বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যে সব অর্ডার করলো দেখে তো আমার প্রায়
মাথা ঘোরার অবস্থা...
বড় আপুর সাথে প্রেমের গল্প part-2 শেষে
না না মিঠুন এভাবে হেরে যাওয়া যাবে না, সবুর কর... নিজেকে শান্তনা দিতেছি... আর নার্ভাস ফিল করতেছি। জানি বাকি রাখা যাবে আইডি কার্ড জমা দিয়ে কিন্তু কাল টাকা কই পাবো সেটাই ভাবতেছি। এই দিকে কখন যে খাবার এসেছে জানিইনা। অয়ন্তিকার ধাক্কায় টের পেলাম।
--- কোথায় ছিলেন এতক্ষণ। কখন থেকে ডাকছি নাকি আমাদের ভালো লাগেনি।
--- না না। তেমন কিছু না।
--- শুরু করি।।
--- হুম। এইযে আপু please.
--- নুসরাত ভাই কি কোন টেনশনে আছেন।
--- না তেমন কিছু না।
--- আমাদের আপন ভাবতে পারেন কোন সমস্যা নাই।
--- না ঠিক আছে। প্রোয়োজন হলে বলব।
অয়ন্তিকা বলল অত আপন হওয়া লাগবে না এখন খেয়ে কেটে পর তারাতাড়ি।
জেবা বলল এই রকম অনেক দেখেছি রে নুসরাত কয়দিন দেখা যাবে।
প্লিজ আপনারা থমবেন আমরা ঝগড়া নয় খাইতে এসেছি প্লিজ...
নুসরাত এটা আমাদের কমন বেপার... সব সময় এরকমেই চলে আমাদের।
আমি :- আচ্ছা, যাইহোক মুল কথায় আসি। আপনারা কোন ডিপার্টমেন্ট।
জেবা:- ভাইয়া... সবার উদেশ্যে একটা কথা বলি... আমরা এখন থেকে আর কেউ আপনি করে কাউকে বলব না। সবাই রাজি তো নাকি।।
অয়ন্তিকা তুই কি বলিস। অয়ন্তিকা বলল হুম।
---- ভাইয়া আপনি?
---- না আমি রাজি না। কারন তুমি নিজেই আপনি বলছো। আর আমাকে ভাইয়া ডাকা যাবে না।
---- ওকে, তবে আমরা ভাইয়া ডাকবো আর অয়ন্তিকা কি ডাকবে সেটা আপনাদের ব্যাপার।
আমি:- মানে কি?
অয়ন্তিকা:- তুই কি বলতে চাচ্ছিস।
নুসরাত বলল আমার দেরি হচ্ছে আমি নাই বাই বাই, ভাইয়া আবার দেখা হবে। বলে জেবা সহ উটে গেল। এখন তো বিল দিতে হবে মিঠুন। দেখি কি আছে কপালে।
অয়ন্তিকা বলল তুমি কি এখন ফ্রি আছ।
এরে শাটু এতো কাছে. আমারো কিন্তু খুব পছন্দ অয়ন্তিকাকে। এখন এই অবস্থায় বলতে ইচ্ছা করছে অয়ন্তিকা আই লাভ ইউ।
আবার বলল কি এখন কি ফ্রি আছো।
আমি কেন? চট করে মাথায় খেয়াল হল। কেন্ট্রিন তো এখন খাবার দেওয়ার আগেই টাকা নিয়ে নেয়। এই কথাটা মাথায় আগে আসে নি কেন। শালা শুধু কফি খেলাম।
অয়ন্তিকা :- না, আমার এখন ক্লাস নাই তো।
আমি:- ওহ আমার ক্লাস আছে একটা। তো বাদ দাও করবো না।
--- না না না, ক্লাস কর।
--- লাগবেনা, ফিজিক্স ক্লাস! শিটে যা আছে স্যার শুধু লিখে যায় আর লিখে যায়।
--- তাহলে চল। বাইরে যাই।
--- কোথায়?
--- রাস্তায়।
--- চলো। (আমাদের ভার্সিটির সামনটা পুরো ফাঁকা। রাস্তা টাও একেবারে ফাঁকা। দুই তিনটা দোকান আছে। সবাই সেখানে সিগারেট খায়)
অয়ন্তিকা বলল তুমি সিগারেট খাওনা।
আমি ভাবছি কি যে বলব।
সেই বলে উঠলো এই দেখ বড়ভাইরা সিগারেট খাচ্ছে আর আপুরা একটা হাত ধরে হাটতেছে। আমার খুব ভালো লাগে।
দোকানের সামনে গেলাম, বললাম মামা একটা বেনসন সুইচ দেন তো. হুম মামা নিন। অয়ন্তিকা শুধু দেখতেছে।
আমি বললাম :- ওই দিকে একটা বসার জায়গা আছে যাবে।
অয়ন্তিকা সে যেন বলার ভাসা হারিছে শুধু ছলছল চোখে দেখতেছে আর আমার যেন একটা হাত কখন জড়িয়ে থরেছে সে যেন নিজেও জানে না।
বললাম বস। সে বসে আমার ঘারে মাথা রেখে আমাকে যেন সে আগলে রেখেছে, কোন কথা বলছে না যেন কত দিনের পুরোনো। যেন যুগ যুগ ফুরিয়ে দিবে সে এভাবে। আমার তখন যে কি ভালটা লাগতেছিল বুঝাতে পারবোনা। এদিক ওদিক কেউ নেই সবাই তখন ক্লাস করতে ব্যাস্ত।
তখন আমার মনে হচ্ছে আমি সারা জিবনটা যেন তাকে এখাবেই পাই।
কতক্ষন এভাবে ছিলাম দুজন জানি না। হঠাৎ যেন মনে হল সূর্য মামাটার হিংসা হল আমাদের দেখে। কোথায় যে চলে গেল খুজেই পেলাম না। চতুর দিকে কেমন যেন অন্ধকার নেমে আসছে। আমি অয়ন্তিকাকে বলছি অয়ন্তিকা উঠো। ও যেন স্বপ্ন দেখছে, আর বলছে হুম বাবা খুব ভালবাসি তো তোমায়। এদিকে চার পাচেক এলাকার মাস্তান আমাদের ঘিরে ফেলেছে। আমি অয়ন্তিকাকে আবার ডাকলাম সে যেন স্বপ্নের দেশ থেকে ফিরে এলো। বলল এরা কারা, মাস্তান রা বলছে মারো এদের......
আশা করছি ভালো লাগছে আপনাদের... আসলে গত দিন খুব ঘুম পাইছিল তাই ওইটুকুই লিখেছিলাম। কিন্তু আপনাদের ভালোবাসা আমাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেয় নি। ওহ আর একটা কথা অয়ন্তিকা কিন্তু আপনাদের হাই বলেছে....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now