বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাসায় বড় বড়
কবিদের আড্ডা হচ্ছে।
বল্টু সেখানে সবার জন্যে চা বানিয়ে
নিয়ে গেছে বল্টু...
.
বল্টুর বনানো চা খেয়ে প্রথমে
"কবিগুরু" বললেন,
.
'আমারো পরাণো যাহা চায়, তার কিছু
নাই, কিছুই নাহি এই চায়ে গো......
.
এটা শুনে
বিদ্রোহী কবি নজরুল লাফ দিয়ে উঠে বললেন,
"আমি বিদ্রোহী রণক্লান্ত, আমি সেইদিন হব শান্ত!
যদি ভালো করে কেউ চা বানিয়ে আনতো!"
.
নজরুলের কথা শুনে..
উদাস মুখে জীবনানন্দ দাস বললেন,
'আর আসিবনা ফিরে, রবি ঠাকুরের নীড়ে,
গরম চায়ে মুখ দিয়ে ঠোঁট গিয়েছে পুড়ে...
.
খানিক পরেই
কবি সুকান্ত বললেন,
'কবিতা তোমাকে দিলাম বিদায়, এক কাপ চা যেনো ঝলসানো ছাই!
.
হেলাল হাফিজ তখন গুমরে বললেন,
'নষ্ট পাতির সস্তা চায়ে মুখ হয়েছে তিতা!
কষ্ট চেপে নষ্ট চায়ে, মুখ দিয়েছি কিতা?'
.
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ নরম কন্ঠে বললেন,
'ভালো আছি,ভালো থেকো!
চায়েতে চিনি বেশি মেখো! দিও তোমার......
তাকে থামিয়ে দিয়ে...
.
কবি নির্মলেন্দু গুণ বললেন,
'আমি হয়তো মানুষ না, মানুষগুলো অন্যরকম!
মানুষ হলে এমন চায়ে চুমুক দিতাম না!'
.
পরিশেষে রবীন্দ্রনাথ অসহায় চোখে বল্টুর
পানে তাকিয়ে বললেন..
"ওরে অধম, ওরে কাচা ! ভালো করে চা বানিয়ে, আমাকে তুই বাচা! %♥Sultan Mahmud♥%
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now