বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
চ্যাট অফ করে ফেসবুক চালাচ্ছিল নীলয়। একটা নতুন স্টোরি লিখতে ছিল যার নাম "ভালবাসা অতঃপর ধোকা" গল্পটার প্রায় অর্ধেকটা শেষ।
একটা ব্রেক নিলে খারাপ হয় না। বাকিটা পরে লিখবে এইভেবে লগ-আউট করে চলে যায়। কিছুক্ষণ পরে আবারো ফিরে আসে গল্পটার শেষ অংশটা লেখার জন্য।
ঠিক তখন ই একটা মেসেজ দেখতে পায় নীলয়।
অতঃপর মেসেজ............
:-আসসালামু ওয়ালাইকুম।
:-ওয়ালাইকুম সালাম। আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না? কে আপনি?
:-জ্বী,আমাকে চিনবার কোন প্রশ্নই আসে না কারন আজ আমাদের প্রথম কথা।
:-ও আচ্ছা। তো কি করতে পারি আপনার জন্য।
:-না তেমন কিছু না।আসলে আজ তিন মাস হয়ে গেল আপনাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছি কিন্তু কোন রেসপন্স নাই। তাই আজ মেসেজ করলাম।
:-ও আচ্ছা।একটু অপেক্ষা করুন।
প্রোফাইল এ গিয়ে মনে হল যে এটা রিয়েল ই হবে প্রোফাইল নাম "নীলাদ্রী নীলা" কিছুটা বিস্মিত নীলয়। আর কিছু না ভেবে রিকুয়েস্ট টা কনফার্ম করে ফেলে।তার পর থেকে প্রায় সময়ই তাদের মেসেজের মাধ্যমে কথা বলা হয়।এবং সেটা আপনি থেকে তুমিতে চলে এসেছে এখন। এবং এই সম্পর্ক টা শুধুই যে বন্ধুত্বে নেই সেটা দুজনেই উপলব্ধি করতে পারে।
একদিন..........
:-নীলাদ্রী (নীলয়)
:-হুম বলো (নীলাদ্রী)
:-আমার মনে হয় কিছু কথা তোমাকে বলার প্রয়োজন আছে(নীলয়)
:-হুম বলে ফেলো (নীলাদ্রী)
:-না মানে (নীলয়)
:-কি মানে মানে করছো নীলয় বলে ফেলো কি বলতে চাও(নীলাদ্রী)
:-আমার মনে হয় আমি মানে আমরা মানে আমাদের সম্পর্ক টা মনে হয় আর বন্ধুত্বর মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই।আমি তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি।(নীলয়)
:-কিন্তু।(নীলাদ্রী)
:-কি?(নীলয়)
:-আমাকে কিছু সময় দেও! (নীলাদ্রী)
:-আচ্ছা ঠিক আছে রাতে জানাবে।(নীলয়)
:-আচ্ছা বায়। (নীলাদ্রী)
:-হুম।
.
কি জবাব আসবে সেই ভেবে আজ নীলয় কাতর। সে জান না কি হতে যাচ্ছে পরবর্তীতে। যাইহোক সে এই বিশ্বাস নিয়ে অপেক্ষায় আছে যে, তার ভালবাসার ডাকে সারা দিবে নীলাদ্রী।
অনেক কষ্টে আজ একটা দিন কাঁটালো নীলয়। দিন যে এত বড় আর অপেক্ষার প্রহর এত কষ্টের হতে পারে তা আগে যানা ছিল না নীলয়ের। নীলাদ্রীর আইডি এক্টিভ দেখাচ্ছে কিছু না ভেবেই মেসেজ দিল নীলাদ্রীকে।
:-হাই।
:-হ্যালো।
:-কি সিদ্ধান্ত নিলে।
:-আচ্ছা।
:-কি আচ্ছা?
:-আমিও তোমাকে ভালবাসি।আর এটা তোমার কাছ থেকেই আগে শুনতে চেয়েছিলাম।
:-কিইইইইইই? সত্যি? তুমি আমাকে ভালবাসো?
:-হুম।বুদ্ধু কোথাকার।
এভাবেই তাদের ভালবাসার পথ চলা শুরু হয়।প্রতি দিন এভাবেই কাটে জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত। কিন্তু এই সুখ বেশীদিন ছিল না নীলয়ের জন্য। এই ভালবাসার আঁড়ালে যে রহছে এক ভয়ংকর অবিনয় তা জানা ছিল না নীলয়ের।
:-এই যে?(নীলাদ্রী)
:-হুম বলো(নীলয়)
:-তোমাকে আমার কিছু বলার আছে।(নীলাদ্রী)
:-কি? (নীলয়)
:-আসলে আমি তোমাকে ভালবাসি না।তোমার সাথে এটা ছিল আমার অবিনয়। আমার বন্ধুরা সব সময় তোমাকে নিয়ে অনেক অনেক গর্ব করতো। যা আমার ভালোলাগতো না।
তাই তাদের সাথে বাজী রাখি তোমাকে প্রেমের জ্বালে ফাসাবো বলে।তোমার আজ এই অবস্থার জন্য আমি দায়ী পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিও।তুমি আমার আমার সাথে যোগাযোগ করবে না।ভাল থেকে অন্য কোন মেয়েকে খুঁজে নিও জীবন সংগী হিসেবে। আমি তোমাকে ব্লক দিচ্ছি। বায়।(নীলাদ্রী)
:-কিন্তু কেন করলে আমার সাথে? আমার দোষ কি ছিল? তোমাকে ভালবাসা নাকি তোমাকে বিশ্বাস করা? তুমি আজ আমার সাথে যেটা করলে তার জন্য তুমি কখনোই ক্ষমার যোগ্য না।কিন্তু আমি তোমাকে ভালবাসি তাই তোমার প্রতি কোন প্রকার ক্ষোভ নেই।কিন্তু জেনে রেখে আজ আমাকে তুমি কাঁদালে কষ্ট দিলে সেটার জন্য তোমাকেও আফসোস করতে হবে।(নীলয়)
★এভাবেই একটা ভালবাসার আর একটা অবিনয়ের শেষ হয়। নীলাদ্রীর সেই নামটা কালো হয়ে রয়েছে। কিন্তু নীলয়ের বিশ্বাস যে কোন একদিন সেটা আবারো জ্বলে উঠবে।আর একটা মেসেজে আসবে 'আই এম সরি নীলয়'
বিঃদ্রঃ- এই গল্পের সব চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবে কারো সাথে মিলে গেলে লেখক দায়ী না। তবে এমনটা হয়ে থাকে প্রায়ই তাই সকল নীলাদ্রীকে (সকল মেয়েদের) বলছি যে প্লিজ ভালবাসাকে নিয়ে খেলা করবেন না।এটা কোন খেলার বস্তু না।
আর ছেলেদেরকেও বলছি প্লিজ কোন মেয়ের অসায়ত্বের সুযোগ নিবেন না।আর যদি এমনটা করেন তবে আপনার প্রতি যেটা ছিল সেটা মেয়েটার অসায়ত্ব না সেটা ছিল ভালবাসা আর একটা সরল মনের বিশ্বাস।....,rAjKuMaR
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now