বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বন্যা আপু সজলকে
চোখ
টিপে দিয়েছিল। সেটা দেখেই
সজল
দৌড়ে বাসার ভিতরে চলে যায়।
তবে
আজকে সজলের মনে হচ্ছে বন্যা আপুই
তার জন্য ভাল হত।
.
-কি চিন্তা করছো?
-বন্যা আপু...
-বন্যা আপুটা কে?
-না মানে, কেউনা।
-কেউনা মানে কি?
-আমাদের ভাড়াটিয়া। ছিল, এখন
নেই।
কোথায় আছে তাও জানিনা, আর
তাছাড়া আমি কিছু করিনি।
-কি করেছো বল?
-আমি কিছু করিনি। বন্যা আপু চোখ
টিপ
দিয়েছিল।
-কবে?
-সাতবছর আগে।
-সাত বছর? তোমাদের প্রেম ছিল?
-না।
-তাহলে?
-বন্যা আপু বোধহয় ভালবাসতো।
-তুমি কি সাধু ছিলে? তুমি
ভালবাসতে না?
-বাসতামনা, তবে এখন বাসতে ইচ্ছে
করছে।
-কেন?
-একটাকার নোটের জন্য।
-একটাকার নোট! তোমার কি মাথা
খারাপ হয়েছে?
-না। আগে একটাকার নোটে হরিণের
ছবি ছিল, এখন নেই।
-কি সব বলছো?
-হ্যাঁ, এখন তো সব কয়েন হয়ে গেছে।
মানিব্যাগে রাখা যায়না। ঝনঝন
শব্দ
করে। যখন তখন পরে যাবার ভয় থাকে।
মুনা বুঝতে পেরেছে সজল আসলে
বিয়ে করতে যাবেনা বলে
পাগলামী
শুরু করছে। এখন উল্টাপাল্টা কথা
বলবে
কিছুক্ষন, তারপর বিয়ে বিষয়টা
এড়িয়ে
গেলেই স্বাভাবিক হয়ে যাবে সজল।
তখন হয়তো গলা ছেড়ে একটা গান
গাইবে। সে গান শুনে মুনাও ভুলে
যাবে বিয়ের কথা। ভুলে যাবে একটু
আগে বাড়িতে তার বাবা শেষ
আর্টিমেটাম দিয়ে বিয়ে করার
জন্য।
ভুলে যাবে বিকেলবেলা তাকে
দেখতে আসবে ছেলে পক্ষ। ভুলে
যাবে
সজলকে সিরিয়াস হতে বলার
উপদেশ।
.
-মুনা, চল বিয়ে করে ফেলি।
-বলকি? এখনি না বিয়ে করবেনা
বলে
কত পাগলামী করলে?
-বন্যা আপু নাই, তোমাকেই বিয়ে
করতে হবে।
-মানে কি?
-একটাকার নোট, হরিণের ছবি আছে।
-কি বলছো এসব?
-হ্যাঁ। আগে বন্যা আপু ছিল, হরিণও
ছিল।
এখন বন্যা আপুও নেই হরিণও নেই।
-তো?
-এখন কয়েন আছে, তুমি আছো!
-মানে?
-কয়েন দিয়েই তো কাজ চলছে
নাকি?
-হ্যাঁ। তো?
-তোমাকে দিয়েও চলবে!
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now