বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Facebook is Free
facebook
ভূতের গল্প
ছাত্তার
ভূত নিয়ে সত্য ঘটনা!!! (সংগৃহীত)
আত্রাই থানার, একটি গ্রাম জামগ্রাম । প্রতি বছর পৌষ মাসের শেষ তং পৌষ মেলা বসে ।সেই স্থানটি তে আছে বড় বড় দুইটি বট গাছ । আজ ও সে গাছের নিচে রাতে কেউ যায় না, বা যেতে সাহস করেনা, অনেক অলৌকিক কিছুর আলামত সে খানে পাওয়া যায় । অনেক কাহীনিই আছে ! আলোচিত কাহীনিটি উপস্থাপন করছি ।
আলি আর ছাত্তার মধ্যে দুই বন্ধুর বেডাবেডি হয় । আলি বলেঃ গাছের নিচে সে একটি টেনিস বল , দিনে রেখে আসবে একটি গোপন স্হানে । ছাত্তার কে একা রাত ১২ টার পড় ঐ গাছের নিচে ,লুকিয়ে থাকা স্থান থেকে নিয়ে আসতে পারলে, ছাত্তার কে ১০০০ টাকা দিয়ে দিবে । সে কাহীনি তে আসছি পড়ে , বলে রাখি ঐ গাছের নিচে রেডিও , মোবাইল এর টাওয়ার গুলো অকেজ হয়ে যায় । এমন কি ঘরির কাঁটা ও স্হির হয়ে যায় । গাছের নিচ থেকে ১৫ ফিটের মত দূরে গেলেই সব কিছু সাভাবিক । দুই গাছের একটি গাছে এখনো একটি অনেক বড় হাতের ছাঁপ বিদ্যমান, তাছাড়া ঘোরার খুরের নিশানা গুলি ও আছে, গাছের শিকরে । গাছ গুলো কত পুরুনো ! তার অনেক মতামত পাওয়া যায় । ৪০০/৬০০ বছর ধরে কোন এক অজানা সভ্যতার সাক্ষি । আমি সেই গাছ দুটির ছবি গুলো ও কয়েক দিন পড় পোষ্ট করার চেষ্টা করব । এবার আসি মূল কাহীনিতেঃ
রাত ১২ টা ১৫ মি রওনা দিলেন , হাতে তার একটি বল্লম , একটি হারিকেন । অনেকে যেতে নিষেধ করা র্শতে ও এগিয়ে চলছেন ছাত্তার ,১৫ জনের মত মানুষ একটি উঠানে তার ফেরত্ আসার আপেক্ষার প্রহর গুনছে । এগুচ্ছে ছাত্তার , ঐ যে গাছ দেখা যাচ্ছে । গাছের একটি শিকরের গর্তে আছে বলটি , পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা । আনেক সাহস ছাত্তারের কিন্তু গাছের নিকট পৌছার একটু আগেই একটি অজানা ভয়ে ভিত তার মন । অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ঘটবে সে জানে । সেটার মোকাবেলা করার সাহস আছে তার । তাই শুরু হলঃ গাছের ১৫ ফিটের বৃত্তের মধ্যে পা রাখতেই মনে হয় ভূমি কম্পশুরু থরথর করে কেঁপে উঠলো । গাছের পাতা ঝরে ঝরে পড়ছে মাটিতে । বল্লম শক্ত করে ধরল । আর এক পা এগুতে ভূমি কম্পন থেমে গেল । শো শো শব্দ শুনতে পেল , একটু পড় ঝর শুরু হল । হারিকেন নিভে যেতেই ,ভয়ে সমস্ত অন্তর শুকিয়ে গেল ছাত্তারের । না এখনই চলে যাওয়া দরকার । ভেবে ফেরত্ আসতে শুরু করলেন । একটু আসতেই ১৫ জন মানুষ কথা বলছে তা শুনে আবার সাহস পেল । তাছাড়া ঐ মানুষ গুলোর কাছে ছোট হয়ে যাবে ?
