বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একটা বিখ্যাত গল্প আছে। কেউ কেউ হয়ত শুনে থাকবেন। গল্পটা চারটি গরুকে নিয়ে৷ তিনটি কালো, একটি সাদা৷ তারা একটা শ্বাপদসংকুল এলাকায় বাস করতো৷ এজন্য নিরাপত্তার খাতিরে তারা একসাথে থাকত এবং একে অপরের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখতো৷ যার ফলে তারা টিকে ছিল৷ একদিন কালো তিনজন একত্র হল এবং বলল এই সাদা গরুটার জন্য আমরা ধরা পড়ে যাব৷ আমরা কালো বলে রাতের বেলা শত্রু আমাদের দেখতে পায় না, কিন্তু তাকে দেখতে পায়৷ চল ঐ গরুটাকে আমরা পরিত্যাগ করি৷ তারপর আমরা তিনজন একসাথে থাকবো৷ যেমন কথা তেমন কাজ৷ সেদিন থেকেই কালো গরুগুলো সাদাটাকে বয়কট করল, তিনজন একপাশে থাকত আর বেচারা সাদা গরু আরেক পাশে৷ সেখানকার নেকড়ে এই গরুদের মধ্যে অনৈক্য বুঝে ফেললো এবং সে সাদা গরুটার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো৷ যখন নেকড়ে সাদা গরুটার গোশত খুলে খুলে খাচ্ছিল, তখন কালো গরুগুলো কোন বাধা দিলনা৷ তারা তাকিয়ে তাকিয়ে তাদের ভাইকে টুকরো টুকরো হতে দেখছিল৷ পরের রাতে নেকড়ে কালো গরুগুলো উপর আক্রমণ করলো, কারণ তাদের শক্তি কমে গেছে৷ এজন্য নেকড়ে একটা কালো গরুকে ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হলো৷ পরের রাতে নেকড়ের জন্য কাজটা আরো সহজ হয়ে গেল, কারণ গরু আছেই মাত্র দুটো৷ নেকড়ে খুব সহজে আরেকটা গরু খেয়ে নিল৷ শেষ রাতে গরু বাকি রইল মাত্র একটা৷ গরুটা ভয়ে এদিক ওদিক ছুটোছুটি করলো। কিন্তু তার কোন সাহায্যকারী নেই৷ নেকড়ে বুঝল গরুটা দৌড়াদৌড়ি করে হাঁপিয়ে একসময় পড়ে যাবে, তাই সে মনের আনন্দে পায়চারি করতে লাগলো৷ সময় সুযোগমত সে গরুটার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো৷ জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে গরুটা একটা কথা বলেছিল, খুবই শিক্ষণীয় কথা৷ সে বলেছিল, আমিতো সেদিনই খাদ্য হয়েছি, যেদিন সাদা গরুটাকে খাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ গরুটা বুঝতে পেরেছিল, যেদিন সে সাদা গরুটাকে সাহায্য করেনি, সেদিনই সে নিজের মৃত্যুর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now