—এদিকে মানে আপনি কি আমায় ডাকলেন
— জ্বি আপনাকে আপনিই তো সেই বিখ্যাত ছ্যাকাখোড় ইদরিস মিয়া তাই না
?
—কি সব আজেবাজে কথা বলেন আমি ছ্যাকাখোড় মানে
— আরে ভাই আমগোর কাছে লুকাইয়া লাভ নাই আমি "" কাশেম টিভি"" থেকে আসছি সাংবাদিক কাল্লু মিয়া
— ওওওও আপনি সাংবাদিক আগে বলবেন তো ভাই আমার ইন্টারভিউ নিতে আসছেন বুঝি
————— হুম আপনি নাকি ছ্যাকা খেয়ে আবার ঘুরে দাড়িয়েছেন মানে সাবলম্বী হয়েছেন সেই কাহিনী শুনতে আসলাম
— হ্যা ছ্যাকা খাইছিলাম আবার ঘুরে দাঈাইছি
আচ্ছা চলেন ভাই পাবলিক টয়লেটের পিছনে যাই গোপন কথা গোপন জায়গায় বলতে হয়
চলুন তাহলে
-----------------✌✌✌✌-------
_____ হুম এবার বলুন______
আমি আমার জমিদার বাপের একমাত্র সন্তান ইদরিস মিয়া। আমার বাপ ছিল সেইরকম জমিদার। তিনি আমাকে অনেক ভালোবাসতেন এবং যা চাইতাম তাই দিতেন
তো একদিন আমাদের গ্রামের অবস্থা দেখার জন্য ঠেলাগাড়ি নিয়ে বের হই.....
———ওয়েট ওয়েট ঠেলাগাড়ি কেন
———— আসলে আমাদের জমিদার প্রথায় এবং গ্রামে ঠেলাগাড়ি আর রিকশাকে অনেক বড় মনে করা হত হে হে হে হে
————— ওহ আচ্ছা তাই বলেন আমি ভাবলাম জমিদারের পোলা গাড়ি না নিয়ে ঠেলাগাড়ি নেয় কেন
আচ্ছা যাই হোক তারপর
————, আমি ঠেলাগাড়ি নিয়ে বের হওয়ার পর এক বস্তির সামনে দিয়ে যাই সেখানে দেখলাম এক মেয়ে চুল আচরাচ্ছে। আমি তাকে দেখা মাএই পছন্দ করে ফেলি
এরপর ঠেলাগাড়ি নিয়ে তার সামনে যাব তখনি
সে চিরুনি নিয়ে আমার সামনে এসে বলে,,
খবরদার ছকিনার সামনে আসতে হলে শুঁটকি ভর্তা নিয়া আসতে হয় নাহলে তো মন্ডু আমি ছিড়ে ফেলব
তারপর শুঁটকি শুঁটকি নিয়ে আসি। এই শুঁটকি আনতে আমার অনেক কষ্ট হয় কারণ বাজারে শুঁটকি ছিল না এরপর সাগরে যেয়ে আমাকে নোনা পানির স্বাদ খেয়ে শুঁটকি আনতে হয়
তিনদিন দেরি হয় এই শুঁটকি আনতে
এখন বলতে পারেন জমিদারের ছেলে এত কষ্ট করে শুঁটকি আনে কেন
আসলে আমি নিজে করে অন্যকে দিতে খুব ভালোবাসতাম
এরপর তিনদিন পর শুঁটক হাতে নিয়ে তার কাছে যাইসারা গাঁয়ে শুঁটকির গন্ধ
—————কিন্তু ভর্তা তো আনেন নাই শুধু শুঁটকি আনছিলেন
------- হুম শুঁটকি আনার পর ওই শুঁটকি ছেচতে গিয়ে আর ভর্তা করতে গিয়ে আমার হাতের অবস্থা খারাপ হয়েছিল।
তারপর শুঁটকি ভর্তা তার কাছে দেই। সে তো খুব খুশি
এরপর তার সাথে আমার মিলামিশা বাড়ে এবং আস্তে আস্তে আমাদের প্রেম হয় ☺ ☺ ☺ ☺ ☺ ☺
তারপর গান হয় ☺ ☺ ☺
———আবার গানও হয় 
————হুম গান হয় সিনেমাতেযেমন হয় তেমন ☺ ☺ ☺ গানটা ছিলঃ চুপি চুপি বল কেউ যেনে যাবে যেনে যাবে কেউ যেনে যাবে ☺ ☺
তারপরররররররররর একদিন হঠাৎ......
