বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বই পড়তে ভালোবাসেন অনেকেই। কিন্তু একবার ভেবে দেখেন তো সারাজীবনে কতগুলো বই পড়েছেন? আর কতগুলো বই এক বছরে পড়তে পারবেন? বই পড়াটা কেবল মজার ব্যাপার নয়, এর সম্পর্কে এমন অনেক খুঁটিনাটি বিষয় আছে যেগুলো জানাটাও বেশ মজার।
পৃথিবীতে কে সবচাইতে বেশি বই পড়েছেন সেটা নিয়ে দ্বিধা থাকতেই পারে। তবে ব্রিটেনের ৯১ বছর বয়সী লুইজ ব্রাউনকে পৃথিবীর সেরা বই পড়ুয়াদের একজন বলা যেতেই পারে।
ঠিক কতগুলো বই পড়েছেন এই নারী? এক হাজার নয়, দুই হাজার নয়, জীবনে তিনি ২৫ হাজার বই পড়েছেন।তাও আবার এসব বই তিনি গ্রন্থাগার থেকে নিয়ে পড়েছেন। এর বাইরে আরও যেসব বই পড়েছেন সেগুলোর হিসেব এখনও করা হয়নি।
লুইজের বই পড়া শুরু সেই ১৯৪৬ সাল থেকে।তখন মাত্র পাঁচ বছর বয়স। বাবা মার হাত ধরেই তার বই পড়া শুরু।
প্রতি সপ্তাহে প্রায় ডজনখানিক বই পড়েন তিনি। আর গ্রন্থাগারে কখনো তার বইগুলো ফিরিয়ে দিতে একটুও দেরি হয়নি। ঠিক সময় আর নিয়ম মেনেই বই পড়া শেষ করতেন এই নারী।
চোখে সামান্য সমস্যা থাকার কারণে পড়ার ক্ষেত্রে সবসময় একটু বড় অক্ষরের বইগুলোকেই বেছে নিয়েছেন লুইজ। গ্রন্থাগারেরর পরিচালক বলেন, টানা ৬০ বছর ধরে এমন অভ্যাস চালু রাখায় লুইজের নাম রেকর্ড বুকে যেতে খুব একটা সময় লাগবে না।
পড়াশোনার ক্ষেত্রে খুব একটা বাছবিচার নেই লুইজের। তবে পারিবারিক কাহিনী এবং ঐতিহাসিক বই পড়তে বেশি ভালো লাগে বলে জানান লুইজ। পাশাপাশি হালকা মেজাজের, যুদ্ধ নিয়ে লেখা বইগুলোও পড়ে থাকেন তিনি।
লুইজ ব্রাউনের মেয়ে লুইজ প্রাইড মায়ের ব্যাপারে জানান, সারাদিন এত বই পড়ার পরেও মা অনেক বেশি পড়তে চান। খবরের কাগজ পড়তে এবং টেলিভিশন দেখতেও দেখা যায় তাকে।
গত ছয় যুগ ধরে প্রতি ছয়দিনে ছয়টি বই পড়েছিলেন লুইজ। তবে কয়েক বছর ধরে সেই অভ্যাস পালটে গিয়ে এখন প্রতি সাতদিনে বইয়ের সংখ্যাটি গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১২টি।
এমকে
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now