বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

"ছদ্মবেশী ফুচকাওয়ালা"[৮ম পর্ব]

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S.A.Shameem (০ পয়েন্ট)

X "ছদ্মবেশী ফুচকাওয়ালা"[৮ম পর্ব] Writer : Omar পরদিন মোবাইল টা আনলক করে আমাকে দিল,, তারপর মোবাইল এর কললিস্ট ভালো করে চেক করতে লাগলাম,, ভিন্ন ভিন্ন নাম্বার,, তবে দুইটা নাম্বার থেকে কয়েকবার কথা বলেছে,, তাও ওর লাশ পাওয়ার চার ঘণ্টা আগে, আমি--নাহিদ এই নাম্বার দুইটা ট্রেক কর,, --ওকে স্যার,, তারপর আমি মোবাইল টা আরো ভালো করে দেখলাম,, কিন্তু তেমন কিছু পেলাম না,, তবে এইটুকু বুঝেছি এই কামাল কোন সাধারণ মানুষ না,, কোন গুপ্তচর এর হয়ে কাজ করে,, ---স্যার নাম্বার গুলো ইন্টারনেটের,, এগুলো কোন পার্সোনাল নাম্বার না,এই নাম্বার গুলো প্রবাসীরা ব্যাবহার করে,, আমি--কিন্তু ওর সাথে এই প্রবাসী দের কাজ কি, আচ্ছা ওর মোবাইল এ ভালো করে দেখো তো কোন দেশিও নাম্বার আছে কিনা,, --আচ্ছা স্যার, আমি--ওকে তুমি ভালো করে দেখো,, আমি একটু চা খেয়ে আসি,,মাথাটা ভন ভন করতেছে,, চা খেয়ে আবার নিজের ডেস্কে আসলাম,, আমি--হয়েছে,,? ---স্যার একটাও দেশিয় নাম্বার পাইনি,,এই কামাল খুব চালাক লোক,,এমন কি কোন কল রেকর্ড রাখেনি,, না রাখছে নিজের কোন ছবি,, কোন নাম্বারি সেভ করেনি,, আমি--ওপপ আমি পাগল হয়ে যাবো,, কোন দুঃস্বপ্নে যে কেইস টা হাতে নিলাম,,এখনো পর্যন্ত কোন প্রমাণ পেলাম না,,যেটা থেকে একটু আলা মিলছে সেটাকেও শেষ করে দিচ্ছে,, আমার চাকরির জীবনে এরকম জটিল কেইস কখনো দেখিনি,, ---কি আর করবেন স্যার,,হাতে যখন নিয়েছেন,, তখন তো সমাধান করতেই হবে,,নাহলে আমাদের অনেক বদনাম হয়ে যাবে,, আমি--সমাধান তো আমি করবোই,, দেখতে দেখতে পনেরো দিন চলে গেল, আগামী কাল‌ থেকে কলেজ আবার খুলবে,, মানে আবার আমাকে ফুচকা ওয়ালার হতে হবে,, আর কলেজের নৈশ প্রহরী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছে মাহমুদ,, আমার মনে বারবার বলতেছে সবগুলো খুন যেহেতু কলেজ কে ঘিরেই হয়েছে তারমানে কলেজের ভিতর কোন কিছু আছে,, পরদিন--- গুণগুণ করে গান করতেছী আর ফুচকা বানাচ্ছি, তখনি আমার ভাগ্নে গুলো আসলো,,,মানে ওই তিনজন, --কি খবর মামা,, অনেক দিন পর দেখা,, আমি-খবর আর কি থাকবে কলেজ ও বন্ধ হয়ে গেছে,, আমার ফুচকাও আর চলে না,,এই ফূচকা বিক্রি করেই আমার পরিবার চলতো,, এখানে যেভাবে ফুচকা চলত অন্ন কোথাও সেভাবে চলে না,, --আসলেই,,আমারাও তোমার ফুচকা কে মিস করছি,,? আমি--ফুচকা কে মিস কল কিভাবে দেয়,, আমি জানি মোবাইল এ মিস দেয়, --সে তোমার জানতে হবে না,, তুমি ফুচকা দাও,,আজকে যে যত পারি খাবো,, আমি--আইচ্ছা মামা,, ওদের প্রথমে তিন প্লেট দিলাম,, সেগুলো শেষ করে আবার তিন প্লেট দিতে বলল,, আবার দিলাম,, খাওয়া শেষ করে ওরা বিল দিয়ে চলে গেল,, কিছুক্ষণ পর সীমা আসলো,, --মামা ফুচকা