বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মাধবী মৃদু-কণ্ঠে কহিল, “প্রমীলা,
মাষ্টারমশায়কে বাহিরে যাইতে বল্।”
প্রমীলা ছোট হইলেও তাহার দিদির
আচরণ দেখিয়া বুঝিতেছিল যে, কাজটা ঠিক হয়
নাই। বলিল, “চলুন, মাষ্টারমশায়—”
অপ্রতিভের মত কিছুক্ষণ সে দাঁড়াইয়া রহিল,
তাহার পর বলিল, “চল।” বেশী কথা সে কহিতে
জানিত না, বেশী কথা বলিতে সে চায় নাই,
তবে সারাদিন মেঘের পর সূর্য্য উঠিলে, হঠাৎ
যেমন লোকে সে দিকে চাহিতে চায়,
ক্ষণকালের জন্য যেমন মনে থাকে না যে
সূর্য্যের পানে চাহিতে নাই, কিংবা চাহিলে চক্ষু
পীড়িত হয়, তেমনি একমাস মেঘাচ্ছন্ন
আকাশের তলে থাকিয়া প্রথম সূর্য্যোদয়ের
সহিত, সুরেন্দ্রনাথ পরম আহ্লাদে চাহিয়া
দেখিতে গিয়াছিল, কিন্তু ফল যে এরূপ দাঁড়াইবে,
তাহা সে জানিত না।
সেইদিন হইতে তাহার যত্নটা একটু কমিয়া
আসিল। মাধবী যেন একটু লজ্জা করিত। বিন্দু
দাসী না কি কথাটা লইয়া একটু হাসিয়াছিল।
সুরেন্দ্রনাথও একটু সঙ্কুচিত হইয়া পড়িয়াছিল ।
আজকাল সে যেন দেখিতে পায়, তাহার বড়দিদির
অসীম ভান্ডার সসীম হইয়াছে। ভগিনীর
যত্ন জননীর স্নেহ-পরশ, যেন তাহার আর
গায় লাগে না, একটু দূরে-দূরে থাকিয়া সরিয়া যায়।
একদিন সে প্রমীলাকে কহিল, “বড়দিদি
আমার উপর রাগ করেচেন, না?”
প্রমীলা বলিল, “হাঁ?”
“কেন রে?”
“আপনি অমন ক’রে বাড়ীর ভিতর
গিয়েছিলেন কেন?
“যেতে নেই, না?”
“তা কি যেতে হয়? দিদি খুব রাগ করেছে।”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now