বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
"ছদ্মবেশী ফুচকাওয়ালা"[৪র্থ পর্ব]
Writer : Omar
হঠাৎ ফোনের শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল,,
ফোন হাতে নিয়ে দেখলাম নাহিদ ফোন দিয়েছে,,
আমি--হ্যালো,,
--স্যার,,(কন্ঠটা কেমন জানি লাগল,,)
---কি হয়েছে,,
--স্যার,,খুন,,
--কি কি কোথায়,,(লাফ দিয়ে উঠে গেলাম)
--স্যার কলেজের গেইটম্যান খুন হয়েছে,,
---কিহ,,কখন,,
--ওনাকে কে জানি গুলি করেছে,,,
---আচ্ছা ওনার আশেপাশে কোনো কাগজ আছে কিনা দেখোতো,,
--ওকে স্যার,,
ফোন রেখে দিয়ে সি সি টিভি ফুটেজ দেখতে লাগলাম,,
ফুটেজ এ স্পস্ট বুঝা যাচ্ছে,,দাড়োয়ান গেইটের সামনে বসে আছে,,
একঘন্টা পর উঠে দক্ষিণ দিকে হাঁটা ধরলো,,
স্পস্ট করে দেখার জন্য ওইদিকের একটা ক্যামেরার ফুটেজ থেকে করতে লাগলাম,,
দেখলাম দাড়োয়ান চারপাশে ঘুরে আবার আগের জায়গায় এসে বসলো,,
কিছুক্ষণ পর আবার উঠে চলে গেল,,,
এবার পিছনের ক্যামেরায় গেলাম,,
নাহ ওনি এইদিকে আসে নি,,
সামনের ক্যামারায় গিয়ে দেখলাম ওনি আগের জায়গায় বসে আছে,,
একদম কোন নড়চড় নাই,,
এভাবে অনেকক্ষন দেখলাম,, কিন্তু ওনি একবিন্দুও নড়ল না,,
বসার সাথে সাথে কেউ ঘুমিয়ে যেতে পারে,,?
ব্যাপারটা কেমন জানি লাগল,,
তাই জোম করে দেখলাম,
দেখলাম ওনার বুকের বামপাশে রক্ত,,
আর বুঝতে বাকি রইল না,,,
ওনাকে গুলি করা হয়েছে,,
কিন্তু গুলি টা করলো কিভাবে,,খুনি কে তো কোথাও দেখলাম না,, এতগুলো ক্যামেরার মধ্যে একটাতেও ধরা পড়লো না,,
তখনি নাহিদ এর ফোন,
আমি--কিছু পেলে,
--আমাদের কর্মীরা ভালো করে দেখেছে কিন্তু কিছু পাইনি,,
--ওও আচ্ছা ওখানে কি কলেজের স্টোডেন্ট রা সবাই আছে,,
--জি স্যার,, আপনি আসবেন না,,
--আমি যদি যাই আমাকে তো সবাই চিনে ফেলবে,,তাহলে সব কিছু বরবাদ হয়ে যাবে,,
--তাহলে কি করবেন স্যার,,
---পুশিশদের বলো সবাইকে পাঠিয়ে দিতে,,আজকে আমি নিজে তদন্ত করবো,,
--ওকে স্যার,
---আচ্ছা সীমা কোথায়,,?
--আছে স্যার,,।
--ওকে বল,, অফিসে যেতে,,
--ওকে স্যার,,
তারপর আমি মাহমুদ কে ফোন দিয়ে আমার বাসার সামনে আসতে বললাম,,
রেডি হয়ে পিস্তল টা কোমরে গুজে নিলাম, তারপর বেড়িয়ে পড়লাম,,
কিন্তু মাহমুদ এখনো আসে নি,,
১০ মিনিট পর আসলো,,
---সরি স্যার দেরি হয়ে গেল,,
--is ok,,lats go,,
--ok sir,,
---তখনি স্যার এর ফোন,,
---আসসালামু আলাইকুম স্যার,,
--ওয়ালাইকুমুস সালাম,, আপনি এখন কোথায়,,?
