বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ছেড়ে যাব না (শেষ পর্ব)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান RaNa jojo (০ পয়েন্ট)

X সাগর : নিলয় তুই আমাকে কোথায় নিয়ে যাস? নিলয়: আয় তোকে একটা সারপ্রাইজ দিব। সাগর: ওই খানে ওরা করা নিলয়: আমার বন্ধু সাগর: আগে বলিস নি কেন? নিলয়: সারপ্রাইজ। সাগর: চল তাহলে। নিলয় সাগকে নিয়ে একটা রুমে গেল। আর রুমে গিয়ে সব দরজা লাগিয়ে দিল। সাগর: দরজা লাগিয়ে দিস কেন। নিলয়: তোকে মারব বলে। সাগর: কি? নিলয়: তুই আমার জীবন নষ্ট করে দিছিস। তুই আমার ভালোবাসা কে ছিনিয়ে নিয়েছিস। তোকে দিয়েছিলাম ছাএ পড়াতে। আর তুই কি করলি। নদীর সাথে প্রেম করলি। আমাকে তুই একটি বার বলিস নি।(এক দমে কথা গুলো বলল নিলয়) সাগর: তোকে আমি বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বন্ধুত্ব নষ্ট হবে বলে তোকে বলিনি। নিলয়: না বলে ভুল করেছিস। আর সেই ভুলের জন্য তোকে মরতে হবে। সাগর: (কাদতে কাদতে পায়ে ধরে নিলয় কে বলল) ভাই তুই আমাকে মারিস না। তুই তো জানিস আমার বাবা কত আশা করে আমাকে ঢাকায় পাঠিয়েছে। তুই যদি আমাকে মারিস। তাহলে আমার বাবা মা বাচবে না। তুই চাইলে আমি ঢাকা শহর ছেড়ে চলে যাব। আর ঢাকাতে আসবো না। আমার বাবা আশা পুরণ করতে দে ভাই। নিলয়: তোর বাচার কোন অধিকার নেই। পা ছার। সাগর কেদেই যাচ্ছে। তার পর নিলয় সাগর কে একটি ছুড়ি দিয়ে আঘাত করলো আর সাথে সাথে সাগরের রক্ত পড়া শুরু হল। সাগর: ভাই একটা উপকার করিস আমার লাশ টা আমার বাড়িতে দিয়ে আসিস। আর নদীকে যানতে দিস না যে তুই আমাকে মারছিস। তাহলে নদী তোকে কোন দিননও বিয়ে করবে না। আর নদী কে বলিস আমাকে মাফ করে দিতে। কারণ আমি তার কথা রাখতে পারলাম না। কথা গুলো বলে সাগর মারা গেল। সাগরের রক্তে সারা ঘর লাল হয়ে গেল। এই দিকে নদী ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখলো। সাগরের কি যেন বিপদ হয়েছে। তাই সাথে সাথে নদী সাগরকে ফোন দেয়। কিন্তু বারবার বন্ধ বলছে। নদী আর সজ্জ না করতে পারে কেঁদে দেয়। পরে নদী জানতে পারে সাগরকে কারা যেন মেরে ফেলেছে। খবর টা শুনে নদী পাগল হয়ে যায়। আর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সাগরের লাশটাকে পুলিশ পোস মটান করে বাড়ির উদ্দেশে পাঠিয়ে দেয়। নদী হাসপাতাল থেকে সাগরের বাড়িতে চলে যায়। সাগরের বাবা মা দেখছেন তাদের বাসায় এম্বুলেন্স ধুকছে। এম্বুলেন্সের ড্রাইভার নেমে সাগরের বাবা কে বলেন এইটা সাগরের বাড়ি। সাগরের বাবা বলল হ্যা কেন? ড্রাইভার বলে সাগরকে কারা যেন খুন করেছে। কথা টা শোনার পর সাগরের বাবা সাথে সাথে মারা যায়। আর তার মা পাগল হয়ে গেল। গ্রামে গ্রামে কথাটা ছড়িয়ে গেল। সবাই দুঃখ প্রকাশ করল। অনপকেও কেদেও ফেলে। কারন সাগর অনেক ভালো ছিল। সবাই সাগরকে আর সাগরের বাবাকে গোসল করাইয়া খাটের উপর শুয়াইয়া দিল। এই দিকে নদী এসে দেখলো সাগরকে আর তার বাবার লাশ খাটের উপর আর সাগরের মা কথা বলতে পারছে না। নদী সাগরের কাছে বলে। তোমার এই অবস্থা কে করেছে। কথা বলো আমি নদী এসেছি। কথা বলো। কিন্তু সাগর তো মারা গেছে। সাগর তো কথা বলতে পারবে না। (পাশে থেকে বলল)। তারপর নদী বলল এই বেইমান তুমি না আমাকে কথা দিয়েছিলে তুমি আমাকে ছেড়ে যাবে না। তাহলে তুমি আমাকে না নিয়ে একা রেখে চলে গেলে কেন। তুমি কথা না রাখলেও আমি কথা রাখবো। আমি আসছি তুমি থাক এই বলে নদী তার গলায় ছুরি মেরে সাথে সাথে মারা যায়।গ্রামের মানুষ তিনটি লাশকে একসাথে জানাজা করে মাটি দিয়ে দেয়। অপর দিকে নিলয়কে পুলিশ ধরে ফেলে। আর আদালত তাকে ফাসি দিয়ে দেয়। নিলয়ও মারা যায়। শেষে একটাই কথা বলবো। সাগর আর নদী কি এমন দোস করেছিলো। না হয় ভালোই বেসে ছিল। তার জন্য তাদের জীবন দিতে হলো। আর সাগরের বাবার আসাও অপুরণ রয়ে গেলো। কেন??? ভালোবাসা কি এতটাই পাপ। এইটাই কি পৃথিবীর ভালোবাসা। সেই প্রথম এসেছিলে অন্য এক হয়ে.. ...... হঠাৎ করে বলেছিলে... হয়ত বা ভয়ে ভয়ে। বুঝিনি তো এতটা তোমাকে। হয়ত বা সুযোগটাও দাওনি আমাকে। চলছিল ভালোই। হঠাৎ করে চলে গেলে আমাকে ছেড়ে। আমি কি পারি তোমাকে ছেড়ে এই পৃথিবীতে বেচে থাকতে। তাই চলে যাচ্ছি তোমার কাছে। গল্পটা ভালো হলে সবাই কমেন্ট করবেন। কেও খারাপ মন্তব্য করবেন না। আমি আসা করি যারা guest তারাও কমেন্ট করবেন। এই ভলে আমি আমার গল্প শেষ করছি । সবাই ভালো থাকবেন। bye.......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ছেড়ে যাব না (শেষ পর্ব)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now