বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
"ছদ্মবেশী ফুচকাওয়ালা"[৩য় পর্ব]
Writer: Omar
মিটিং শেষ করে করে বাসায় চলে আসলাম,,,
এসে ভাবতে লাগলাম কি করা যায়,, খুব জটিল কেইস,,
তখনি সীমার ফোন,,
আমি--হ্যালো,,
---স্যার,, আপনার কথা মতো পুরো কলেজে ভালো করে পরিদর্শন করলাম,,
--কিছু বুঝতে পারলে,,?
--স্যার কলেজের পিছনে আরো একটা গেইট আছে,, কিন্তু এটা দিয়ে কারো চলাচল নাই বললেই চলে,,
---তাহলে কি খুনিরা এই গেইট দিয়ে প্রবেশ করে,,?
---হতে পারে,,
ফোন রেখে দিয়ে চিন্তা করতে লাগলাম,,
রাতে গিয়ে পুরো কলেজ ঘিরে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে দিলাম,, বিশেষ করে পিছনের গেইট এ,,
যেহেতু চার টা খুন হয়েছে সেহেতু আরো খুন হতে পারে,,
খুনি কে যে করেই হোক ধরতে হবে,,,এটা আমার মান সম্মানের প্রশ্ন,, আমার পুরো টিম এর সম্মিন জড়িয়ে আছে,,
তারপর বাসাই এসে ঘুমিয়ে পড়লাম,,
[ Follow me on Facebook :: https://facebook.com/100048510008102 ]
পরদিন আবার ফুচকা ওয়ালার রুপে কলেজের সামনে গেলাম,,
দেখলাম সকল স্টুডেন্ট রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করতেছে,,
আমি সবকিছু প্রত্যক্ষ করতেছি,,,
আমার মাথায় বারবার এটা ঘুরতেছে খুনি শুধু এই কলেজের ভিতর বাইরের মানুষ খুন করতেছে কেন,,আসলে তার উদ্দেশ্য কি,,,
এভাবে তিন দিন চলে গেল,,
এখাননো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি,,
--এক প্লেট ফুচকা দেন তো,,
আওয়াজ শুনে বুঝলাম এটা নাহিদ,,
--হ্যা দিচ্ছি মামা,, বসেন
ওকে ফুচকা দিয়ে আমি আমার কাজে মনোযোগ দিলাম,,
তখনি
---তখনি ওই ছেলেগুলো আসলো,,
--মামা ফুচকা দাও,,
--হ্যা দিচ্ছি ভাগিনা,,এই কয়দিন আসোনাই কেন,,
--এমনি,,
ওদের ও ফুচকা দিলাম,,
তখনি আরেক দল মেয়ে এল,,
---মামা চার প্লেট ফুচকা দেন তো,,
---দিচ্ছি,,একটু বসেন,,
তখনি সীমা আসলো,,
--মামা ফুচকা দেন,,
আজকে সূর্য কোন দিকে এসেছে,,সব কাস্টমার একসাথে আসছে,,
একা হাতে কতগুলো ফুচকা বানাবো,,
--হ্যা দিচ্ছি বসেন,,
ফুচকা বানিয়ে একে একে সবাইকে দিলাম,,
শেষের একজন কে দিতে গিয়ে ফুচকা ভুরাক্রমে মেয়ে একটার গায়ে পড়ে যায়,,,
সাথে সাথে ঠাসসসসসস,,
আমি থ হয়ে গেলাম,,
---সালা ছোটলোকের বাচ্চা,,দিলি তো আমার কাপড় টা নষ্ট করে,,চোখ কোথায় রাখিস,,
বলেই আরেক টা ঠাসস করে বসিয়ে দিলো,,
সামান্য একটু ভুলের কারণে দুইটা থাপ্পড় খেতে হলো,,
আমি--আগ্গে আমি খেয়াল করি নি,,
--খেয়াল করবি কেমনে,,যে
যত্তসব ছোট লোক,,
তখনি
সিমা--এই যে আপনি বার বার কাকে ছোটলোক বলছেন,,
---দেখতে পাচ্ছেন না,,
--সম্মান দিয়ে কথা বলবেন,, কোন মানুষকে ছোট করে দেখবেন না,,
ছেলে একটা--হ্যা রত্না তুমি সবার সাথে খারাপ ব্যবহার কর কেন,,,ওনি হয়ত না দেখে ভুল করে ফেলেছেন তাই বলে এভাবে অপমান করবে,,
---তুদের চামচামি করতে কে বলেছে,, আমি যা খুশি তাই করব,,
সিমা--মুখ সামলে কথা বলেন,, বেয়াদব মেয়ে কোথাকার,
---ওই তুর তো সাহস কম না,,আমাকে বেয়াদব বলছিস,,আমাকে চিনিস,,?
