বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
।।।।।।।।।।।।।।।।।
বি.এ পাস করেও এক
যুবক দীর্ঘদিন ধরে চাকরি পাচ্ছে না।
হঠাৎ একদিন...............
চিড়িয়াখানায় তারএকটা চাকরি হয়ে
গেল।চিড়িয়াখানায় বাঘটা হঠাৎ করে
মারা যাওয়ায় খাঁচাটা শূন্য পড়ে আছে।
কর্তৃপক্ষ বললঃ তুমি যদি
খাঁচার ভেতর একটা বাঘের পোষাক পরে
বাঘের মত তর্জন গর্জন দিতে পারো
তাহলে মাসে ৮হাজার টাকা পাবে।
অগত্যা বেকার ছেলেটা তাতেই রাজি।
রোজ চিড়িয়াখানা
খোলার আগে সে বাঘের পোষাক পরে
খাঁচায় ঢুকে পড়ে। দর্শকএলে তাদেরকে
তর্জন-গর্জন ওআরো নানা কায়দা-
কুসরত দেখিয়ে ভীষণ আনন্দ দেয়।
দেখতে দেখতে চিড়িয়াখানায় দর্শক
বেড়ে গেল। বাঘের
খাঁচার সামনে বিরাট ভীড়।চিড়িয়াখানা
কর্তৃপক্ষও খুশি হয়ে বেতন বাড়িয়ে
দিল।ভালোই চলছিল দিন.......হঠাৎ
একদিন হলো বিপত্তি...!!!বাঘের খাঁচার
পাশেই ছিল সিংহের খাঁচা। দুই খাঁচার
মাঝে একটা লোহার জালের বেঁড়া।
একদিন সেই বেড়া ধরে লাফিয়ে নেচে-
কুদে মজা দেখাতে গিয়ে
পুরনো বেঁড়া ভেঙ্গে সে গিয়ে পড়লো
সিংহের খাঁচার ভেতর।এখন কী হবে?
পৈতৃক প্রাণটা বুঝি আজ সিংহের হাতেই
গেল...!
ভয়ে জবু থবু হয়ে খাঁচার এককোণে বসে
দোয়া-দুরুদ পড়তে লাগলো বেচারা।
এদিকে সিংহটাও কিছুক্ষণ চুপকরে বসে
থেকে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালো।তারপর
আস্তে আস্তে
এগিয়ে আসতে লাগলো তারদিকে। ভয়ে
তো তার প্রায় হার্টএটাক হবার
যোগাড় ।এদিকে সিংহটা এক্কেবারে কাছে
চলে এসেছে।প্রাণের মায়া ছেড়ে দিয়ে
ছেলেটা যখন কালেমা পড়তে শুরু করলো
ঠিক তখন সিংহটা বলে উঠলো..........
ভাই,এতো ভয় পাবেন না তো, আমিও
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের
বাংলায় অনার্স , মাস্টার্স.....!!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now