেন ------------------------------------------ চলবে "আল্লাহ হাফেজ"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দ্যা ফিফটি(৩)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now