বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এদিকে আমাদের প্লান ছিল ষাটগম্বুজ মসজিদে যাওয়ারও। কিন্তু ৫ টার পর নাকি গিলেতলা বন্ধ হয়ে যায়। তাই রাস্তা থেকেই ষাটগম্বুজ মসজিদ দেখলাম। যেতে যেতে আমরা গিলেতলাতে পৌঁছে গেলাম সন্ধ্যা ৬ টার দিকে । আসলে গিলেতলায় চিড়িয়াখানা আর শিশুপার্ক দুটোই আছে। ৫ টার পর শিশুপার্ক বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু চিড়িয়াখানা খোলাই থাকে। মাথাপিচু ৩০ টাকা করে টিকিট কেটে আমরা গিলেতলার চিড়িয়াখানায় ঢুকলাম। সেখানে নানা পাখির নানা আওয়াজে চারপাশ মুখোরিত। বড় বড় খাচাতে রয়েছে পাখি গুলো। ঘুঘু, কবুতর,ময়ূর,মদনটাক,হাড়গিলে, বক,সারস,সহ আরো বেশ কয়েক প্রজাতির পাখি। সবথেকে অবাক হয়েছিলাম উটপাখি দেখে। আগে কখনো আমি উটপাখি দেখি নি। গায়ে যেন কম্বল জড়ানো। তখন মনে হচ্ছিলো ফুটবলের মতো এক একটা ডিম এই পাখির সত্যিই মানায়। পশুর মধ্যে বানরের কাজকর্ম তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। একটা বানর আর একটা বানরের মাথার উকুন কাড়ছিলো। সব লোকেরা এই ছবিটা বেশি বেশি করে তুলেছিলো। আমিও তুলেছিলাম। বাঘ দেখার জন্য মানুষ খুব ভিড় করছিলো।কিন্তু ডাবল খাঁচা আর দেয়াল পেরিয়ে ভালো একটা দেখা যাচ্ছিলো না। তাছাড়া সাপ, কুমির হরিণ, বিদেশি কুকুর সহ আরো নানা প্রাণীও ছিলো । চিড়িয়াখানায় ঢোকার রাস্তা ছাড়াও আর একটা রাস্তা ছিলো যেদিক দিয়ে একবার বের হলে আর ভেতরে ঢোকা যাবে না। আমরা ঘুরতে ঘুরতে সেই দরজা পার হয়ে গেলাম। পরে দেখলাম পাশে লেখা আছে একবার বের হলে প্রবেশ নিষেধ। আমরা আবার তাড়াতাড়ি যেতে চাইলে গেটম্যান যেতে দিলো না। যাইহোক যেই গেট দিয়ে আমরা বেরিয়েছিলাম সেখানে একটা রাস্তা ছিলো। যার ওপাশে অনেক দোকানপাট।আমরা একটা দোকান থেকে ঝালমুড়ি কিনে খেলাম। এখানে এসে আমাদের অন্যসব লোকও জমা হলো। সবাই মিলে বেশ মজা করলাম। তারপর গাড়িতে উঠতে হবে সবাইকে ডাকছিলো। আমরা পাশের দোকান থেকে একটা মিরিন্ডা কিনে গাড়িতে উঠে পড়লাম।সবাই এলে রাত প্রায় ৮ টার দিকে গাড়ি ছাড়লো। সিটে বসে ভাবতে লাগলাম সারা দিনের কথা। ভীষণ ক্লান্ত বোধ করছিলাম। ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রাত প্রায় ১১ টার দিকে বাড়ি ফিরলাম। দিনটাতো চলেই গেলো কিন্তু রেখে গেলো আনন্দের এক অপূর্ব স্মৃতি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now