বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমরা সাড়ে তিনটার দিকে খান জাহান আলীর মাজারে গেলাম।গাড়ি থামতেই জানালা দিয়ে দেখি লোকে লোকারনণ্য। এমন জায়গাতে সাবধানে চলতে হবে। আমি আর আম্মু একা একা না গিয়ে আমাদের পাশের বাড়ির লোকদের সাথে গেলাম। মাজারে যেতে কিছু পথ হেটে যেতে হয়। সেই পথের দু ধারে নানা রকম দোকানের সমাহার। সেগুলো দেখতে দেখতে আমরা মাজারের প্রধান দরজার সামনে আসলাম। এখানে নাকি পাগল বেশী ভন্ড লোকের অভাব নেই। ব্যাগ ও অন্যান্য জিনিসপত্র সাবধানে রেখে চললাম। সেখানে আছে বিরাট বড় একটা দিঘী। দিঘীর পানিতে হালকা বাতাসের ঢেউগুলো খুবই ভালো লাগছিলো। এই দিঘীতে আছে কুমির। আগে কালাপাহাড় আর ধলাপাহাড় নামের দুটো কুমির ছিলো। এখন অবশ্য তারা নেই। তাদের বাচ্চারা আছে। কেউ মাজারে হাস মুরগি কিছু মানত করলে এখানে ছেড়ে দেয়। আর কুমির এসে সেগুলো খায়। আগে কুমিরগুলো মানুষকে কামড়াতো না। এখন নাকি কামড়ায়। এর কারন আগে মানতের সব হাস মুরগিই কুমিরদের দেওয়া হতো আর এখন নাকি সেগুলো সব খাদেমরা বিক্রি করে দেয়।তাই কুমিররা্ও থাকে ক্ষুধার্ত আর মানুষকেতো কামড়াবেই। সে যাই হোক আমরা দিঘীর পানিতে হাত মুখ ধুয়ে নিলাম। তারপর মাজারে প্রবেশ করে দোয়া করলাম। পরে মাজার থেকে বেরোলে আমাদের একজন খবর দিলো গাড়ি ছাড়বে তাড়াতাড়ি যেতে। আমরা আবার গাড়ির কাছে যেতে লাগলাম। দোকান থেকে তাবারক আর নাড়ু কিনেছিলাম। পরে গাড়িতে উঠলে গাড়ি ছাড়লো গিলেতলার উদ্দেশ্যে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now