---তুর মতো বেয়াদব মেয়ে কে চিনার কোন ইচ্ছে আমার নেই,,
--তুই কিন্তু বেশি বাড়াবাড়ি করছিস,,
--বাড়াবাড়ির কি দেখছিস,,
ঝগড়া দেখতেছি বড় হচ্ছে,,
তাই সিমা কে চোখ টিপ দিয়ে চুপ করতে বললাম,,
আমি--আপনারা আমার কারণে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করবেন না,, আমি আপনার কাছ থেকে
হাত জোড় করে ক্ষমা চাচ্ছি,,
--তুকে আমি দেখে নিবো,,তুর জন্য কোথাকার কোন মেয়ে আমাকে কথা শুনিয়েছে,,
বলেই হনহন করে চলে গেল,,
ওর পিছে পিছে অন্ধ মেয়েগুলো ও চলে গেল,,
ফুচকার বিল পর্যন্ত দিয়ে গেল না,
ছেলে--মামা মেয়েটা খুব ডিয়ারিং,আর দেমাগ বেশি,,
আমি-দেখেই বুঝলাম,,আজ গরীব বলে এভাবে অপমান করলো,,(মন খারাপ করে)
--মেয়েটা মানুষ কে মানুষ হিসেবে মনে করে না,,সবাইকে যেভাবে পারে অপমান করে,,
আমি--এটা কি কোন ধনীর মেয়ে,,
--হ্যা প্রিন্সিপাল স্যার এর একমাত্র মেয়ে,,
---ও,,
--আচ্ছা আজ উঠি,,ওরা বিল দিয়ে চলে গেল,,
তারপর নাহিদ আর সিমাও চলে গেল,,
দুইটা পঞ্চাশ টাকার নোট দিয়ে,,
আমি জানি টাকাতে কিছু লেখা থাকবে তাই,,
প্রথমে নাহিদের টা পড়লাম,,
---স্যার কাজ কমপ্লিট,, মোবাইল এর সাথে কানেক্ট করে নিবেন,
টাকা গুলো আলাদা পকেটে রাখলাম,,
রাতে মোবাইল এ ফুটেজ দেখতে দেখতে কখন ঘুমিয়ে পড়লাম টেরই পেলাম না,,
পরদিন আর ফুচকা নিয়ে গেলাম না,,
আজকে খুন হওয়া একটা ছেলের বাসায় গেলাম,,
সাথে আছে সহকারী মাহমুদ,,,
কলিং বেল বাজাতে দরজা খুলে দিল,,
একজন মধ্যবয়স্ক মহিলা,,
--কাকে চাই,,।।
আমি--আমরা গোয়েন্দা কমিটি,, আপনার ছেলের খুনের ব্যাপারে কিছু জিগ্গেস করতে এসেছি,,
--ভিতরে আসুন,,।
ভিতরে নিয়ে গিয়ে সোফায় বসতে দিল,,
---আচ্ছা আপনার ছেলে যেদিন খুন হয় ওইদিন বাসা থেকে কখন বের হয়েছিল,,
---আমার ছেলে তো খুন হওয়ার তিন দিন আগে বাসা থেকে বের হয়েছিল, ঢাকায় যাওয়ার জন্য,,
--ঢাকায় কেন,
--ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী,,,
---ঢাকায় গেলে এখানে খুন হলো কেমনে,,
--সেটা তো জানি না স্যার,,কে বা কারা এভাবে আমার বুক খালি করলো,,
বলেই ঢুকলে কেঁদে উঠলো,,।
।
---আপনি শান্ত হোন,,,আমরা আপনার ছেলের খুনি কে ঠিকই ধরবো,, আপনি আমাদের উপর ভরসা রাখুন,,
তারপর ওখান থেকে চলে আসলাম,
একটা ব্যাপার মাথায় আসছে না,,বের হয়েছে তিন আগে ঢাকায় যাওয়ার জন্য,, কিন্তু খুন হয়েছে চট্টগ্রামের একটা কলেজে,,
ব্যাপারটা কেমন যেন ঘোলাটে হয়ে গেল না,,
এভাবে সাতদিন চলে গেল,,
এই সাত দিন এ কলেজের ভিতর এ কাউকে প্রবেশ করতে দেখলাম না,, প্রতিদিন ফুটেজ গুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে চেক করলাম,,
হঠাৎ--------
চলবে,,,,,
গল্প আস্তে আস্তে রহস্যে ভরা হয়ে যাচ্ছে,,সত্যি বলতে গোয়েন্দা টাইপের গল্প আগে কখনো লিখিনি,, লেখার খুব ইচ্ছা ছিল,,এই প্রথম লিখলাম,,
তেমন অভিজ্ঞতা ও নাই,, তবুও নিজের মধ্যে যা আছে তাই দিয়ে শিখার চেষ্টা করি,,,
আপনাদের মনে হয় গল্পটা ভালো লাগছেনা,,নাহলে তেমন সাড়া পাচ্ছিনা কেন,,?
সবার মতামত জানাবেন,, এবং ভুল ত্রুটি গুলো ধরিয়ে দিবেন,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now