বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ছেলা থেকে মেয়ে

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মাহফুজার র (০ পয়েন্ট)

X , ঘুম থেকে উঠে দেখি আমি ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে গেছি,(সকাল বেলা) আয়নায় নিজে কে দেখে চমকে গেলাম, বুকে হাত দিয়ে দেখি মেয়েদের মতো স্তন, আয়নায় নিজেকে দেখলাম। চেহারার এবং দেহের গঠন একদম মেয়েদের মতো, আমি ভাবলাম হয়তো স্বপ্ন নিজের শরিরে চিমটি কাটলাম ব্যথা অনুভব করলাম, তার মানে এটা স্বপ্ন নয়, খুব ভয়ে আছি,খুব জোর ওয়াশরুম পেয়েছে, ওয়াশরুমে গেলাম গিয়ে আমি আরও চমকে গেলাম, আমার পুরুষাঙ্গ টা মেয়েদের যৌনির মতো হয়ে গেছে, এবার আমি ভয়ে ওয়াশরুমে পড়ে গেলাম, জ্ঞান হারিয়ে, যখন জ্ঞান ফিরলো তখন আমি আমার রুমে নিজেকে আবিষ্কার করলাম, আমার খাটের চার দিকে আমার ফ্যামিলি মেম্বারা দাঁড়িয়ে আছে, শরীরের দিকে তাকিয়ে দেখলাম আমার খেয়ে সালোয়ার কামিজ মাথার কাছ থেকে আমার মা জিজ্ঞেস করলো,কে তুমি মা,আমার ছেলের ঘরে কি করছিলে, আমি- মা আমি তোমার ছেলে। মা- তোমার মনে হয় বিশ্রাম প্রয়োজন, । পাশ থেকে বাবা বলল, তোমার ছেলে এতটা বিগড়ে গেছে যে সে আজ মেয়ে মানুষ বাসায় তোলে নিয়ে আসছে, আমি আর লজ্জায় মুখ দেখাতে পারবো না, আবার কাকা বললেন, আমাদের মুখ আছে কই, কিছুদিন আগে একটা মেয়ে কে ধর্ষণ ছি ছি বলতেও লজ্জা করে, সারদিন মেয়েদের পিছনে লেগে থাকে, বাজার থেকে আসার আসার সময় একজন বিচার দিলো, রহিমের মেয়ের নাকি ওড়না ধরে টানাটানি করেছে কাল, এবার আমার পরিচয় টা দেই, আমি রাহি একজন ছেলে আমি কিন্ত আজ ঘুম থেকে উঠে দেখি আমি মেয়ে হয়ে গেছি,বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে,। খুব আদরের, যাকে বলে আদর পেয়ে বাদর, যত রকমের খারাপ কাজ আছে তার একটাও বাকি রাখি নাই, সব করা শেষ, এই তো গত ৯দিন আগে ৬বছরের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করলাম বাবার এত টাকা যে টাকা দিয়ে সবার মুখ বন্ধ করে দিয়েছে, এলাকায় নাম করা বখাটে ছেলে আমি, মা আবার বলল,মা তোমার বাসা কই আমার ছেলে তোমাকে তোলে এনেছে, এবার আমি কিছু বললাম না শুধু মাথা নাড়িয়ে বললাম হুম, বাকি টা পড়ে দেখা যাবে, অনেক বার আমার বাসার কথা জিজ্ঞেস করা হলো কিন্ত আমি কিছু বললাম না, দেখি না এর পর কি হয়, বাবা বলল,কুলাঙ্গার টা মনে হয় পালিয়েছে, আরও অনেক কিছু বলে চলে গেলো, দরজা বন্ধ করে আমি আয়নার সামনে দাঁড়ালাম নিজেকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখলাম যে রুপ হয়েছে যে কোন ছেলের মাথা ঘুরে যাবে। মাথা নস্ট করার মতো রুপ আমার, যেহেতু আমার কিছু নাই মানে জামা কাপড় তাই মা কিছু টাকা দিলো, নতুন জামা কাপড় কিনতে পাশের বাসার রানির সাথে মা আমাকে পাঠালো মার্কেটে, আমিও অভিনয় করতে লাগলাম, বাহিরে গেলাম আমি যে খানে আড্ডা দিতাম তার পাস দিয়েই যাচ্ছি, সেখানে আমার কিছু বন্ধু বাইক নিয়ে বসে ছিলো, আমি কিছু বললাম না পাস কাটিয়ে যাচ্ছি এমন সময় রোহান বলল, কি মাল রে ভাই এলাকায় নতুন নাকি রে, বলেই ওড়না টা টেনে ধরলো, লিমন এসে বলল,এই টাটকা মাল টা এত দিন কই ছিলো যে, আমাকে উদ্দেশ্য করে বলল,ঐ যাবা সুন্দরী মন ভরিয়ে দিবো, রানী