———কি হয় একদিন হঠাৎ 
———— আমাদের প্রেমের খবর আমার বাপ জেনে যায়। তিনি বন্দুক দিয়ে হুমকি দেয় আমাদের। আমি ছকিনাকে নিয়ে জমিদার বাড়ি ছেড়ে চলে আসি কারণ আমার বাপ বলছিল ছকিনার সাথে যদি প্রেম করি তাহলে আমাকে জমিদার বাড়ি ছাড়তে হবে

তারপর ছকিনাকে নিয়ে হাঁটতে থাকি সে শুঁটকি খাওয়ার জন্য বারবার বলে কিন্তু হাতে টাকা ছিলনা তাই শুঁটকি কিনতে পারিনাই
তাই সে আমার সাথে ব্রেকআপ করে শুধু শুঁটকির জন্য
তখন আমার মনে একটাই গান বাজতে থাকে তা হলোঃঃ
"বন্ধু তুই লোকালবাস আদর করে ঘরে তুলস ঘাড় ধইরা নামাস""
তারপর কি হয় জানেন?
——কি হয়
তারপর আমি রিকশা চালাইতে শুরু করি
আর একটাই গান গাই ও ছকিান গেছছ কিনা ভুইল্লা আমারে আমি অহন রিকশা চালাই ঢাহা শহরে
——— সো স্যাড
তারপর একদিন ছকিনাকে শুঁটকিওয়ালার লগে ঘুরতে দেখি। আর গামছায় মুখ লুকিয়ে কাঁদি আর গাম গাই "" বুকটা ফাইট্টা যায় বুকটা ফাইট্টা যায় ছকিনা যখন শুঁটকি ওয়ালার লগে হাইট্টা যায় বুকটা ফাইট্টা যায়
এররপর আমার একটাই লক্ষ্য শুঁটকির কোম্পনি দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা
এরপর আমি অনেক খাটুনি করে শুঁটকির কোম্পনি দেই এবং একটা অফিস খুলি
এজন্য রাতদিন রিকশা চালাতাম।
—————
তারপর কি হয় ইদরুস মিয়া
তারপর সেই অফিসে কজ করতে থাকি এবং অনেক বড় হয় আমার অফিস বিদেশেও বিখ্যাত হয়। একদিন অফিস থেকে বাইরে বের হতে যেয়ে দেখি ছকিনা গেইটের সামনে দাঁড়িয়ে শুঁটকির জন্য হাত পাতছে। আমাকে দেখে অনেক কান্না করে এবং আমার কাছে ক্ষমা চায় আর বলে,,,আমি অভাগিনী ফকিন্নি আমাকে ফিরওয়ে দিওনা তুমি কিন্তু সেদিন আমি তাকে ফিরিয়ে দেই।।
কারণ বলা তো যায় না আবার যদি আমায় ছ্যাকা দেয়
———বাহ বাহ ভালো লাগল
আচ্ছা ধন্যবাদ ভাই আপনার কাহিনী বলার জন্য।এখন এটা প্রচার করব এবং আপনাকে কাশেম টিভি থেকে একটি মেডেল দেওয়া হলো পিতলের কারণ ছ্যাকা খেয়ে ঘুড়ে দাড়ায় এরকম মানুষ খুব কম আছে
আর এখন যাই পাবলিক টয়লেটের পিছনে আর দাড়াতে পারছিনা বাই ✋ ✋ ✋ ✋
[[[[[[[[[[[[[[[[ গল্পটি ছোট করে লিখলাম আর এটি কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না
সিরিয়াসলি নিলে এটিএন বাংলা টিভিতে আপনার খবর আছে
]]]]]]]]]]]]]
বাই বাই বাই বাই
