বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
চট্টগ্রামে সাধারণত মানুষ তখন যায় যখন তাদের যাত্রা পথ হল ঢাকা থেকে টেকনাফ বা সেন্ট মার্টিন’স আইল্যান্ড। আর যাওয়ার পথে বিশ্রাম নেয়ার জন্যেই অনেকে চট্টগ্রাম যেয়ে থাকেন। তবে চট্টগ্রাম শহরে এমন অনেক খাবারের হোটেল আছে, যেখানের বিশেষ কিছু খাবার না খেলে আপনার জীবনটাই বৃথা মনে হবে। জেনে নিতে পারেন, পরবর্তীতে চট্টগ্রাম গেলে কোন কোন খাবার অবশ্যই খাবেন। উল্লেখ্য, রেস্তোরাগুলোর ঠিকানা জানতে হলে চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের কাছ থেকে সঠিক ঠিকানা জেনে নেয়াটা ভাল।
দ্য প্যাভিলিয়ন গ্র্যান্ড পার্ক হোটেল- চট্টগ্রামবাসীরা এই হোটেলের ব্যুফে সম্পর্কে বলে থাকেন। এইখানে ব্যুফেতে খরচ একটু বেশি, তবে এখানে আপনার পছন্দের খাবারের সব পাবেন বলে আশা করা যায়। ফ্রাইড রাইস, পোলাও, বিরিয়ানি, চাওমিন—সব পাবেন এই ব্যুফেতে। এছাড়াও পাবেন শুকনা এবং ঝোল বা সস যুক্ত কারি। তবে শুধু এগুলো খেয়েই পেট ভরাবেন না—কারণ বিভিন্ন ধরনের ডেজার্ট থাকে ব্যুফেতে, পুডিং থেকে শুরু করে ফিরনি পর্যন্ত। ছিমছাম পরিবেশে খাবার খেতে চাইলে এখানে যাওয়া চাই-ই চাই।
হোটেল জামান- এই হোটেল চট্টগ্রামের অনেক প্রখ্যাত হোটেলগুলোর মধ্যে থেকে একটি। জামানের বিরিয়ানি যেমন প্রচলিত, তার চেয়েও বেশি প্রচলিত হচ্ছে এখানের মেজবানির গরুর মাংস। চট্টগ্রামের মানুষ যেকোনো উপলক্ষ উদযাপন করে মেজবানের মাধ্যমে—তা সে হোক জন্ম, মৃত্যু বা বিষয় সম্পত্তির উন্নতি। এই মেজবানি মাংসের সেরাটি বোধহয় পাওয়া যায় জামান হোটেলে। তবে এই তরকারি দিয়ে সাদা ভাত না খেতে ইচ্ছে করলে এখানের বিরিয়ানি চেখে দেখা যেতেই পারে। তবে বলে রাখি, চট্টগ্রামের মানুষ অনেক ঝাল খেতে পারেন, তাই আপনার অভ্যাস না থাকলে বাবুর্চিকে আগে থেকে বলে রাখতে পারেন।
ওয়েল পার্ক রেসিডেন্স, বুটিক হোটেল অ্যান্ড স্যুইটস- এই হোটেলর সবচেয়ে মনোরম ব্যাপার হল এটি রুফটপ রেস্তোরা। ছাদের উপরে লন চেয়ার এবং টেবিল দিয়ে সাজানো ছাদে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা বেশ ভাল। বেশির ভাগ সময় দেখবেন ফুরফুরে বাতাস আসছে, আর আশেপাশে তাকালেই দেখতে পারবেন চট্টগ্রাম শহরের সুন্দর দৃশ্য। সকালের নাশতা এখানেই সবচেয়ে ভাল পাওয়া যায়। একটু বেশি দাম পড়লেও এই হোটেলের অন্দরসজ্জা দেখে খেতে যাওয়ার জন্য একবার অন্তত এখানে যাওয়া-ই যায়।
এছাড়াও ছোট-বড় বিভিন্ন খাবারের হোটেল বা রেস্তোরা আছে যেগুলোর খাবার চট্টগ্রামে প্রসিদ্ধ। নেভাল হেডকোয়ার্টারে পাবেন সুস্বাদু কাঁকড়া, ক্যাফে ৮৮ এ পাবেন মজাদার কুলফি, লিবার্টির ফালুদা, মালঞ্চ-এর মোটা জিলাপী, কলিজা সিঙ্গারা এবং পনির সমুচা, বনফুলের বাকরখানি, সাধু মিষ্টি ভান্ডারের গরম মিষ্টি, চট্টগ্রাম ভার্সিটির ঢাকা হোটেলের ডাল এবং ঝাল গরুর মাংস—ইত্যাদি অনেক লোভনীয় খাবার পেয়ে যাবেন সহজেই। তাই যদি এর মধ্যে চট্টগ্রামে যান, তাহলে এগুলো খাবারের যতগুলো সম্ভব খেয়ে দেখবেন অবশ্যই!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now