বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বর্ষারাতি

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X -দুষ্টুমি করবেনা পড়তে বসো। -দুষ্টুমি কোথায় করলাম ? -এই যে আমি পড়তেসি আমাকে ডিস্টার্ব দিচ্ছো? -সারাক্ষন পড়াশোনা করতে হয় ? স্বামীর সেবা বলে কিছু ব্যাপার স্যাপার আছে ঐটা তোমাকে কেউ শেখায়নাই? ধুম করে বই বন্ধ করার শব্দ। -কই যাও ? -হাতুড়ি আনতে -হাতুড়ি কেন?! -তোমার মাথায় চেতন না হারানো পর্যন্ত বাড়ি মারব। বাড়ি মারার পর তুমি চেতন হারাবা আর আমি স্বামী সেবা করব । -ক্যান এমনি এমনি সেবা করা যায় না?সেবা করার জন্য হাতুড়ি দিয়া বাড়ি মারতে হবে ? -বেশি তিড়িংবিড়িং করবানা । তোমার জন্য আমি মেডিসিনে সাপ্লি খাইসি। এখন সাপ্লির আগেও তিড়িংবিড়িং শুরু করসো -ও এখন সব আমার দোষ হয়ে গেল? -তাহলে কার দোষ? প্রফের আগে হানিমুনে কে যেতে চাইছিল ?আমি ? - আমি তোমার পায়ে দড়ি বেঁধে টেনে টেনে হানিমুনে নিয়ে গেসি ? গেলা কেন? আমি একা একা হানিমুন করতাম .. -দেখ বেশি ইতংবিতং করবাতো ডেভিডসনের এক বাড়ি তে টেম্পেরোম্যান্ড িবুলার জয়েন্ট ডিসলোকেট করে দেব ! -আর আমি বুঝি চাইয়া চাইয়া দেখব আর বোলে সাঁইয়া সাঁইয়া গান গাব? -ক্যান কী করবা তুমি? আমাকে মারবা ? -মারতে আসো দেখ কী করি । -তুমি আমাকে ভয় দেখাচ্ছ ? আমাকে? -ভয় দেখাচ্ছিনা বলেছি মারতে আসো দেখ কী করি । -ইহ! দেখার শখ নেই। এই যাওতো তুমি! আমার জন্য এক কাপ চা বানিয়ে নিয়ে আসো । তোমার সাথে বকবক করতে করতে মাথা ধরে গেছে। আচ্ছা রাত চারটা বাজে এখনো ঘুমাচ্ছনা কেন তুমি? -কোলবালিশ ছাড়া ঘুম আসেনা। হঠাত্ টিনের চালে ঝমঝম বৃষ্টির শব্দ। মেয়েটি সম্মোহিতের মত পড়ার টেবিল থেকে উঠে এক দৌড়ে ছুটে গিয়ে জানালাটা খুলে দিল। বৃষ্টির ঝাপটায় ভেসে গেল ঘর। দমকা ভেজা বাতাসে ঠোঁটে আর গালে চুল লেপ্টে গেল। -এই এদিকে আসো । -ঘুমাব । -কোলবালিশ ছাড়াই? -কোলবালিশের দুদিন পর পরীক্ষা ।একা একাইতো ঘুমাতে হবে ! -তুমি আমাকে কোলবালিশ ডাকসো! -চ্যাতো কেন? কোলবালিশ ডাকছি আটার বস্তা তো আর ডাকি নাই ! -শোন ওঠো বলছি । চা বানিয়ে নিয়ে এসো । -উঁই । -কী হলো? -দেখ আমি এখন ঘুমাব। অনেক মারামারি হয়েছে আর না। সকালে ডিউটি আছে। ঘুমাব । আর এম ও এসে যদি দেখে আমি পেশেন্টের বেডে শুয়ে আছি পেশেন্টকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাচ্ছি ভাল হবে সেইটা ? ঘুমাব। -একদম ঘুমাতে দেবনা। এখন আমরা বৃষ্টিতে ভিজব। ভিজতে ভিজতে চা খাব। বারান্দায় একটা চড়ুই পাখি একা একা বৃষ্টিতে ভিজছে । দেখেই কেমন মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বাইরে আলো অন্ধকার একসাথে জড়াজড়ি করে শুয়ে আছে, এত্তগুলো চাঁপা ফুল ফুটেছে। আমাকে পেড়ে দিবা .. কী হলো? এই ,আসো না ..


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বর্ষারাতি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now