বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বড় আপুর দৌড়ানি

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ″BABU″♦ (০ পয়েন্ট)

X RS Shakil Azad (Writter) মাঠে ক্রিকেট খেলতে গেছি । খেলতে গিয়ে দেখি যে জমিতে আমাদের ক্রিকেট মাঠ ছিল সেই‌ জমির মালিক আমাদের মাঠটা ট্রাক্টর দিয়ে হাল দিয়েছে । আমি আর আমার বন্ধুরা তো মাঠের অবস্থা দেখে ভীষণ চটে গেছি! কিন্তু কী আর করার! যার জমি তার তো সেটা করার এখতিয়ার আছে , কারণ জমির মালিক কয়েকদিন পর গম বুনবে । এসব ভেবে আমরা আর কিছু বললাম না । কিন্তু আজকের বিকেলটা তো আর মাটি হতে দিব না! আমার বন্ধু বিপ্লব হঠাৎ আসাদকে বলল , এই অভিনয় যা হামিদের বাড়ি থেকে কোদালটা নিয়ে আয় , রেডি রেডি খেলবangry আমি বললাম , কি রে চাচাকে নাম বলে ডাকিস কেন? এমনি তোরা চুপ থাক! যাহ আমরা চুপ থাকলাম । কিন্তু আসাদ এখনো যায় নি কোদাল আনতে । মাহাবুব এবার রেগে গিয়ে বলল , অ্যাই যা কী শুনিস? কোদাল নিয়ে আয়....! আসাদ কিছুক্ষণের মধ্যেই কোদাল নিয়ে আসল আর সাথে নিয়ে আসল হামিদ চাচার নাতি ওরফে তিথি আপুর হীরা-মানিকটাকে । দেখতে খুব কিউট । ওর নাম আদিল । আমরা বল্টু বলে ডাকি । আমাদের বল্টু নামে ডাকার জন্য তিথি আপু আমাদের ধমক দিয়ে পারিশ্রামিক মিটিয়ে দেয় । তো আসাদ কোদাল আনার পর সিয়াম , রশিদ , সবুজ ও অন্যরা রেডি রেডি খেলার জন্য ঘর তৈরী করতে থাকে । রেডি রেডি আমাদের একটি আঞ্চলিক খেলা । ছোটদের খেলা হলেও এটা আমাদের প্রিয় খেলা । আমাদের গ্রামে এই খেলা সবচাইতে বেশী পারে সোহাগ , তারপর মাহাবুব , তারপর আমি । তো ওরা খেলার ঘর তৈরী করে এদিকে আমি আর মাহাবুব বল্টুর সাথে খেলি । রেডি রেডির ঘর তৈরী করার পর আমরা দুটি দলে ভাগ হয়ে খেলতে থাকি । আর বল্টু খেলার সঙ্গী না পেয়ে আমাদের শুধু ডিস্টার্ব করে । আর আমাদের দিকে ঢিল ছুড়ে মারে । আমাকে কয়েকটা ঢিল মারার পর আমি একটা মারলাম তারপরই সে কাঁদতে থাকে । আমি যতই বোঝাচ্ছি সে আরও কাঁদছে আর আমাকে ঢিল‌ মারছে । মারছে তো মারছেই । আর আমি একটি ঢিলের জন্য তার সব ঢিলের ব্যথা সহ্য করছি । আমাকে বিব্রত হতে দেখে বল্টু কাঁদতে কাঁদতে আবার খিলখিল করে হেসে উঠল!! কেমন লাগে আপনারাই বলেন?angry আমি ব্যথায় মরছি আর ও হাসছে । আমি ওকে মারতে নিষেধ করলে বলে sorry বল , sorry বল । এইটুকু ছেলের কাছে এখন মাথা নত করতে হবে , কিন্তু বাধ্য হয়ে Sorry বললাম । আর তিথি আপু ছেলের কান্না শুনে আমার কাছে হাজির! আমাকে কান্নার বিষয় জিজ্ঞেস করতেই আমি বললাম , না মানে আপু বল্টু আসলে..... যেই না বলেছি বল্টু নামটা তিথি আপু আমাকে দৌড়ানি দিছে । আর আমার বন্ধুরা দেখে হেসে গড়াগড়ি । আর দৌড়াতে দৌড়াতে তিথি আপু বলছে , কুত্তার বাচ্চা তোরে না বলছি ওরে কাঁদাবি না , বল্টু বলে ডাকবি না । আমি দৌড়ানি খাচ্ছি আর আমার দুইজন বন্ধু জোরে চিৎকার দিয়ে বলল , আতা গাছে তোতা পাখি , ডালিম গাছে সুন্দরীgj কবিতা বলতে গিয়ে তিথি আপু নাকি ছোটবেলায় এটা বলেছিল । আর ডালিম গাছে সুন্দরী কথাটি শুনেই তিথি আপু ক্ষেতে বসে বাচ্চাদের মতো কাঁদতে থাকে । সে ওই‌ কথাটা একদমই সহ্য করতে পারে না । যাহ বাবা এটা বলে, বন্ধুরা অন্তত দৌড়ানি থেকে বাঁচাল । তো আমি আবার এই সুযোগে একটু বিশ্রাম নিয়ে আপুকে ফান করে বললাম , আপু তোর বাপ মানে আমার চাচার নাকি ৩ টা বিয়ে । আপু এবার ড্রাকুলাদের মতো আমার দিকে তাকিয়ে আবার উঠে রাগী দৌড়ানি দিছে । আমি ঘরে এসে তাড়াতাড়ি দরজা লাগিয়ে দিয়ে হাই সাউন্ডে FM ৯২.০ থেকে হিন্দি গান শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে গেলাম । বাকিটা ইতিহাস.......... আব্বুর কাছে অভিযোগ দিলে আব্বুও হাসতে থাকে!! এই তিথি আপু না খুব emotional and tar son k khub love kore ,,, boltur kanna o ekdom sojjo korte pare na...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বড় আপুর দৌড়ানি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now