বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
"গফুর মিয়া এই শহরের একজন দুধ
বিক্রেতা। তিনি চিকন বুদ্ধির
বাঙালি, তাই ১০ লিটার দুধে ৫
লিটার পানি মিশিয়ে ১৫ লিটার
করলেন। সামান্য বুদ্ধিতে পাক্কা
পাঁ-চ লিটার লাভ!! খুশিতে চোখ
চকচক করে ওঠে তার।
,,
দুধ বিক্রির টাকা পকেটে নিয়ে
তিনি চাল কিনতে যান সাবু মুদির
দোকানে। সাবু মুদি তাকে 'অতি
উত্তম চাউল', 'এরকম চাউল কোথাও
পাইবেন না' ইত্যাদি বলে শেষে
পাথর মেশানো চাল বিক্রি করে।
ওজনেও আধা কেজি কম দেয়।'কত
লাভ করে ফেললাম' ভেবে বেজায়
খুশি সাবু মুদি লাভের টাকা নিয়ে
বাজারে যায় মাছ কিনতে।
,,
মাছ বিক্রেতা সুরুজ মিয়া তাকে
ফরমালিন মেশানো পচা মাছ
ধরিয়ে দেয় কেনা দামের দ্বিগুন
মূল্যে। তার লাভ করতে হবে না?
, , ,
কিছুক্ষণ পরে সুরুজ মিয়ার কাছে খবর
আসে, তার ছেলেটা এক্সিডেন্ট
করেছে। দ্রুত সে তার ছেলেকে
হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালের
একজন ধান্দাবাজ দালাল 'ভালো
চিকিৎসা' র ব্যবস্থা করে দেবার
কথা বলে ভংচং বুঝিয়ে সুরুজ
মিয়ার কাছ থেকে ভালো পরিমাণ
টাকা হাতিয়ে নেয়।
,, ,,
সেই ধান্দাবাজ বাড়ি ফেরার পথে
পড়ে ছিনতাইকারীর হাতে।
ছিনতাইকারী তার পেটে ছুরি
মেরে সব টাকাপয়সা ছিনিয়ে
নেয়।পালিয়ে যাবার সময়
ছিনতাইকারী ধরা পড়ে পুলিশের
হাতে। পেদানি দিয়ে সব টাকা
নিয়ে নেয় পুলিশ।
, , ,
রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা বা
ভিক্টিমের কাছে ফেরত দেয়া
কোনটাই করেন না পুলিশ অফিসার।
, , , ,
সেই পুলিশের ছেলে আবার হয়ে
পড়ে ইয়াবা আসক্ত.. মাদকের
পেছনে টাকা ঢেলে প্রতিনিয়ত
সে খালি করে দেয় বাবার পকেট...
, , , ***
আর মাদক বিক্রেতা সেই টাকায়
হয়তো কিনতে থাকে গফুর মিয়ার
সেই পানি মেশানো দুধ।
***যারাই অবৈধ পথে উপার্জন করে,
তারাই মনে করে যে সে 'বিরাট
লাভ' করে ফেলেছে। কিন্তু আসলে
তা নয়।
সে একজনকে ঠকাচ্ছে, আবার তাকে
ঠকাচ্ছে অন্যকেউ।
,,,যেহেতু সমাজের প্রত্যেকেই একে
অন্যের ওপর নির্ভরশীল,
আল্টিমেটলি সবাই চক্রাকারে
ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বাইরে থেকে হয়তো মনে হয় অসৎ
লোকগুলোই সফল, তারাই সুখে আছে।
আসলে তা নয়। তারা নিজেরা
হয়তো মনে করে এইভাবে তারা খুব
ভালো থাকবে, আসলে তাও হয় না।
অসৎ পথে উপার্জন করে শেষ পর্যন্ত
কেউ পার পায় না। পরকাল তো পরের
কথা, দুনিয়াতেই তারা পেয়ে যায়
ফিরতি হিসাব।
প্রকৃতির নিয়ম হলো, এখানে
কাউকেই ছেড়ে দেয়া হয় না। আজ
কিংবা কাল,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now