তা হতে পারেনা । যা হবার হবে ।
আবার এগুতে শুরু করলেন গাছের দিকেঃ
আবার ও ১৫ ফিট বৃত্তের মধ্যে গেলেন কিছুই নেই । বলটি ও পেলেন । ফিরে আসার জন্য পা ফেলতেই মনে হলঃ সামনে একটি দেয়াল ! চুমকে উঠলেন ,উপরে তাকালেন , বুঝতে পাড়লেন বিশাল একটি পা , যা ছাত্তার কে দেয়াল মনে হয়ছে । হাত পা থর থর কাঁপতে শুরু করেছে এতো বড় মানুষ হয় ? বড় বড় চুল মুখ ঢাকা , সাদা সাদা দাঁত বাহীর করে হাঁসছে । তাছিল্লের হাঁসি । এতো ভয়ঙ্কর হাঁসি হয় ছাত্তারের কল্পনার বহীরে । দৌর শুরু করলেন । দৌর দৌর দৌর সে একটি বনের মধ্যে দৌরাচ্ছেন । এক একটি গাছ অনেক বড়, তার মধ্যে দৌরে হাঁপিয়ে উঠলেন থামলেন এবার । থুমকে দাঁড়ালেন ঐ মানুষটিকে আবার দেখে । সামনেই দাড়িয়ে আছে । একি সে তো ঐ স্হানেই আছেন । তা হলে কোথায় দৌরালেন, সে তো এখন ও হাঁপাচ্ছে । হাঁপাতে হাঁপাতে দেখলেন মানুষটি চলে যাচ্ছেন বনের মর্ধ্যে ।একটু দূর হল ভয় । একটু পড়ই বুঝতে পাড়ছেন কিছু একটা দৌরে এসছে তার দিকে ।দৌরা নোর শক্তি নেই । সমস্ত শরীর কাঁপছে , আর কাঁপছে এবার প্রান বুঝি য়ায় ।
কয়েকটি শিয়াল এসে চার পার্শে ঘুরতে লাগল । চোখ গুলো জ্বলজ্বল করে জ্বলছে । এমন ভাব করছে ছ্ত্তার কে খেয়েই ফেলবে । ছাত্তার কাঁদতে কাঁদতে আমাকে ক্ষমা করে দাও । আমি আর কোন দিন আসব না । শিয়ালঃ ধমক দিয়ে এই !!! তোকে প্রথম বার ছেড়ে দিয়েছি , আরার আসলি তোকে খেযেই ফেলব । ছাত্তার এতো আসহায় সে নিশ্বাস নিবার মত শক্তি নেই । শিয়াল কথা বলছে !! উপর হয়ে পড়ে হাত জোর করে আছে ছাত্তার , আমার প্রান ভিক্কা দাও । এবার বট গাছের উপর থেকে একটি হুনুমান এল , একটি ডাল ভেঙ্গে পাছায় পিটাতে শুরু করল । সে কি পিটন . বাবা মা বলে কাঁদছে ছাত্তার । ছাত্তার চিত্কার ও করতে পাড়ছে না । এতো জোরে মারছে ছাত্তার কে , মার খেয়ে গ্যান হারাবে মনে হয়ঃ সে সময় একটি শিয়াল হাত পায়ে মুখে ঠেকাচ্ছে । ছাত্তার মনে করছে সে আর বাঁচে নেই । তাকে খেয়ে ফেলবে আজ , আমাকে ক্ষমা করুন বলে তো বলছেই। একটি শিয়ালঃ তোকে ছেড়ে দিলাম যাহ । আজকের পড় আর কেউ যেন না আসে এখান আমাদের বিরক্ত না করতে । এক বারি দিলেন চোয়াল দিয়ে, ছাত্তার জ্ঞান হারালেন ।
ছাত্তার বর্ননায় ৪/৫ ঘন্টা ধরে এই প্রক্রিয়া চলছে । কিন্তু সবাই এসে ২০ মি পড় ছাত্তার উদ্ধার করল , হাতে পায়ে মারের দাগ , অনেক যায়গা কেটে ও গেছে ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now