বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অবসন্ন দেহ নিয়ে বিষন্ন চোখে দোকানদার তাদের যাবার
পথে তাকিয়ে থাকল। সূর্য তার ঘোমটা টেনে দিলে দোকানদার তার
দোকানের ঝাঁপ ফেলে দিল।
তারপর একটা অল্প আলোর কূপি বাতির সলতে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া ক’রে কিছুটা আলো বাড়িয়ে নিয়ে দোকানদার তার দোকানের একটু পেছনেই আড়ালে থাকা বাড়ির
দিকে পা বাড়াল। রাত তখন চড়ছে। গভীরতার দিকে যাচ্ছে। হঠাৎ ভেতর থেকে ছুটে এল দীর্ঘ কান্নার শব্দ।
ছোট্ট ছোট্ট দুইটা বেণী মাথার দুইপাশে ঝুলিয়ে দৌড়ে তার বুকে এসে পড়ল মেয়েটা, দোকানদারের ছোট মেয়েটা। ভেতর থেকে কেউ জোরে চিৎকার দিয়ে বলছিল,“ও দোকানদার, ও টংঘরের দোকানদার সর্বনাশ হয়ে গেল তোমার!”
‘কী সর্বনাশ?’ দোকানদার আর্তনাদ ক’রে উঠল। কেউ বলল, তোমার বড় মেয়েটাকে ছেলেধরা নিয়ে গেছে! তোমার আলাভোলা মেয়েটাকে ছেলেধরা চুরি ক’রে নিয়ে গেছে। হায় হায় ক’রে উঠল দোকানদার। ‘কেউ দেখে নি? কেউ ছিল না ওকে দেখার?’
না। উত্তর এলো, না। সবাই কাজে ব্যাস্ত ছিলো। আলাভোলা মেয়েটা এই ফাঁকে একটা বোকাট্টা ঘুড়ির পেছনে ছুটছিল। আলাভোলা মেয়েটাকে এরপর ছেলেধরা ফুসলিয়ে নিয়ে গেছে ঘুড়ি ওড়ানোর কথা ব’লে! ‘এইবার মেয়েটাকে কোথায় খুঁজবে?’
কোথায় খুঁজবে দোকানদার-এইরকম টংঘরের দোকানদার, অই চূড়ায়?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now