বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ব্রেকআপ_পরবর্তী_স্মৃতিপট

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ব্রেকআপ_পরবর্তী_স্মৃতিপট গোলাপি রঙের ড্রেসের সাথে ম্যাচিং করে ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক দিলাম। ভারী সাজ দেয়া মানা, তাই শ্যাম্পু করা চুলগুলোকে সিম্পল একটা বেনী করেই ছেড়ে দিলাম, এর চেয়ে বেশি কিছু করলে আবার ভারী সাজ হয়ে যেতে পারে। কানের দুলটাও খুব সিম্পল ছিল। চোখে সামান্য কাজল দিলাম, আইলানার বা মাশকারা কোনটাই না। এতেই ব্যাস। গত রাতে এভাবেই ডিরেকশন দিয়েছিল রায়ান। খাবার আইটেম কি কি হবে জানতে চাইলে, আদর, আপ্যায়নে কোন কমতি হবেনা বলে আশ্বাস দিলাম। তবুও তার চিন্তার অন্ত নেই। কখন কোন আইটেম সামনে দিতে হবে, কিভাবে দিতে হবে সব কিছুই বুঝিয়ে দিল সে। এসব নিয়ে কিছুটা মান অভিমান হলেও নিজ দায়িত্বে তা সামলে নিল রায়ান। আজ অনেক টেনশনেই রাতটা কাটবে ওর। কেননা আগামীকাল ওর বাড়ী থেকে আমাকে দেখতে আসবে সবাই। দুজনে খোলামেলা পরামর্শ করেই সামনে এগোই। কেননা দ্বিতীয়বারের মত কেউ কাউকে আর হারাতে চাইনা তাই। দীর্ঘ পাঁচ বছর আগের ভেঙ্গে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগার পর বিগত ছয় মাসের পুনরুজ্জীবিত সম্পর্কের সুত্র ধরে ধীরে ধীরে আবার এ পর্যন্ত আসা, সুতরাং কিঞ্চিৎ ভয় থাকাটা স্বাভাবিক। রায়ানের মায়ের আমাকে একাধিক বার দেখা হলেও রায়ানের বাবার এই প্রথম দেখা। অনেকটা উৎকন্ঠা আর চিন্তার ভিতর দিয়ে রাত পার হলে সকালে বারবার রায়ানের ফোন। প্রতি আধা ঘন্টা পরপর বাড়ীর আপডেট আমাকে দিচ্ছে রায়ান, তারা কে কি করছে, কখন বের হবে, কে কে আসবে ইত্যাদি। সাথে নিজের না থাকাকে চরম ব্যর্থতা বলে মনে করছে সে। আমি তাকে আশ্বস্ত করে বললাম, "ভরসা রাখ"। রায়ান স্বস্তি পেল। ওকে স্বস্তি দিতে পারলেও আমি কল্পনায় নাকি বাস্তবে তা নিয়ে সংশয় হচ্ছিলো বেশ। কেবলি স্বপ্ন মনে হচ্ছিলো সব। নির্দিষ্ট সময়ে রায়ানের বাড়ীর লোকজন আসলেন। ভাবনার মেঘ তখনো কাটেনি আমার, কেন জানি শুধু মনে হচ্ছিলো ওরা অন্য কেউ, রায়ানের বাড়ীর লোকজন নয়। নিজের চোখ দুটোকে ঠিক বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।ঠিক যেন একটা পরীক্ষা শেষ হলো আমার। জীবনে কখনো কোন পরীক্ষায় পাসের জন্যও এতো চিন্তা হয়নি যতটা সেদিন হয়েছিল। এই প্রথম বার পাস, ফেলের চিন্তা আমায় আচ্ছন্ন করলো। আমার সকল দুশ্চিন্তার অবসান হলো তখন যখন জানতে পারলাম বাড়ী ফিরে রায়ানের বাবা রায়ানের পছন্দের তারিফ করেছেন। বুকের ভেতর এক অজানা সুখের স্রোত প্রবাহিত হলো। এই দিনটির অস্তিত্ব কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি, হয়তো তাই এই অপ্রত্যাশিত আনন্দ, এই অপ্রত্যাশিত সুখ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ব্রেকআপ_পরবর্তী_স্মৃতিপট

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now