ওদের বাজে কথা শুনে বলল, এই তোদের ঘরে মা বোন নেই, তোরা জানিস এটা রাহির বউ, (মানে আমাকেই আমার বউ বানাচ্ছে) আমি যেহেতু ওদের বন্ধু তাই ভাবছে আমার কথা বললে আর কোন বাজে কথা বলবে না, কিন্ত না লিমন বলল,কি রাহির বউ কি মাল রে মামা, কবে বিয়ে করলো তাহলে তো রাহি কে বলতে হয় মামা এক রাতের জন্য দিতে, রানি আবার বলল,ছি তোমরা এত খারাপ তোমাদের বন্ধুর বউ কে নিয়ে এত বাজে কথা, লিমন বলল- দেখ রানি রাহির যদি বোন থাকতো আর তাকে যদি আমাদের মনে ধরতো তাহলে রাহি আমাদের হাতে তুলে দিয়ে বলতো মামা এনজয় কর, । কথা গুলো শুনে আমার শরীর রাগে ফেটে যাচ্ছে,। তখন মনে পড়লো যখন আমি এলাকার মেয়েদের বাজে কথা বলতাম তখন তাদের মনের অবস্থা কি হতো, কিছু দিন আগে একটা ভাইয়ের সামনে তার বোনের শরীরে হাত দিয়ে ছিলাম, সে চুপ ছিলো কারন আমার ছিলো ক্ষমতা, জানের ভয়ে কিছু বলতো না, এখানের ঝামেলা মিটিয়ে মার্কেটে গেলাম, শপিং মলে যেতেই রানির ফোন আসলো তাকে বাড়ি যেতে হবে, তাই আমাকে রেখে চলে গেলো আর বলে গেলো সন্ধার আগে বাড়ি যেতে কিন্ত আমি তো সব জানি, সারাদিন ঘুরেফিরে সন্ধার পর, ঐ গলির সামনে দিয়ে বাসায় যেতে হয়, যেখানে আমরা প্রায় একা কোন মেয়ে দেখলে ধর্ষণ করতাম, আজ সেখানে আমি দাঁড়িয়ে আছি, লিমন সহ আরও ৫জন দাঁড়িয়ে আছে, আমাকে দেখেই, আরে মেঘনা চাইতেই বৃষ্টি এই ধর ওকে, পাঁচ আমাকে চেপে ধরে আর মুখ টা বেধে ফেলে, এখন আমি কথাও বলতে পারছি না, ওদের বলবো যে আমি তোদের বন্ধু রাহি এই সুযোগ টা নেই, পাশেই একটা পরিত্যক্ত বাড়ি আছে যে খানে আমরা মাঝেমধ্যে মেয়ে তোলে নিয়ে যাই আজ সেখানেই আমাকে নিয়ে যাচ্ছে, শত চেস্টা করেও আমি ছুটতে পারছি না, সেই বাড়িতে নিয়ে জোর করে রাহি কে ধর্ষণ করা হল, ধর্ষণের কি যে যন্ত্রনা তা আজ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে রাহি, চোখ লাল হয়ে গেছে, শরীর দিয়ে ঘাম ঝরছে,সালোয়ার রক্তে লাল হয়ে গেছে, পা বেয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়েছে, কারন যৌনাঙ্গ এবং পায়ুপথ ছিড়ে গেছে, রাহি হাটতে পারছে না খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটছে, আজ রাহি বুঝতে পেরেছে যে ধর্ষণ হয় তার কত কস্ট সইতে হয়, এত দিন অনেক মেয়ের উপর অন্যেয় অবিচার করেছে যার কোন ক্ষমা নেই, কিছু দিন আগে ছোট একটা বাচ্চার উপর যে অমানবিক নির্যাতন করেছে তার কোন ক্ষমা নেই, রাহি অনেক কস্ট বাসায় গেলো কিন্ত বাসায় কেউ নেই,। রাহি ওয়াশরুমে গেলো গিয়ে আবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলে, আবার যখন জ্ঞান ফিরে তখন সেই সেইম ভাবে নিজের খাটে আবিষ্কার করে, কিন্ত রাহি এবার জ্ঞান ফিরে দেখে সে ছেলে, রাহির মা কিছু বলার আগেই রাহি তার মাকে জরিয়ে ধরে বলে মা তোমরা যা বলবে আমি তাই করব, আমি আজ থেকে ভালো হয়ে গেলাম, যোহরের আযান দিতেই রাহি গোসল করে পাঞ্জাবি পড়ে টুপি মাথা দিয়ে নামাজের উদ্দেশ্য মসজিদে রওনা হয়, এই গল্প থেকে আমাদের অনেক কিছু শিখার আছে,বিশেষ করে আমাদের (ছেলেদের)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৩৩৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ছেলা থেকে মেয়ে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now