দেন,, আমি--আইচ্ছা,, --জাল একটু বেশি করে দিয়েন,,,(শয়তানি হাসি দিয়ে) আমি--আইচ্ছা,, বসেন,. আমার মনে শয়তানি জেগে উঠলো,, ফুচকা যে এমন জাল দিয়েছি,,জীবনেও ছাল খাওয়ার নাম নিবে না,, ফুচকা দেওয়ার পর গফগফ করে খেতে তাকে,, আশ্চর্যের বিষয় ওর মধ্যে একটু প্রতিক্রিয়া ও দেখা গেল না,, হাসিমুখে খেয়ে যাচ্ছে, মেয়েরা পারেও বটে,,, একসময় জাল জাল পানি পানি বলে চিল্লাতে লাগলো,, আমি এক গ্লাস পানি এগিয়ে দিলাম,, এক ঢুকে খেয়ে ফেলল,, তবুও জাল কমে নি এভাবে চার গ্লাস পানি খাওয়ার পর শান্ত হলো,, তারপর কোন টাকা না দিয়ে চলে যেতে ধরলো,, আমি--এইযে আফা আপনার টাকা,, আমার ডাকে পিছনে ফিরলো,, আমি ইশারায় বললাম ও্ নিতে,, ও বুঝে নিয়েছে এতে কিছু লেখা আছে,, টাকা টাl নিয়ে একটু মুখ বাকা করে চলে গেল,, রাতে বসে বসে ফুটেজ চেক করতেছি আর চানাচুর খাচ্ছি,, দেখলাম মাহমুদ গেইটের কিনারে বসে আছে,, ঘুমের ভান করে,, তারপর পিছনের গেইটের ফূটেজ দেখতে লাগলাম,, দেখতে দেখতেই ঘুমিয়ে পড়লাম,,, পরদিন যথারীতি ফুচকাওয়ালার বেশে চলে আসলাম কলেজের সামনে, সারাদিন বিক্রি করে বাসায় চলে আসলাম,, --- এখন পুরো এলাকা আবার আগের মতো স্বভাবিক হয়ে গেছে,,, সকালে মাহমুদ ফোন করে বলে কলেজের বারান্দায় নাকি একটা নাইফ পাইছে,, গতকাল রাত ১২ টায়,,১১ টায় ও পুরো এরিয়াল ঘুরে দেখেছিল,, কিন্তু কোন কিছুই দেখেনি,, হঠাৎ কিছু পড়ার শব্দে সে উঠে গিয়ে দেখে যে নাইফ, আমি ওকে নাইফ টা ল্যাবে পাঠিয়ে দিতে বললাম,, এবং ব্যাপার টা কাউকে বলতে নিষেধ করলাম, তারপর আমি ফুটেজ চেক করতে বসলাম,, নাহিদ ও কলেজের ভিতরে কোন দিক দিয়ে কেউ প্রবেশ করেনি,,,তাহলে নাইফ টা আসলো কোত্থেকে,, দেখি কারো আঙ্গুলের চাপ পাওয়া যায় কিনা, বিকেলে অফিসে চলে গেলাম,, ডঃ---আসসালামু আলাইকুম,,বদ্দা গম আছন না,,? আমি--গম আছি অনেক গম আছন না,,?(চট্টগ্রামের ভাষায়) ডঃ--অনরার দোয়ায় গম আছি,, আমি--আচ্ছা এখন মজা করার সময় নাই,, বলেন চুরিটার মধ্যে কোন আঙ্গুলের ছাপ পাওয়া গেছে,,? ---আপনাকে কি করে বুঝায়,, আমি--বলেন দেখি,, --আসলে ব্যাপার টা কেমন ভূতুড়ে ভূতুড়ে হয়ে যাচ্ছে,, আমি--মানে,,? --মানে ওখানে কারো আঙ্গুলের ছাপ পাওয়া যায় নি,,, আমি--আমিও তাই ভাবতেছি,,কেউ ভিতরে প্রবেশ করলো অথচ ক্যামেরায় ধরা পড়লো না,,আসলেই ভূত পেত আছে,,?? ---এখন তো আমার তাই মনে হচ্ছে,, আমি--দেখা যাক কি হয়,, চলবে,, আসলেই কি এসব ভূত প্রেত এর কাজ,,জানতে অপেক্ষা করুন আগামী পর্বের জন্য,,, (আর আপনারা কমেন্ট করে নিশ্চই জানাবেন কেমন লাগছে.. না হলে তো গল্প লিখতে ও দিতে ভালো লাগে না।আর আপনাদের ভালো না লাগলে বলেদিবেন,আর পরের পর্বগুলো দিব না।) ধন্যবাদ..


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ "ছদ্মবেশী ফুচকাওয়ালা"[৮ম পর্ব]

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now