বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বাকি অংশ...
শিকারী দ্রুত দৌড়ে গেল হরিণের কাছে। শিকারের বুকে বিঁধে যাওয়া তীরটা টেনে বের করল। শিকারের হাতিয়ার গুছিয়ে নিয়ে শিকারী এবার মৃত হরিণটাকে কাঁধে নিয়ে ফিরে চলল বাড়ির দিকে। তার কণ্ঠে তখন প্রশান্তি আর আনন্দের প্রকাশ প্রাণখোলা গান আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে গান গাইতে গাইতে সারাদিনের ক্লান্তি ভুলে গেল শিকারী। খুব একটা দূরে নয় বনের কাছেই ছিল শিকারীর বাসা। মনের আনন্দে হেঁটে হেঁটে বাসায় যাবার পথে আবারও তার কানে ভেসে এলো খস খস শব্দ। হঠাৎ থমকে দাঁড়িয়ে এদিক ওদিক তাকাল। মনে মনে ভাবল আরেকটা হরিণ নয় তো! হতেই তো পারে। তাহলে তো সতর্ক হতে হয়! কোনোভাবেই শব্দ করা ঠিক হবে না। কিন্তু একটা হরিণ তো পেলাম। আরেকটা কি শিকার করব?
কিছুক্ষণ ভাবল শিকারী। একটু পরেই মনে মনে সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে বলল একটা পেয়েছি তো কী হয়েছে! বিক্রি করে দেব! বিক্রির টাকা দিয়ে ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনব। যেই চিন্তা সেই কাজ। ঘাড় থেকে মৃত হরিণটাকে মাটিতে রাখল শিকারী। আবারও তীর ধনুক প্রস্তুত করল। তার কানে খস খস শব্দ পুনরায় ভেসে এল। শিকারী কিন্তু ততক্ষণে পুরোপুরি প্রস্তুত। হরিণ দেখার সাথে সাথে তীর মারবে। আগের মতোই একেবারে সোজা বুকে মেরে দেবে। চিন্তা করতেই জঙ্গলের ভেতর থেকে একটা বুনো শূকর গরগর শব্দ তুলে দৌড়ে গেল শিকারীর সামনে দিয়ে। শিকারীও কম যায় না। সঙ্গে সঙ্গে ছুঁড়ে মারল তীর। অভিজ্ঞ শিকারীর তীর লক্ষ্যভেদ করল। শূকরের ঘাড়ে গিয়ে বিদ্ধ হলো তীর। কিন্তু না। শূকর হরিণের মতো মাটিতে লুটিয়ে পড়লো না। তার ঘাড় থেকে দরদর করে রক্ত পড়ছিল তখনো। তবু থামল না বরং আরও হিংস্রভাবে দৌড়তে লাগল। শিকারী তাই আরেকটা তীর প্রস্তুত করল। এই তীরটি লক্ষ্যভেদ করল হয়তো শূকর মাটিতে লুটিয়ে পড়ত। কিন্তু ততক্ষণে তীরবিদ্ধ শূকর শিকারীর কাছে এসে গেল। কাছ থেকে শূকরের আহত অবস্থা দেখে শিকারী তার কষ্টটা অনুভব করল। তীর আর ছোঁড়া হলো না।
(চলবে...)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now