বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লামিয়া ও লিমন ভালো বন্ধু। একে অপরকে ছাড়া বাচতেই পারতো না।লামিয়া যেদিকে যায় লিমন সেদিকে যায়।দিন দিন তাদের বাধন আর শক্ত হতে থাকে। তারা একমুহুর্ত একে অপরকে না দেখলে পাগলের মতো লাফালাফি করে। এরমধ্য যে কোনদিন তাদের মধ্য ভালোবাসা হয়ে গেছে তা তারা বুঝেই নি।লিমন আর লামিয়া এখন বড় হয়েছে।লামিয়ার মা তাকে মহিলাদের কিভাবে ঘরে আড়ালে থাকতে হয় তা শিখিয়ে দিলেন আর বাইরে যেতে নিষেধ করলেন। লামিয়া তো লিমনকে দেখার জন্য প্রতিদিন দুইতলা উটত আর লিমন তাকে দেখার জন্য লামিয়ার বাড়ীর দুতলার দিকে তাকিয়ে থাকত। লামিয়া একদিন লিমনকে বলল পালিয়ে যেতে লিমনও রাজি
লামিয়া:-চলো আমরা পালিয়ে যাই আর এসব ভালো লাগছে না।
লিমন:-তাহলে চলো কাল সকালে যখন তুমার মা বাসায় থাকবে না তখন বটগাছের নিচে এসো আমি আমার মোটরসাইকেল নিয়ে বসে থাকব
লামিয়া:-আচ্ছা হবে
লামিয়া পরেরদিন সক্কাল সক্কাল উঠে পরে।মা যখন বাইরে যায় তখন সে তার ব্যাগ গুছিয়ে ছেলেটির কাছে যায়। তারপর লিমন তাকে নিয়ে একটি বাসা ভাড়া করে নিল তারা দুজন সেখানে বাস করতো।লামিয়া যখন রান্না করতো তখন লিমন তাকে জরিয়ে ধরে।আর হঠাৎ লিমনের হাত আগুনে জ্বলে গেলে লামিয়া বলে.........
লামিয়া:-এটা তুমি কি করলে??
লিমন:-তুমার জন্য জীবন দিতেও রাজি আমার জান!!!
লামিয়া:-আসো আমি তুমাকে খাইয়ে দেই
লিমন:-এই কথা শুনার জন্য তো হাত জ্বালালাম!!
লামিয়া:-লুচ্চা!! আমার সাথে লুচ্চামি করো। বাবু আমার" আ লামিয়া ও লিমন ভালো বন্ধু। একে অপরকে ছাড়া বাচতেই পারতো না।লামিয়া যেদিকে যায় লিমন সেদিকে যায়।দিন দিন তাদের বাধন আর শক্ত হতে থাকে। তারা একমুহুর্ত একে অপরকে না দেখলে পাগলের মতো লাফালাফি করে। এরমধ্য যে কোনদিন তাদের মধ্য ভালোবাসা হয়ে গেছে তা তারা বুঝেই নি।লিমন আর লামিয়া এখন বড় হয়েছে।লামিয়ার মা তাকে মহিলাদের কিভাবে ঘরে আড়ালে থাকতে হয় তা শিখিয়ে দিলেন আর বাইরে যেতে নিষেধ করলেন। লামিয়া তো লিমনকে দেখার জন্য প্রতিদিন দুইতলা উটত আর লিমন তাকে দেখার জন্য লামিয়ার বাড়ীর দুতলার দিকে তাকিয়ে থাকত। লামিয়া একদিন লিমনকে বলল পালিয়ে যেতে লিমনও রাজি
লামিয়া:-চলো আমরা পালিয়ে যাই আর এসব ভালো লাগছে না।
লিমন:-তাহলে চলো কাল সকালে যখন তুমার মা বাসায় থাকবে না তখন বটগাছের নিচে এসো আমি আমার মোটরসাইকেল নিয়ে বসে থাকব
লামিয়া:-আচ্ছা হবে।
লামিয়া সুযোগ বুঝে মাকে ফাকি দিয়ে লিমন এর কাছে যায়।লিমন তাকে নিয়ে একটি বাসা ভাড়া করে সেখানে বাস করত।লামিয়া রান্না করার সময় লিমন তাকে জড়িয়ে ধরত।আর হঠাৎ লিমনের হাত আগুনে জ্বলে গেলে...
লামিয়া:-এটা তুমি কি করলে??
লিমন:-তুমার জন্য জান দিতেও রাজি আমার জাননননন
লামিয়া:-এগুলা ছাড়!!চলো তুমাকে খাইয়ে দেই।
লিমন:-এই কথা শুনার জন্যই তো হাত জ্বালালাম।
লামিয়া:-লুচ্চা!! আমার সাথে লুচ্চামি করো!!আচ্ছা তুমি "আ" করো বাবু।
লিমন:-আআআআআআ
তারপর লামিয়া ওকে খাইয়ে দেয়।লামিয়ার হঠাৎ তার মায়ের কথা মনে পড়ে যে, মা কিভাবে খাচ্ছে?, কি করছে?তখন লামিয়া কান্না শুরু করে ও লিমন কে বলে সে বাড়ী যাবে। লিমন পরেরদিন লামিয়াকে তার বাড়ী দিয়ে সেও তার বাবার কাছে যায়।কিন্তু তারা তাদের মজারদিনগুলার কথা ভুলতে পারে না। লিমন বাড়ী গিয়ে খেতে পারে না শুধু কাদে। লামিয়াও কাদে তারপর লিমনের বাবা সব বুঝতে পারে। তিনি এসে লামিয়ার মায়ের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেন আর লামিয়ার মাও সায় দেন।কাল তাদের বিয়ে।সবাই বিয়েতে যাবেন কিন্তু!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now