--এইতো স্যার ঘটনা স্থলে যাচ্ছি,,
--ওকে,,,
ফোন রেখে দিল,,
তারপর গাড়ি নিয়ে চলে আসলাম কলেজের সামনে,,
দেখলাম অনেক পুলিশ আর আমাদের গোয়েন্দা সদস্য,,
আমি গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে সবাই আমাকে স্যালুট জানালো,,
আমি--কোন ক্লু পেলেন আপনারা,,
---স্যার কিছু পেলাম না,,
আমি লাশ টাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলাম,,
হুম গুলিটা ওনার বুকে লেগেছে,,
আমি--লা্টাকে মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন,,
---ওকে স্যার,,,
এম্বুলেন্স এনে লাশ পাঠিয়ে দেওয়া হলো,,
তারপর পুরো কলেজ লকডাউন করে দেওয়া হলো,,
যতদিন পুলিশ এটা খুলবে ততদিন কেউ প্রবেশ করতে পারবে না,,
তারপর ওখান থেকে সুজা অফিসে চলে গেলাম,,
পরদিন রিপোর্ট চলে আসলো,,
কিছু পাওয়া গেল না,,,
কিন্তু আমাদের ইন্টেলিজেন্টস ডাঃ প্যাকেট থেকে বুলেট টা বের করে একটা আশা জাগালো,,
ডাঃ--এটা কি দেখতে পারছেন,,
সবাই--এটা একটা বুলেট আর কি,,
---এটা ওনার বুকের ভিতর ঢুকেছিল,,
-সেটা তো জানি,,গুলি করলে তো বুলেট ঢুকবেই,,
--কুল কুল,এই বুলেট টার দিকে ভালো করে লক্ষ করেন তো,,
সবাই ভাল করে দেখতে লাগল,,
--কিছু বুঝলেন,,?
--না,
---আপনার রিবালবার টা একটু দেন তো,,(আমাকে)
-----এই নিন,,
ডাঃ--এটার গতিবেগ তো চারশ মিটার,,
--জি,,ঠিক ধরেছেন,,ব্রাজিলিয়ান,
---এটাতো নতুন মনে হয়,,
--জি,,ছয় মাস আগে দেওয়া হয়েছে,, আগের টা নিয়ে,,
--আগেরটার গতিবেগ কত ছিল,,
--১২০ মিটার,,
--ও তাহলে আগের টার চেয়ে এটা বেশি শক্তিশালী,,
আমি---আচ্ছা আপনি ঠিক কি করতে চাইছেন একটু বলবেন,,শুধু পিস্তল এর ডিটেইলস নিচ্ছেন,,
--কুর বাবু কুল,,(হাসি দিয়ে)
আমি--হট বুইড়া হট,, আপনার সাথে মজা করার সময় নাই,,আসল কথা বলেন,,
---হুম,, আপনার বুলেট গুলো একটু বের করে
দিবেন,
ওনার কথা মতো দিলাম,,
---এবার ভালো করে লক্ষ করেন তো আপনার বুলেটের সাথে এটা একদম মিলে গেছে,,, এগুলোর সাথে যদি এটা ভুলে
মিশিয়ে দি,, আপনি ধরতৈই পারবেন না,,
--তাই তো দেখতেছি,,
--হুম,,তার মানে বুঝা যায়,,
--কী বুঝা যায়,,
---তার মানে খুনি এরকম কোন গুলি দিয়ে করেছে,,
আমি-কিন্তু এই অস্ত্র গুলি তো একমাত্র সরকারি লোকদের দেওয়া হয়,,
--সেটা আপনি খুঁজে বের করুন, আমার কাজ এখানেই,,
তারপর ওখান থেকে বাসায় চলে আসলাম,,
এসে ভিডিও টা আবার দেখলাম,,
ভালো করে জোম দিয়ে দেখলাম,,ওনি গেইটের দিকে মুখ করে বসে ছিলেন,,
তারমানে সামনে থেকে করা হয়েছে,,
বাসা থেকে বের হয়ে সুজা চলে আসলাম কলেজে,,
এসে চারদিকে ভালো করে দেখতে লাগলাম,,
সবাই পুর্ব দিকে মানে গেইট এর সোজা সোজা চোখ পড়তেই,,------
আমার মধ্যে আধার সঞ্চার হলো,,
চলবে.....
সবার মতামত জানাবেন,,
কার কোন দিকটা বেশি ভালো লেগেছে,, অথবা কোন দিকটা খারাপ লেগেছে তা অবশ্যই জানাবেন,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now